রবিবার, জানুয়ারি ১৭
Shadow

জুমার দিনের কিছু আমল

আর এ দিনের যে কোনো নেক আমলের সওয়াব অন্য দিনের তুলনায় অনেক বেশি। এ দিনে রয়েছে মুসলমানদের জন্য বেশি বেশি পুণ্য অর্জনের পাশাপাশি পাপ মোচনেরও বিশেষ সুযোগ। এছাড়া এ দিনের জন্য রয়েছে বিশেষ কিছু আমলও, যার জন্য রয়েছে অগণিত সওয়াব। সুতরাং এ দিন মোমিন মুসলমানদের জন্য বেশি বেশি নেক আমল করা প্রয়োজন। এমনকি যখন জুমার আজান হয়, তখন সব কাজ থেকে বিরত থেকে নামাজের প্রস্তুতি গ্রহণ করা মুসলমানদের জন্য কর্তব্য। কেননা মহান আল্লাহ তায়ালা কোরআনে বলেন, ‘হে মোমিনরা, জুমার দিনে যখন নামাজের আজান দেয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর ইবাদতের জন্য দ্রুত যাও এবং বেচাকেনা বন্ধ কর। এটা তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা বোঝ।’ (সূরা জুমুআহ : ৯)।
শুধু তা-ই নয়, জুমার দিনের কারণে উম্মতে মুসলিমা অন্য উম্মতগুলোর আগে জান্নাতে যাবে। আর এ বিষয়ে হাদিসে হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আমরা শেষে এসেছি; কিন্তু কেয়ামতের দিন সবার আগে থাকব। যদিও অন্য সব জাতিকে (ইহুদি ও খ্রিস্টান) গ্রন্থ দেয়া হয়েছে আমাদের আগে, আমাদের গ্রন্থ দেয়া হয়েছে তাদের পরে। অতঃপর জেনে রাখো, এ (জুমার) দিনটি আল্লাহ আমাদের দান করেছেন। তিনি এ ব্যাপারে আমাদের সঠিক পথের দিশা দিয়েছেন। আর অন্য লোকরা এ ব্যাপারে আমাদের পেছনে আছে। ইহুদিরা জুমার পরের দিন (শনিবার) উদযাপন করে আর খ্রিস্টানরা তার পরের দিন (রোববার) উদযাপন করে।’ (বোখারি ও মুসলিম)।
আমলগুলো তুলে ধরা হলো
– গোসল করা।
– উত্তম পোশাক পরিধান করা।
– সুগন্ধি লাগানো।
– প্রথম ওয়াক্তে মসজিদে যাওয়া।
– সূরা কাহফ তেলাওয়াত করা।
– মসজিদে গিয়ে কমপক্ষে দুই রাকাত সুন্নত নামাজ আদায় করা।
– ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসা।
– মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা। খুতবা চলাকালীন কোনো ধরনের কথা না বলা; এমনকি কাউকে কথা বলতে দেখলে তাকে কথা বলতে বারণ করাও কথা বলার শামিল।
– দুই খুতবার মাঝের সময় দোয়া করা।
অন্য সময় দোয়া করা, কারণ এ দিন দোয়া কবুল হয়।
– রাসুলুল্লাহ (সা.) এর ওপর সারা দিন বেশি বেশি দরুদ পাঠানো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.