শুক্রবার, এপ্রিল ২৩
Shadow

শ্রীপুরে ৪৮টি মন্দিরে চলবে দূর্গা পূজা

সোলায়মান মোহাম্মদ:

গাজীপুরের শ্রীপুরে অর্ধশত মন্দিরে চলছে হিন্দু ধর্মের প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান দূর্গোৎসবের প্রস্তুতি। পৌর সভা ও ৮ টি ইউনিয়নের ৪৮টি মন্দিরে প্রতিমার সাজ সজ্জার  কাজ শেষ।

উপজেলার বরমী বাজারে সাধারণত প্রতিবছরের ন্যায় এবারও সাজানো হচ্ছে উপজেলার সব চেয়ে বড় পূজা মন্ডপ। চলছে মন্দির আলোক সজ্জার কাজ। মন্দিরে মন্দিরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কারিগররা। শেষ সময়ের ব্যস্ত সময় পার করছেন মন্ডপ পরিচালনা কারীরাও।

সরে জমিনে দেখা যায়, শ্রীপুরের সনাতন ধর্মাবলম্বি হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যে আসন্ন দূর্গোৎসবকে ঘীরে বিরাজ করছে উৎসব আমেজ। ঘরে ঘরে চলছে পূজার প্রস্ততি। হিন্দু বসতিতে চলছে ঘরদোয়ার পরিষ্কার ও সাজ সজ্জা। মন্দির গুলোতে ক্রমেই জমে উঠছে পূজার আমেজ। মন্দিরে কারিগররা মূর্তির অঙ্গ সংযোজন করে এখন প্রস্তুতি নিচ্ছেন রং ও সাজ সজ্জার।
প্রতিমা তৈরীর কারিগর কালিচরণ পাল জানান, তিনি ১০ বছর ধরে প্রতিমা শিল্পের সাথে জড়িত। শ্রীপুর উপজেলার প্রায় বেশিরভাগ মন্ডপের প্রতিমাই তার হাতের তৈরী।
মাওনা পূজা মন্ডপের পূজারী বিপ্লব চক্রবর্তী বলেন, মঙ্গলবার থেকে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। তেলিহাটির শ্রী শ্রী কৃঞ্চ চন্দ্র ঝিউর মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক নিহার বসু বলেন,প্রতিটি মন্দিরের মূর্তি গড়তে খরচ হয়েছে ত্রিশ হাজার থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা। শ্রীপুর পৌর সভার সার্বজনিন দূর্গা পূজা মন্ডপের সভাপতি শ্রী রাম ধনী চৌহান বলেন পৌর এলাকার প্রতিটি মন্ডপে পূজা পালনের প্রস্তুতি চলছে। শেষ মহুর্তে চলছে মন্ডপের আলোক সজ্জার কাজ।
সূত্র মতে ২৫ সেপ্টেম্বর সোমবার সায়াহ্নে দেবী বোধনের মধ্যদিয়ে পূজানুষ্ঠানের শুরু পরদিন দেবীর সপ্তাদী কল্পারম্ভ। বুধবার সপ্তমী,বৃহস্পতিবার মহাষ্টমী ও কুমারী পূজা রাতে অনুষ্ঠিত হবে সন্ধি পূজা। সবশেষ শনিবার বিজয়া দশমী। রাতে অনুষ্ঠিত হবে পূজা সমাপন,দর্পণ ও বিসর্জন।
মাওনা পূজা মন্ডপের সভাপতি সুনিল চন্দ্রসাহা জানান,  প্রতি বছরই মন্দির গুলোতে প্রশাসনের পক্ষথেকে দেয়া হয় সহায়তা। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষথেকে দেওয়া হয় নিরাপত্তা।
বাংলাদেশ পূজা উৎযাপন পরিষদের  উপজেলার  সাধারণ সম্পাদক শ্রী সুজিত কুমার জানান,সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে যথাযথ ভাবে পূজা পালন করতে পারে সেজন্য  সব ধরণের ব্যবস্থা নেয়া হবে। পূজা পালনের জন্য সরকারি ভাবে প্রতি বছর অনুদান পেয়ে থাকেন এবার ও যথা সময়ে সরকারী অনুদান পাবেন এমনটি আশা করেন তিনি।

শ্রীপুর থানার ওসি আসাদুজ্জামান বলেন প্রতিটি মন্দিরে নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশের পাশাপাশি আনসার সদস্যরাও  মন্দিরের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তায় থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.