সোমবার, জানুয়ারি ১৮
Shadow

মেসির বার্সেলোনার ৩-০ গোলে জয়

প্রাইম খেলাধুলা  :

বার্সেলোনা-রিয়াল মাদ্রিদের লড়াই মানেই অন্যরকম উত্তেজনার আবহ। ‘এল ক্লাসিকো’র মহারণ নামে যা পরিচিত। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর এই লড়াইয়ে প্রথমার্ধ ছিল রিয়ালের দখলে।

তবে ম্যাচের চিত্র দ্বিতীয়ার্ধে পাল্টে যায়। মেসির বার্সা পরবর্তী সময়ে শুধু প্রাধান্য বিস্তারই করেনি, শেষে বিজয়ের হাসিও হেসেছে তারা। ধ্রুপদী এই লড়াইয়ে কাতালান ক্লাবটি জিতেছে ৩-০ গোলে।

এল ক্ল্যাসিকো মহারণের প্রথমার্ধে কেউ কারও জালে বল প্রবেশ করাতে পারেনি; কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার পরই রিয়াল মাদ্রিদকে পেছনে ফেললো লিওনেল মেসির বার্সেলোনা। ১০ মিনিটের ব্যবধানে রোনালদোর ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের জালে ২ বার বল জড়িয়ে দিয়েছে বার্সা। যার একটি এসেছে লুইস সুয়ারেজের পা থেকে। অন্যটি এসেছে মেসির পা থেকে, পেনাল্টি কিকের মাধ্যমে।

খেলার একেবারে শেষ মুহূর্তে (৯০+৩ মিনিটে) লিওনেল মেসির দুর্দান্ত এক পাস থেকে বল পেয়ে রিয়াল মাদ্রিদের জালে তৃতীয়বারের মতো বল জড়িয়ে দেন আলেক্সি ভিদাল।

কয়েকবারের চেষ্টায় ৫৪ মিনিটেপ্রথম রিয়ালের জালে বল জড়াতে সক্ষম হন লুইস সুয়ারেজ। বার্সেলোনা ১-০ গোলে এগিয়ে যায়। খেলার ৬৩ মিনিটে ডি বক্সের মধ্যে ইচ্ছে করে হাত দিয়ে বল ঠেকানোর কারণে দানি কারভাহলকে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেন রেফারি। একই সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশিও বাজান তিনি। স্পট কিক থেকে রিয়ালে জালে বল জড়ান মেসি।

প্রথমার্ধে বল পজেশনে এগিয়ে ছিল স্বাগতিক রিয়াল মাদ্রিদই। ৫২ ভাগ বল ছিল তাদের দখলে। ৪৮ ভাগ ছিল বার্সার ভাগে। গোল পোস্ট লক্ষ্যে শটও নিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ বেশি, মোট ৯টি। কিন্তু একটিও বার্সার জাল খুঁজে পেলো না।

অন্যদিকে, বার্সেলোনা শট নিয়েছিল মোট ৪টি। এর মধ্যে নিশ্চিত গোল হওয়ার মতো দুটি শট ছিল। কিন্তু রিয়াল মাদ্রিদ গোলরক্ষক কেইলর নাভাসের দূরন্ত ক্ষিপ্রতায় এই দুই যাত্রায় বেঁচে যায় স্বাগতিকরা। ফলে গোলশূন্যভাবেই ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হলো।

এবারের লা লিগায় দুই দলের এটি প্রথম দেখা। এই লিগে আরো সুবিধাজনক অবস্থানে চলে যায় বার্সেলোনা। ১৭ ম্যাচে এখন তাদের সংগ্রহ ৪৫ পয়েন্ট, পয়েন্ট টেবিলেও শীর্ষে রয়েছে তারা। এই হারে রিয়াল আরো পিছিয়ে পড়ে। এক ম্যাচ কম খেলে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে তারা চতুর্থ স্থানে।

শুধু পয়েন্ট টেবিলেই ভালো অবস্থানে নয়, লিগে এখন পর্য়ন্ত হারের মুখ দেখেনি বার্সেলোনা।