শনিবার, জানুয়ারি ১৬
Shadow

আপন জুয়েলার্সের ৩ মালিকের জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক  :

অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে পাঁচ মামলার মধ্যে পৃথক তিন মামলায় আপন জুয়েলার্সের তিন মালিক জামিন পেয়েছেন। আপন জুয়েলার্সের মালিক তিন ভাই দিলদার আহমেদ, গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে দিলদারের বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা থাকায় তিনি এখনই কারাগার থেকে বের হতে পারছেন না।

বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের জামিন প্রশ্নে রুলের শুনানি নিয়ে এ রায় দেন।

গত ২২ নভেম্বর পাঁচ মামলায় আপন জুয়েলার্সের তিন মালিককে কেন জামিন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। দুই সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

তিনজনের কৌঁসুলি এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, পাঁচ মামলার মধ্যে গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদ পৃথক দুই মামলায় জামিন পেয়েছেন। ফলে তাদের কারা মুক্তিতে আইনগত বাধা নেই। এক মামলায় দিলদার জামিন পেলেও আরও দুই মামলা থাকায় তিনি এখন জামিনে মুক্তি পাচ্ছেন না।

পৃথক পাঁচ মামলায় জামিন চেয়ে আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ২২ নভেম্বর হাইকোর্ট রুল দেন। কেন তাদের জামিন হবে না তা রুলে জানতে চাওয়া হয়। রুলের ওপর বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) ও আজ (১৪ ডিসেম্বর) শুনানি নিয়ে আদালত তিনটি আবেদন নিষ্পত্তি করে জামিন মঞ্জুর করে এ রায় দেন। তবে দিলদার আহমেদের অপর দুটি আবেদন মুলতবি (স্যান্ড ওভার) রাখা হয়েছে।

আদালতে জামিন আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন- এ এম আমিন উদ্দিন, শেখ ফজলে নূর তাপস ও মো. মেহদী হাসান চৌধুরী।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যার্টনি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরহাদ আহমেদ। এছাড়া সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসূফ মাহমুদ মোর্শেদ সঙ্গে ছিলেন।

বনানীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় আপন জুয়েলার্সের নাম সামনে আসে। ওই ঘটনায় করা মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে শাফাত আহমেদসহ পাঁচজনকে আসামী করা হয়।
অন্য আসামীরা হলেন- নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, শাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও তার দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।

এই মামলা চাপা দিতে বিপুল অর্থ খরচের চেষ্টার অভিযোগ উঠলে অর্থের উৎস ডার্টি মানি কি না অথবা তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম অস্বচ্ছ কি না, তা খতিয়ে দেখতে শুরু করে শুল্ক গোয়েন্দারা।
অনুসন্ধান শেষে গত ১২ আগস্ট আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে পাঁচটি মামলা হয়।