শুক্রবার, এপ্রিল ২৩
Shadow

প্রধান বিচারপতির ছুটিতে বিচারকার্যে প্রভাব পড়েনি: অ্যাটর্নি জেনারেল

প্রাইম ডেস্ক :

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ছুটিতে থাকায় দেশের সুপ্রিমকোর্টের বিচারকার্যে কোনো প্রভাব পড়েনি বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

বুধবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতি ছুটিতে থাকায় সর্বোচ্চ আদালতের বিচারকার্যে কোনো প্রভাব পড়েনি। সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে আজও প্রায় ১০০ মামলার বিচারকার্য হয়েছে। একজন বিচারপতির জন্য বিচার বিভাগ থেমে থাকে না।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি করার কিছু নেই। যারা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন, তারা নিজেরা নিজেরাই উদ্বেগ তৈরি করে নিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি যিনি আছেন তিনি যদি মনে করেন বেঞ্চ রদবদল করবেন, তাহলে তিনি তা করতে পারেন। এটা স্বাভাবিকভাবেই সব সময় হয়ে আসছে এতে কোনো অসুবিধা নেই।

মাহবুবে আলম বলেন, কোন বিচারপতি ছুটি যাবেন, সেটা নিয়ে রাজনীতিরি করার তো কিছু নেই। আমি আগেও বলেছি, যারা রাজনীতি করছেন- তারা স্বপ্রণোদিত হয়ে করছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের বার অ্যাসোসিয়েশন একটি রাজনৈতিক দলের কব্জা হয়ে গেছে। তারা সেই দলের নানারকম কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। কাদের মোল্লার স্ত্রী-স্বজনদের নিয়ে বারের অডিটোরিয়াম ব্যবহার করা, যুদ্ধাপরাধের মামলার বিপক্ষে অবস্থান নেয়া- এটা কি কোনো সুস্থ মানসিকতার লক্ষণ? এটা তো তারা করেছেন!’

প্রধান বিচারপতি অসুস্থতার কারণ উল্লেখ করে ছুটি নিয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা কী, তা জেনেছেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে মাহবুবে আলম বলেন, ‘এটা তো আমার দায়িত্ব না। প্রধান বিচারপতি কোথায় থাকবেন, কোথায় আছেন- সেটা তো আমার দায়িত্ব না। আমার দায়িত্ব আদালতের মামলা করা। এ বিষয়ে যারা বেশি উৎসাহী তারা খুঁজে দেখুক।’

এক সাংবাদিক প্রশ্ন রাখেন, ‘প্রধান বিচারপতি কোথায় আছেন- সেটা আমার জানার কথা না’ আপনার এমন বক্তব্যে আইনজীবী সমিতির সভাপতি বলেছেন, ‘তিনি রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা- তিনিই যদি না জানেন তাহলে অন্য কারও পক্ষে জানা সম্ভব কি না।’ এ প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আমার এ বক্তব্যটাকে সম্পূর্ণভাবে ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং এটা নিয়ে তারা অতিরঞ্জিত করে বক্তব্য দিচ্ছেন।’

তিনি বলেন, ‘আমি সকাল ৯টায় কোর্টে আসি। প্রায়শ রাত ৯টা পর্যন্ত আমাকে থাকতে হয়। আমি তো কারও দারোয়ান না। কে কোথায় আছে, না আছে বা আজকে কোন বিচারপতি এলেন না অথবা বিচারপতি কোথায় গেলেন। এই খোঁজ-খবর নেয়ার দায়িত্ব তো আমার না।’

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ছুটিতে থাকায় দেশের সুপ্রিমকোর্টের বিচারকার্যে কোনো প্রভাব পড়েনি বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

বুধবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতি ছুটিতে থাকায় সর্বোচ্চ আদালতের বিচারকার্যে কোনো প্রভাব পড়েনি। সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে আজও প্রায় ১০০ মামলার বিচারকার্য হয়েছে। একজন বিচারপতির জন্য বিচার বিভাগ থেমে থাকে না।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি করার কিছু নেই। যারা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন, তারা নিজেরা নিজেরাই উদ্বেগ তৈরি করে নিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি যিনি আছেন তিনি যদি মনে করেন বেঞ্চ রদবদল করবেন, তাহলে তিনি তা করতে পারেন। এটা স্বাভাবিকভাবেই সব সময় হয়ে আসছে এতে কোনো অসুবিধা নেই।

মাহবুবে আলম বলেন, কোন বিচারপতি ছুটি যাবেন, সেটা নিয়ে রাজনীতিরি করার তো কিছু নেই। আমি আগেও বলেছি, যারা রাজনীতি করছেন- তারা স্বপ্রণোদিত হয়ে করছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের বার অ্যাসোসিয়েশন একটি রাজনৈতিক দলের কব্জা হয়ে গেছে। তারা সেই দলের নানারকম কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। কাদের মোল্লার স্ত্রী-স্বজনদের নিয়ে বারের অডিটোরিয়াম ব্যবহার করা, যুদ্ধাপরাধের মামলার বিপক্ষে অবস্থান নেয়া- এটা কি কোনো সুস্থ মানসিকতার লক্ষণ? এটা তো তারা করেছেন!’

