গফরগাঁওয়ে পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় পিটিয়ে হত্যা

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি :

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর সাথে পরকীয়া সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় রহিদুল্লাহ ওরফে রহিদ (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা। সংবাদ পেয়ে পাগলা থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে । ঘটনাটি ঘটেছে আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার পাগলা থানাধীন দোবাষিয়া গ্রামে। পরে ঘাতক ওছমানকে আটক করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাগলা থানাধীন দোবাষিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল মোতালেবের ছেলে রহিদুল্লাহ ওরফে রহিদ এর প্রবাসী ছোট ভাই এখলাছ উদ্দিনের স্ত্রী মুক্তা বেগমের (২৭) সাথে একই গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে ওছমান মিয়ার (৪০) পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। উছমান প্রায়ই মুক্তা বেগমের কাছে আসতেন। কিছুদিন পূর্বে মুক্তা বেগমের গর্ভে এক সন্তান জন্ম হয়। সন্তানটি প্রবাসী এখলাছ উদ্দিনের নাকি ওছমান মিয়ানের এ নিয়ে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে সমালোচনার প্রেক্ষিতে বিচার সালিস হওয়ার কথা ছিল। এ অবস্থায় গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ওছমান মিয়া আবারো মুক্তা বেগমের কাছে আসে। বিষয়টি জানতে পেরে রহিদুল্লাহ ওরফে রহিদ ছোট ভাই এখলাছ উদ্দিনের বাড়িতে এসে ওছমান মিয়াকে আসার কারণ জিজ্ঞাসা করে পরকীয়া সম্পর্কের প্রতিবাদ করেন। নিয়ে দুজনের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে ওছমান মিয়া লাঠি দিয়ে রহিদুল্লাহকে পিটিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরে ওছমানকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন সাগর বলেন, পরকীয়া সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় ওছমান রহিদুল্লাহকে মাথায় আঘাত করলে সে ঘটনাস্থলে নিহত হয়।

পাগলা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহিনুজ্জামান খান বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক ওছমানকে আটক করা হয়েছে ।