গফরগাঁওয়ে তালইয়ের ধর্ষণে নবম শ্রেণির ছাত্রী ৬মাসের অন্তসত্ত্বা, গ্রেফতার ১

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি :
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানাধীন পাইথল ইউনিয়নের গোয়ালবর গ্রামে মেয়ের ননদকে ধর্ষণের অভিযোগে তালইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
অভিযুক্ত ধর্ষক তালইয়ের নাম আতাউর রহমান। তার পৈতৃক বাড়ি লালমনিরহাটের সদর উপজেলার কিসামতহারিটি গ্রামে। তালইয়ের ধর্ষণে কিশোরি মেয়েটি বর্তমানে সে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত¡া। নির্যাতিত কিশোরি স্থানীয় একটি মাদরাসায় নবম শ্রেণিতে পড়শোনা করছে। গ্রেফতারকৃত আতাউর রহমান ওই এলাকায় অস্থায়ীভাবে বসবাস করে ও স্থানীয় একটি পোল্টি ফার্মে চাকরির পাশাপাশি পরিবার নিয়ে বসবাস করতো।
পাগলা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফায়েজুর রহমান বলেন, ‘গত মঙ্গলবার ফোন পেয়ে পুলিশ ধর্ষণের শিকার মেয়েটিকে থানায় আনা হলে সে জানায় যে তার ভাবির বাবা তাকে ধর্ষণ করেছে। এ ঘটনায় গতকাল রাত দেড়টার দিকে মেয়েটির বাবা থানায় বেয়াই আতাউর রহমানকে আসামি করে মামলা করেন। এরপরই আতাউর রহমানকে গত ভোররাতে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরো জানান, ধর্ষক আতাউরের মেয়ের সঙ্গে মেয়েটির ভাইয়ের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। অভিযুক্ত আতাউর রহমান প্রায়ই মেয়ের বাড়িতে যাতায়াত করত। দুই থেকে তিন মাস আগে ভিকটিম মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করায় তার পরিবার। এতে মেয়েটি এক মাসের মতো জ্বরে ভোগেন।
কয়েকদিন আগে মেয়েটির পেটসহ শারীরিক পরিবর্তন ঘটে। এ বিষয়ে তার ভাই ও ভাবি জেরা করার পর সে জানায়, তার তালই আতাউর রহমান গত ২৮ মে রাতে তাদের বাড়ির পরিত্যক্ত ঘরে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর হুমকি দেন যে, এ কথা কাউকে জানালে তার ভাই ও পরিবারের লোকজনের ক্ষতি করবে। এই ভয়ে মেয়েটি এতদিন কাউকে কিছু জানায়নি।
পাগলা থানার ওসি শাহীনুজ্জামান খান বলেন, মেয়েটিকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আতাউর রহমানকে গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।