শুক্রবার, মে ৭
Shadow

প্রথম বারের মতো মতলব মুক্ত দিবস পালিত

 

সিপাহী আল-আমিন, (মতলব) চাঁদপুর প্রতিনিধি :
১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর চাঁদপুরের মতলব হানাদার মুক্ত হয়েছিল। ওই সময়ই ৪ ডিসেম্বর মতলব মুক্ত দিবস হিসেবে ঘোষনা করা হয়। এ উপলক্ষে এই প্রথম বারের মতো মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। সোমবার বিকালে মোহনপুর আলী আহমদ মিয়া বহুমূখী মহাবিদ্যালয় মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মতলব মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার গোলাম মোস্তফা রতনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন যুদ্ধকালীন সাব সেক্টর কমান্ডার ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল আলম রব। গ্রাম ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ সরকারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওচমান গণি পাটোয়ারী, মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনজুর আহমদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শারমিন আক্তার, ওসি মো. আনোয়ারুল হক, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য একেএম রিয়াজ উদ্দিন মানিক, চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মিয়া জাহাঙ্গীর, আলী আহমদ মিয়া বহুমূখী মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ এটিএম ফেরদৌস আহমদ, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম হাওলাদার, চাঁদপুর জেলা আ’লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক হানিফ পাটোয়ারী, মতলব উত্তর উপজেলা চেয়ারম্যান কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুল হক চৌধুরী বাবুল, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শরীফ চৌধুরী, মতলব উত্তর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মোজাম্মেল হক, সমাজসেবক আইয়ুব আলী মোল্লা, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ উল্লাহ সরকার, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান প্রজন্ম এর কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক আহসান হাবিব প্রমূখ। এসময় মতলব উত্তর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বক্তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা দেশ ও জাতির অহংকার। ১৯৭১ সালে নিজের জীবন বাজি রেখে মুক্তিযোদ্ধে অংশগ্রহণ না করলে আমরা একটি লাল সবুজ পতাকা পেতাম না। তাই জাতির এই সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তানদেরকে সর্ব ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি ধরে রাখতে হলে এ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে
বক্তারা আরও বলেন, এ দেশে বছরের পর বছর অনেক কিছুর পরিবর্তন হবে এবং অনেকেই দেশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল পদে অধিষ্ঠিত হবে। কিন্তু একজন মুক্তিযোদ্ধা সৃষ্টি করতে পারবে না। তাই মুক্তিযোদ্ধাদেরকে যথাযথ শ্রদ্ধা ও সম্মান করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।

Leave a Reply

Your email address will not be published.