দণ্ডমাত্রই নির্বাচনে অযোগ্যতা

প্রাইম ডেস্ক :

১৯৯৩ সালে জেনারেল এরশাদ একাধিক মামলার আসামি হিসেবে কারাবন্দি এবং জনতা টাওয়ার দুর্নীতির মামলায় সাতবছরের দণ্ড মাথায় নিয়ে সাধারণ নির্বাচন করেছিলেন। কিন্তু বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি-না, সেই প্রশ্নে বিভিন্ন মহলে কৌতূহল উপচে পড়ছে।

আইন বিশ্লেষকদের অনেকের মতে আইন ও বিচারমন্ত্রী আনিসুল হকের ব্যাখ্যা অনুযায়ী বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে পারবেন। তবে খোদ আইনমন্ত্রী বলেছেন, এটা  কোনো আইনি ধারা-উপধারার বিষয় নয়, এটা ‘সুপ্রিম কোর্ট ও নির্বাচন কমিশনের’ সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে। তবে তিনি এ বিষয়ে  নির্দিষ্ট দু’টি রায়ের কথা বলার পরে গুঞ্জন শুরু হয়েছে যে, তিনি কোন কোন রায়ের দিকে ইঙ্গিত করেছেন। খোদ আইনমন্ত্রীর কথায়, সুপ্রিম কোর্টের এমন একটি রায় রয়েছে, যার আওতায় দণ্ডিত হলেও তিনি নির্বাচন করতে পারবেন।

আর অন্য একটি রায় আছে, যার আওতায় তিনি নির্বাচন করতে পারবেন না।

মানবজমিন-এর অনুসন্ধানে দেখা যায়, মাইদুল ইসলাম বনাম ইলেকশন কমিশন মামলাসহ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এ পর্যন্ত যতো সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, তাতে আপিল গৃহীত হওয়ার পরে নির্বাচন করার সুযোগ থাকছে। এই ব্যাখ্যার আলোকেই ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া এবং কক্সবাজারের আবদুর রহমান বদি সংসদ সদস্য পদে টিকে আছেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধানে বলা আছে, নৈতিক স্খলনের জন্য কারও যদি দুই বছরের অধিক সাজা হয়, তাহলে তিনি সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের দু’টি রায় আছে, তাতে বলা আছে- আপিল যতক্ষণ না পর্যন্ত শেষ হবে ততক্ষণ পর্যন্ত মামলা পূর্ণাঙ্গ স্থানে যায়নি, সেজন্য দণ্ডপ্রাপ্ত হলেও তিনি নির্বাচন করতে পারবেন। আবার আরেকটি রায় আছে, তাতে পারবেন না। এখন ওনার (খালেদা জিয়া) ব্যাপারে আপিল বিভাগ এবং স্বাধীন নির্বাচন কমিশন কি সিদ্ধান্ত নেবেন সেটা তাদের বিষয়।’
অনুসন্ধানে জানা যায়, আইনমন্ত্রী দণ্ডিত হওয়ার পরে নির্বাচন না করার বিষয়ে যে রায়ের উল্লেখ করেছেন, সেটা দিয়েছিলেন আলোচিত সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক। কিন্তু সেটা তিনি আপিল বিভাগে নয়, হাইকোর্টে থাকতে দিয়েছিলেন। ২০০১ সালের ২১শে মে দেয়া ওই রায় ঢাকা ল’ রিপোর্ট ডিএলআরএ ছাপা আছে। ডিএলআর সম্পাদক এ বিষয়ে একটি নোট লিখেছিলেন। এতে তিনি বলেছিলেন, এরশাদ বনাম মোক্তাদির চৌধুরী মামলায় বিচারপতি জয়নুল আবেদীন এবং বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বিভাগের  দ্বৈত বেঞ্চ যদিও জারি করা রুল তারা একমত হয়ে ‘অ্যাবসোলিউট’ বা গ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু উভয় বিচারক একমত হতে পারেননি যে, দণ্ডিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে নির্বাচনী অযোগ্যতা ঠিক কখন থেকে কার্যকর হবে। তারা এ বিষয়ে উভয়ে বিপরীতমুখী মতামত দিয়েছেন। বিচারপতি জয়নুল বলেছিলেন, আপিল বিভাগে কারো শান্তি চূড়ান্তভাবে ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত সংসদে তিনি অযোগ্য হবেন না। তার আসন শূন্য হবে না। অন্যদিকে বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক বলেছিলেন, বিচারিক আদালতে কারো দণ্ড ঘোষণামাত্রই তিনি অযোগ্য হবেন এবং আপিলে খালাস না পাওয়া পর্যন্ত নির্বাচিত হতে তাঁর অযোগ্যতা বহাল থাকবে।

