বুধবার, মার্চ ৩
Shadow

শ্রীপুরে মোবাইল ফোনের জের ধরে শিশুকে হত্যা করলো অপর এক শিশু

শ্রীপুর প্রতিনিধি :

গাজীপুরের শ্রীপুরে নিখোঁজের ৯ ঘন্টা পর শিশু সিফাত আহম্মেদের (৪) লাশ উদ্ধার করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত শিশু আব্দুল্লাহ কাজীকে (১২) গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পশ্চিম খন্ড গ্রামের (ডলফিন বেকারির সামনে) পরিত্যাক্ত জায়গার সীমানা প্রাচীরের ভেতর থেকে পুলিশ ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করে।

নিহত সিফাত নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার ৮নং ঝানুগাছ চাপানি গ্রামের আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে। সিফাত তার বাবা-মার সাথে কেওয়া পশ্চিমখন্ড (মাওনা চৌরাস্তা বর্ণমালা মোড়) এলাকার আব্দুছ ছালামের বাড়িতে ভাড়া থাকে। গ্রেপ্তার আব্দুল্লাহ কাজী পাবনার সুজানগর উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের আমীর কাজির ছেলে। সে একই মালিকের বাড়িতে পাশের রুমে বাবা-মার সাথে থাকে। সে বাড়ী থেকে সোমবার বিকেলে নিখোঁজ হয়।

শ্রীপুর থানার পরিদর্শক মনিরুজ্জামান খান জানান, সোমবার দুপুরে পাশের রুমের আব্দুল্লাহর সাথে খেলার জন্য বের হয় শিশু সিফাত আহম্মেদ। বিকেলে সিফাত বাসায় না ফিরলে তার বাবা-মা আতœীয়-স্বজনসহ বন্ধুদের বাড়িতে খোঁজতে থাকে। সিফাতের কোনো সন্ধান না পেয়ে সন্ধ্যায় ঘটনার বর্ণনা দিয়ে শ্রীপুর থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করে শিশুর বাবা আবু বকর সিদ্দিক। রাত সাড়ে ৮টায় ওই এলাকায় লাশ পড়ে থাকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সিফাতের লাশ সনাক্ত করে তার বাবা।

তিনি আরো জানান, পরিবারের সন্দেহের প্রেক্ষিতে আবদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুল্লাহ স্বীকার করে সিফাতের হাতে থাকা এন্ড্রয়েড মোবাইল নেওয়ার জন্য তাকে নিয়ে ওই পরিত্যক্ত জমির সীমানা প্রাচীর টপকিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে। সেখানে শিশু সিফাতের মাথায় মোবাইল দিয়ে এলোপাথারী আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।