বুধবার, এপ্রিল ১৪
Shadow

গায়ে পড়ে অশান্তি কেন ডেকে আনবো: ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক  :

গায়ে পড়ে অশান্তি কেন ডেকে আনবো ওবায়দুল কাদের । বিএনপি চেয়াপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় ঘোষণা করা হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। এদিন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার উস্কানি যেন না দেওয়া হয় সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে দলের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমরা এখন ক্ষমতায় আছি। গায়ে পড়ে আমরা কেন দেশে অশান্তি ডেকে আনবো?’
আজ মঙ্গলবার বিকেলে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলী ও সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে যৌথসভা করেন কাদের। এ সময় খালেদা জিয়ার রায়ের দিন আওয়ামী লীগ রাজপথে অবস্থান নেবে না বলে আবারও জানিয়ে দেন তিনি।

সভার পর এক সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের বলেন, রায়ের আগে ও পরে উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আজ থেকেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সতর্ক থাকবে।
কাদের আরও বলেন, ‘দেশের জনগণের জানমাল নিরাপত্তায় স্বার্থে প্রয়োজনে আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করব। তারা (বিএনপি) যদি উস্কানি দেয়, হাইকোর্টের সামনে প্রিজন ভ্যানে হামলা চালানোর মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করে তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি মোকাবিলা করবে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাদের সহযোগিতা করবে।’
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘এই মামলার রায় কী হবে তার সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আদালত স্বাধীনভাবে মামলার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বেগম জিয়া আমাদের শত্রু নয়। বিএনপিও আমাদের শত্রু নয়।কিন্তু বিএনপি আমাদের শত্রু ভাবে। তা না হলে ১৫ আগস্ট খুনিদের মদদ দিত না। এই ধরনের হামলা করত না। বার বার আমাদের সঙ্গে শত্রুতা করেছে। বিএনপি শত্রুতা ও প্রতিহিংসার রাজনীতি করে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মাহবুবউল আলম হানিফ, দীপু মনি, এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, হাছান মাহমুদ, ফরিদুন্নাহার লাইলী, সুজিত রায় নন্দী, আবদুস সোবাহান, দেলোয়ার হোসেন, আবদুস সবুর, রোকেয়া সুলতানা, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম রহমতুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন প্রমুখ।
৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারিত হওয়ার পর থেকেই আওয়ামী লীগ ও বিএনপির হুমকি-পাল্টা হুমকি চলছে। বিএনপি বলছে, রায়ে সাজা হলে জনতাকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ করা হবে। অন্যদিকে আ. লীগ বলছে রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো ধরণের নাশকতা হলে জনতাকে সঙ্গে নিয়েই তা প্রতিরোধ করা হবে।
এই পরিস্থিতিতে দেশে সহিংসতা কথা মাথায় রেখে রায়ের দিন থেকে রাজধানীতে সব ধরনের মিটিং, মিছিল-সমাবেশ বা জমায়েত নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।