তবে আইনজ্ঞ মহল নিশ্চিত করেছেন যে, তাঁদের ওই রায়টি আপিল বিভাগে যায়নি। বিচারপতি জয়নুল আবেদীন তাঁর মতামত অবশ্য বাংলাদেশের আপিল বিভাগের রায়ের আলোকে দিয়েছিলেন। আর বিচারপতি খায়রুল হক ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ভিত্তিতে তাঁর ওই মত দিয়েছিলেন। কিন্তু গত ১৭ বছরেও বিচারপতি খায়রুলের মতটি অন্য কোনো মামলায় আপিল বিভাগে সমর্থিত হয়নি। উল্লেখ্য যে, বিচারপতি খায়রুল হক তাঁর রায়ে উল্লেখ করেছিলেন যে, বিদেশি সুপ্রিম কোর্টের রায় বাংলাদেশের জন্য বাধ্যতামূলক নয়। তাঁর ভাষায়- এর কেবল বোধযোগ্য বা পারজুয়েজিভ ভ্যালু রয়েছে।

আওয়ামী লীগ নেতা ব্যারিস্টার কেএস নবী ওই মামলায় এরশাদের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন। ততোদিনে তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব থেকেও ইস্তফা দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কোনো দণ্ডের পরে যখন কারো আপিল গৃহীত হয়, তখন তার বিচারকার্য অব্যাহত থাকে বলে ধরে নিতে হবে। তার এই যুক্তি গ্রহণ করে বিচারপতি জয়নুল আবেদীন বলেছিলেন, সংবিধানের ৬৬(২ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কারো নির্বাচনী অযোগ্যতা নির্ধারণ প্রশ্নে যে ‘সেন্টেন্স’ এর কথা বলা আছে, সেটা ফাইনাল সেন্টেন্স। আর ফাইনাল সেন্টেন্স ঠিক হবে সর্বোচ্চ আপিল আদালতে দণ্ডিতের আপিল নিষ্পত্তি হওয়ার পরে।

জনতা টাওয়ার বনাম জিয়া অরফানেজ: ২০০১ সালের ২১ মে জেনারেল এরশাদ বনাম আবদুল মুক্তাদির চৌধুরীর মামলায় বিচারপতি জয়নাল আবেদীন ও বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ কারাদণ্ড ৬৬ (২) ঘ-তে বর্ণিত সংজ্ঞার আলোকে ব্যাখ্যা করেছেন।

ওই মামলায় রাষ্ট্র বা সংসদের পক্ষে ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর ভানভাই বনাম ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া (১৯৯১), বোম্বে এবং বিক্রম আনন্দ বনাম রাকেশ সিং (১৯৯৫), হিমাচল প্রদেশ মামলার বরাতে বলেছিলেন, ‘অযোগ্যতা শুরু হবে দোষী সাব্যস্ত হওয়া মাত্রই। চূড়ান্তভাবে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার কথা সংবিধানে বলা হয়নি। আর দোষী সাব্যস্ত করেছে বিচারিক আদালত, কোনো আপিল আদালত করেনি। তাই আপিলে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত কোনো আপিল আদালত কারো দণ্ড স্থগিত করতে পারে না।