প্রধান বিচারপতি অসুস্থতার কারণ উল্লেখ করে ছুটি নিয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা কী, তা জেনেছেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে মাহবুবে আলম বলেন, ‘এটা তো আমার দায়িত্ব না। প্রধান বিচারপতি কোথায় থাকবেন, কোথায় আছেন- সেটা তো আমার দায়িত্ব না। আমার দায়িত্ব আদালতের মামলা করা। এ বিষয়ে যারা বেশি উৎসাহী তারা খুঁজে দেখুক।’

এক সাংবাদিক প্রশ্ন রাখেন, ‘প্রধান বিচারপতি কোথায় আছেন- সেটা আমার জানার কথা না’ আপনার এমন বক্তব্যে আইনজীবী সমিতির সভাপতি বলেছেন, ‘তিনি রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা- তিনিই যদি না জানেন তাহলে অন্য কারও পক্ষে জানা সম্ভব কি না।’ এ প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আমার এ বক্তব্যটাকে সম্পূর্ণভাবে ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং এটা নিয়ে তারা অতিরঞ্জিত করে বক্তব্য দিচ্ছেন।’

তিনি বলেন, ‘আমি সকাল ৯টায় কোর্টে আসি। প্রায়শ রাত ৯টা পর্যন্ত আমাকে থাকতে হয়। আমি তো কারও দারোয়ান না। কে কোথায় আছে, না আছে বা আজকে কোন বিচারপতি এলেন না অথবা বিচারপতি কোথায় গেলেন। এই খোঁজ-খবর নেয়ার দায়িত্ব তো আমার না।’

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ছুটিতে থাকায় দেশের সুপ্রিমকোর্টের বিচারকার্যে কোনো প্রভাব পড়েনি বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

বুধবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতি ছুটিতে থাকায় সর্বোচ্চ আদালতের বিচারকার্যে কোনো প্রভাব পড়েনি। সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে আজও প্রায় ১০০ মামলার বিচারকার্য হয়েছে। একজন বিচারপতির জন্য বিচার বিভাগ থেমে থাকে না।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি করার কিছু নেই। যারা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন, তারা নিজেরা নিজেরাই উদ্বেগ তৈরি করে নিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি যিনি আছেন তিনি যদি মনে করেন বেঞ্চ রদবদল করবেন, তাহলে তিনি তা করতে পারেন। এটা স্বাভাবিকভাবেই সব সময় হয়ে আসছে এতে কোনো অসুবিধা নেই।

মাহবুবে আলম বলেন, কোন বিচারপতি ছুটি যাবেন, সেটা নিয়ে রাজনীতিরি করার তো কিছু নেই। আমি আগেও বলেছি, যারা রাজনীতি করছেন- তারা স্বপ্রণোদিত হয়ে করছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের বার অ্যাসোসিয়েশন একটি রাজনৈতিক দলের কব্জা হয়ে গেছে। তারা সেই দলের নানারকম কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। কাদের মোল্লার স্ত্রী-স্বজনদের নিয়ে বারের অডিটোরিয়াম ব্যবহার করা, যুদ্ধাপরাধের মামলার বিপক্ষে অবস্থান নেয়া- এটা কি কোনো সুস্থ মানসিকতার লক্ষণ? এটা তো তারা করেছেন!’

প্রধান বিচারপতি অসুস্থতার কারণ উল্লেখ করে ছুটি নিয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা কী, তা জেনেছেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে মাহবুবে আলম বলেন, ‘এটা তো আমার দায়িত্ব না। প্রধান বিচারপতি কোথায় থাকবেন, কোথায় আছেন- সেটা তো আমার দায়িত্ব না। আমার দায়িত্ব আদালতের মামলা করা। এ বিষয়ে যারা বেশি উৎসাহী তারা খুঁজে দেখুক।’

এক সাংবাদিক প্রশ্ন রাখেন, ‘প্রধান বিচারপতি কোথায় আছেন- সেটা আমার জানার কথা না’ আপনার এমন বক্তব্যে আইনজীবী সমিতির সভাপতি বলেছেন, ‘তিনি রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা- তিনিই যদি না জানেন তাহলে অন্য কারও পক্ষে জানা সম্ভব কি না।’ এ প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আমার এ বক্তব্যটাকে সম্পূর্ণভাবে ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং এটা নিয়ে তারা অতিরঞ্জিত করে বক্তব্য দিচ্ছেন।’

তিনি বলেন, ‘আমি সকাল ৯টায় কোর্টে আসি। প্রায়শ রাত ৯টা পর্যন্ত আমাকে থাকতে হয়। আমি তো কারও দারোয়ান না। কে কোথায় আছে, না আছে বা আজকে কোন বিচারপতি এলেন না অথবা বিচারপতি কোথায় গেলেন। এই খোঁজ-খবর নেয়ার দায়িত্ব তো আমার না।’

Leave a Reply

Your email address will not be published.