২০১৮ সাল গণতন্ত্র ও জনগণের বিজয়ের বছর : মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২০১৮ সাল জনগণের বছর,গণতন্ত্রের বছর, বিজয়ের বছর-এটা জনগণ প্রতিষ্ঠা করবে। সোমবার বিকালে শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের সভাপতি রাজীব আহসানকে সাথে নিয়ে জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা জানাতে যান মির্জা ফখরুল। এসময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় এবং সাংগঠনিক জেলা ঢাকা মহানগর উত্তর,দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম শাখার বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী তাদের সাথে ছিলেন। উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যের ছিলেন, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, কেন্দ্রীয় নেতা শামসুজ্জামান দুদু,আমান উল্লাহ আমান, হাবিব উন নবী খান  সোহেল, ফজলুল হক মিলন, শহীদ উদ্দীন  চৌধুরী এ্যানী,নাজিম উদ্দিন আলম, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ছাত্রদলের আসাদুজ্জামান আসাদ, মামুনুর রশিদ মামুন,এজমল  হোসেন পাইলট, নাজমুল হাসান,আবু আতিক আল হাসান মিন্টু, কাজী  মোক্তার  হোসেন,  করিম সরকার, আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী, আমজাদ চৌধুরী শাহাদত প্রমুখ। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আগামীকাল মঙ্গলবার বিকালে ছাত্রসমাবেশ করবে ছাত্রদল। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিউশনের এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

মির্জা ফখরুল বলেন, নতুন বছরে আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি নিরপে সরকারের অধীনে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।
তিনি আরো বলেন, আমরা মনেকরি সংলাপ ছাড়া কোনো সমস্যার সমাধান হবে না। সরকারের বর্তমান অবস্থানে এটি স্পষ্ট,তারা (আওয়ামী লীগ) একদলীয় শাসন ব্যবস্থাকে পাকাপোক্ত করতে কোনো আলোচনা ছাড়াই তথাকথিক সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন করতে চায়। মানুষ এটা  মেনে  নেবে না। এদেশের মানুষ মনে করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ছাড়া এ দেশে নিরপে নির্বাচন সম্ভব নয়।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নন এমপিওভুক্ত শিকদের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনে বিএনপির পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।
৫ জানুয়ারির সমাবেশ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, পত্রিকায় খবর বেরিয়েছে-একটা অপরিচিত নাম- গোত্রহীন ইসলামিক পার্টিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে একটা সমাবেশ করবার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ থেকে প্রমাণিত হয়- এই সরকার আসলে গণতন্ত্রকে হত্যা করে চলেছে এবং ভবিষ্যতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার সমস্ত উদ্যোগে তারা বাধা প্রদান করবে।
ঠাকুরগাঁও,পাবনা, চুয়াডাঙ্গাসহ বিভিন্ন জায়গায় ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলে সমাবেশ-শোভাযাত্রাসহ কর্মসূচিতে পুলিশি হামলার ঘটনায় নিন্দা জানান তিনি। দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আজকের নতুন বছরের শুরুতে একজন আরেকজনকে হ্যাপি নিউইয়ার বলে সম্বধণ করে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক সারাদেশে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শান্তিপূর্ণ অনুষ্ঠানে পুলিশ বিনা উস্কানিতে আক্রমন চালিয়েছে।