আইন বিশ্লেষকদের অনেকে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা ও তার বিচারকার্য চলমান থাকার আধিক্য পর্যবেক্ষণ করে বলছেন, এটা এরশাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা, তার কারাবাস, জেল থেকে পাঁচটি আসনে জয়ী হওয়ার রাজনীতিকেই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। এরশাদের বিরুদ্ধে ডজন ডজন মামলা ও তার বিচার কার্যক্রম চলেছিল। ১৯৯৩ সালে জনতা টাওয়ার মামলায় তার ৭ বছরের কারাদণ্ড হয়েছিল। কিন্তু তাতে ১৯৯৬ সালের জুনের নির্বাচনে তার জয়ী হতে কোনো বাধা হয়নি।

জনতা টাওয়ার মামলায় এরশাদের সাজা আপিল বিভাগে চূড়ান্তভাবে তিনবছর নির্দিষ্ট হওয়ার পরে ২০০০ সালের ৩০শে আগস্ট জাতীয় সংসদে এরশাদের আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছিল। আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য  মোক্তাদির চৌধুরী সংসদের আইন শাখার অতিরিক্ত সচিব হিসেবে তাঁর আসন শূন্য ঘোষণা করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিলেন। এরশাদ রিটে তারই বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। সংসদের পক্ষে ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর আরো যুক্তি দিয়েছিলেন, ১৯৯৩ সালের ৭ই জুনে জনতা টাওয়ার মামলায় এরশাদের সাতবছর শাস্তি ও দোষী সাব্যস্ত হওয়া মাত্রই নৈতিক স্খলনজনিত কারণে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বাস্তবতা এটাই যে, আপিল বিভাগে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তা কার্যকর করা হয়নি। খোদ আওয়ামী লীগ সরকারই তা করেনি।
উল্লেখ্য যে, এরশাদ কারাগারে থেকেই নিম্ন আদালতের দেয়া ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন। ২০০০ সালের ২৪শে আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগ তাঁর সাতবছরের সাজা কমিয়ে পাঁচ বছর এবং পাঁচ কোটি ৪৮ লাখ ৭০ হাজার ৮শ’ টাকা অনাদায়ে দুইবছরের কারাদণ্ড দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে এরশাদ লিভ টু আপিল করলে আপিল বিভাগে তাঁর সাজা পাঁচবছর থেকে কমিয়ে তিন বছর আট মাস নির্দিষ্ট করেছিল। এরশাদের পক্ষে ওই রিটে যুক্তি দেখানো হয়েছিল, লিভ পিটিশনের ফলাফলের অপেক্ষা না করেই ৩০শে আগস্ট ২০০০ সংসদ সচিবালয় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক বিবেচনায় এরশাদের আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছিল।

এরশাদের পক্ষে কেএস নবী যুক্তি দিয়েছিলেন, ১৯৯৩ সালে জনতা টাওয়ার মামলায় এরশাদ যখন সাতবছরের শাস্তি পেয়েছিলেন, তখন তিনি নির্বাচনে অযোগ্য গণ্য হননি। এমনকি ১৯৯৬ সাালের জুনে অনুষ্ঠিত সপ্তম সংসদ নির্বাচনে তিনি অংশগ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু এখন আটবছর পরে যখন তাঁর সংসদ সদস্য পদ বহাল রয়েছে, তখন ১৯৯৩ সালের রায়ের ভিত্তিতে সংসদে তাঁর আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। যদিও এই রায়ে সর্বোচ্চ আদালতে এরশাদের কারাদণ্ড অন্যুন দুইবছর টিকে যাওয়ায় তিনি ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অষ্টম সংসদে তিনি প্রার্থী হতে পারেননি।

উল্লেখ্য যে, ১৯৯৩ সালে জনতা টাওয়ার মামলায় দুইবছরের বেশি দণ্ডিত হওয়া সত্ত্বেও আপিল করার যুক্তি দেখিয়ে রংপুরের তৎকালীন রিটার্নিং অফিসার এরশাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন। সেই হিসেবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বক্তব্যের ব্যাখ্যা বিবেচনাযোগ্য বলে অনেকে মনে করেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশনও তার ভাগ্য নির্দিষ্ট করতে পারে। অবশ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, খালেদার কারাবাস দীর্ঘ হবে কিনা তা আদালতের ওপর নির্ভর করছে। কিন্তু এরশাদের দীর্ঘ কারাবাস প্রমাণ করছে যে, তাকে রাজনীতিতে জিরো করা সম্ভব হয়নি। আর এরশাদের অবস্থার সঙ্গে কোনোভাবেই তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার তুলনা করা চলে না। খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা বিশ্বাস করেন, তাঁর জামিন আপিল করা মাত্রই পাওয়া সম্ভব হবে। কারণ যে যুক্তিতে আদালত তাঁর সাজা কমিয়েছেন, সেই যুক্তিতে তিনি দ্রুততার সঙ্গে জামিন লাভের হকদার হবেন।

