মঙ্গলবার, মার্চ ২
Shadow

উচ্চশিক্ষার উন্নয়নে কৌশলগত পরিকল্পনা করছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের উচ্চশিক্ষা বিশ্বমানে উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ২০৩০ সাল নাগাদ উচ্চশিক্ষার জন্য একটি কৌশলগত পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। এজন্য বিভিন্ন কমিটি তাদের সুপারিশমালা পেশ করেছে এবং একটি খসড়া পরিকল্পনা প্রস্তুত করা হয়েছে। রোববার রাজধানীর সিরডাপ অডিটোরিয়ামে এ বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) আওতাধীন উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন প্রকল্পের উদ্যোগে ’ড্রাফট স্ট্রাটেজিক প্লান ফর হাইয়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: ২০১৭-২০৩০’ শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্বব্যাংক।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে প্রধান চ্যালেঞ্জ গুণগত মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা। বিশ্ববিদ্যালয়ে দক্ষ মানবসম্পদ ও সকল স্তরে আদর্শ শিক্ষক তৈরি করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘উচ্চশিক্ষায় প্রথাগত ধারণার পরিবর্তন চাই। শিক্ষা হবে দক্ষতা-নির্ভর, যাতে একজন শিক্ষার্থী প্রকৃত অর্থে মানব সম্পদে পরিণত হতে পারে।’

তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হবে জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও নতুন জ্ঞান সৃষ্টির জন্য চরম উত্কর্ষ অর্জনের স্থান। জ্ঞান-প্রযুক্তি শুধু আমদানি নয়, রপ্তানি করার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়নে অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল আইন পাস করা হয়েছে। এছাড়া উচ্চশিক্ষা কমিশন গঠন করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।

খসড়া কৌশলগত পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন ইউজিসি সদস্য ড. মোহাম্মদ ইউসুফ আলী মোল্লাহ। তিনি বলেন, দক্ষ মানব সম্পদ ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ তৈরি করতে আমাদের কৌশলগত পরিকল্পনার প্রয়োজন রয়েছে। এক্ষেত্রে পাঠদান ও গবেষণার উন্নয়নের জন্য আমাদের মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিতে হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র এডুকেশন স্পেশালিস্ট ইয়োকো নাগাশিমা এবং হেকেপ প্রকল্প পরিচালক ড. গৌরাঙ্গ চন্দ্র মোহান্ত বক্তব্য রাখেন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাশউদ্দিন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান।

Leave a Reply

Your email address will not be published.