শুক্রবার, জানুয়ারি ১৫
Shadow

তাৎপর্যপূর্ণ জেলহত্যা দিবসে রাষ্ট্রীয় ছুটি চান সোহেল তাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

৩ নভেম্বর ‘জেলহত্যা।’ ইতিহাসের এ কলঙ্কিত অধ্যায়। এই বেদনাময় দিনে (৩ নভেম্বর, জেলহত্যা দিবস) রাষ্ট্রীয় ছুটি ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছেন শহীদ সন্তান তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ। জাতীয় চারনেতা এবং ‘জেলহত্যা’ দিবসের তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই তিনি এমন আশা ব্যক্ত করেন।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম নিজের ফেসবুক এক স্ট্যাটাসে শুক্রবার (৩ নভেম্বর) বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের ছেলে ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ‘বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চারনেতার সার্বিক অবদান- ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ছয় দফা, গণঅভ্যুথান, সত্তুরের নির্বাচন এবং মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতা- আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা যোগাবে। নতুন প্রজন্ম যাতে জানতে পারে যে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু তাঁর সঙ্গে রেখেছিলেন যোগ্য ব্যক্তিদের, যারা তাদের দক্ষতটা, যোগ্যতা আর দেশপ্রেম দিয়ে অর্জন করেছিলেন বঙ্গবন্ধু এবং এ জাতির আস্থা। তেসরা (৩) নভেম্বরকে রাষ্ট্রীয় ছুটির দিন ঘোষণা করে বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চারনেতা এবং এই দিনের তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা উচিত।’

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ৩ নভেম্বর জেলের মধ্যে বন্দি অবস্থায় হত্যা হরা হয় জাতীয় এ চার নেতাকে। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও চার জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, এ এইচ এম কামারুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে এই দিনে (৩ নভেম্বর) ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধকালে মুজিবনগর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে থেকে জাতীয় চার নেতা ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছিলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। ওই সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী, খাদ্য ও ত্রাণ মন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামান।

শুধু মুক্তিযুদ্ধ নয়, সকল আন্দোলন-সংগ্রামে এই চার নেতা বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহযোদ্ধা হিসেবে বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকেছেন। বিভিন্ন সময় বঙ্গবন্ধুকে যখন কারাগারে বন্দি রাখা হয়েছে, এই চার নেতাই তখন আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিয়ে আন্দোলন-সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.