বর্তমানে জাতীয় পার্টির স্থায়ী কমিটির সদস্য একেএম মাইদুল ইসলাম এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ১৯৯৬ সালে আমি বিএনপি’র টিকিটে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলাম। তখন এরশাদ দণ্ডিত হওয়া সত্ত্বেও রিটার্নিং অফিসার তাঁর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করায় আমি তার বৈধতা হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করেছিলাম। কিন্তু হাইকোর্ট বলেছিলেন, তাঁর আপিল যেহেতু বিচারাধীন তাই তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ। আপিল বিভাগেও সেই মত টিকেছিল।

তবে রাজনৈতিক ও পরিস্থিতি ভেদে বিভিন্ন ধরনের সিদ্ধান্ত বিভিন্ন সময়ে নেয়া হয়েছে। এক-এগারোতে দণ্ডিত হওয়ার কারণে ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও বিএনপি’র সাবেক মন্ত্রী মেজর (অব.) মঞ্জুর কাদেরসহ অনেকেরই মনোনায়নপত্র রিটানির্ং অফিসার বাতিল করেছিলেন, কিন্তু বাস্তবতা এটাই যে, তাদের অনেকেই নির্বাচন করতে পেরেছেন। মন্ত্রী হতেও তাতে সমস্যা হয়নি।
২০১৫ সালে বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন পিন্টু ঢাকা দক্ষিণের মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন। তিনি অন্যুন দুইবছর দণ্ডিত ছিলেন। হাইকোর্টে তাঁর আপিল শুনানির জন্য গৃহীত হলেও তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। ইসি’র যুক্তি ছিল, হাইকোর্ট আপিল আবেদন গ্রহণ করলেও বিচারিক আদালতের রায়ের কার্যকরিতা স্থগিত করেনি। সে কারণে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তবে উচ্চ আদালতে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়নি।

আইন বিশ্লেষকরা বলেছেন, আপিল বিভাগের রায় বাংলাদেশে শেষ কথা। ১৬ বিএলডি এবং ৪১ ডিএলআর-এ মুদ্রিত আপিল বিভাগের দু’টি রায় ৬৬ (২ঘ) অনুচ্ছেদের আওতায় কারো বৈধতা ও অবৈধতা সংক্রান্ত প্রশ্নের ফয়সালা কি তা বুঝতে সাহায্য করতে পারে। ওই দু’টি রায় কার্যত শান্তি মানে আপিলে চূড়ান্তভাবে শাস্তি হওয়াকেই নির্দেশ করে। আওয়ামী লীগের প্রবীণ আইনজীবী এবং ত্রাণমন্ত্রী মায়ার মামলার আইনজীবী এডভোকেট বাছেত মজুমদার মনে করেন, আপিল গৃহীত হলেই আর আগের দণ্ড এমপি হতে ও থাকতে বাধা দেয় না, এটাই বাংলাদেশে চলে আসছে। সে কারণেই মায়া মন্ত্রী আছেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৯ই মে হাইকোর্ট বিভাগের একটি বেঞ্চ  বলেছেন যে, হাইকোর্ট বিচারিক আদালতে রায়ে ঘোষিত কারো দোষী সাব্যস্ত হওয়া স্থগিত করতে পারেন না। কিন্তু এই রায় আপিল বিভাগে যায়নি। তাই এটা হাইকোর্টের সব বিচারকের জন্য অনুসরণে তা বাধ্যতামূলক বলে গণ্য হবে না।