বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২৫
Shadow

ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি বিশাল গৌরবের: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক :

একাত্তরের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণকে ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে ঘোষণা করায় ইউনেস্কোর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি বাঙালি জাতি এবং বাংলা ভাষার জন্য এক বিশাল গৌরবের।

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্ট্রারে’ অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় পর বুধবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে পরিচালিত নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। বাঙালির বীরত্বপূর্ণ সংগ্রাম ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে জাতির পিতার এই ভাষণের দিক-নির্দেশনাই ছিল সে সময়ের বজ্রকঠিন জাতীয় ঐক্যের মূলমন্ত্র।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর সামরিক শাসনামলে এবং বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে জাতির পিতার ওই ভাষণ গণমাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধ থাকলেও বঙ্গবন্ধুর সেই কণ্ঠ সাধারণ মানুষের হৃদয় থেকে কোনদিনই মুছে যায়নি।

ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৪৬ বছর আগে সেই ভাষণে স্বাধীনতাকামী ৭ কোটি বাঙালিকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম- এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। তার ওই ভাষণের ১৮ দিন পর পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালি নিধনে নামলে বঙ্গবন্ধুর ডাকে শুরু হয় প্রতিরোধ যুদ্ধ। নয় মাসের সেই সশস্ত্র সংগ্রামের পর আসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা।

স্বাধীনতার জন্য বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস এবং জাতির পিতার ৭ মার্চের ভাষণের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বিবৃতিতে বলেন, আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক ভাষণ। এ ভাষণ বাঙালি জাতিকে উজ্জীবিত করেছিল মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে বিজয় ছিনিয়ে আনতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.