বুধবার, এপ্রিল ১৪
Shadow

শ্রীপুরে ধর্ষিত তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা

প্রাইম ডেস্ক :

শ্রীপুরে ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী (১০) অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের হুমকিতে প্রায় দুই মাস ধরে ওই ছাত্রীর মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ রয়েছে। এ ঘটনায় শ্রীপুর মডেল থানায় মামলা হয়েছে। ধর্ষণের শিকার ছাত্রী ও তার স্বজনরা জানান, গাজীপুরের উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের সাইটালিয়া গ্রামের তৃতীয় শ্রেণীর এক ছাত্রীকে মাদ্রাসায় আসা যাওয়ার পথে প্রতিবেশী নুরু মিয়ার ছেলে এক সন্তানের জনক আমান উল্লাহ (২৬) প্রায়ই উত্ত্যক্ত করে আসছিল। আমান উল্লাহ মুলাইদ গ্রামের নাভিদ সোয়েটার কারখানার শ্রমিক। আমান উল্লাহ ভয় দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ করলে তাকে মেরে গুম করে ফেলার হুমকিও দেয়া হয়। হুমকির প্রেক্ষিতে ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী গত প্রায় ২ মাস ধরে মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ করে দেয়। সম্প্রতি ছাত্রীটির শারীরিক গঠনের পরিবর্তন ঘটলে সে তার মায়ের কাছে ঘটনা খুলে বলে। পরে তার বাবা-মা অভিযুক্ত আমান উল্লাহর পরিবারের কাছে এ ঘটনার বিচার দাবি করে। কিন্তু আমান উল্লাহর পরিবার বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ধর্ষিতার পরিবারকে হুমকি দেয় ও নানা ভয়ভীতি দেখায়। এরপর ছাত্রীর রিকশাচালক বাবা ঘটনাটি স্থানীয় মাতব্বরদের জানালে তারা থানায় অভিযোগ না করার হুমকি দিয়ে আপোসের কথা বলে নানা কৌশলে কালক্ষেপণ করতে থাকে। প্রভাবশালীদের নানা হুমকির একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে থানায় পালিয়ে এসে ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর পরিবার শ্রীপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আমান উল্লাহর মা আনোয়ারা আনু জানান, এ ঘটনা তারা শুনেছেন এবং আমান উল্লাহ তাদের কাছে ধর্ষণের ঘটনা অস্বীকার করেছে। আমান উল্লাহ বেশ কয়েকদিন ধরে বাড়িতে নেই বলেও জানান তিনি। স্থানীয় তেলিহাটি ইউনিয়ন ওলামা দলের সভাপতি ও স্থানীয় মাতব্বর মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এ বিষয়ে বলেন, মেয়েটি দরিদ্র পরিবারের সন্তান তাই থানায় যেতে নিষেধ করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি সামাজিকভাবে বসে মীমাংসার চেষ্টা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.