শনিবার, জানুয়ারি ১৬
Shadow

খেলাধুলার মধ্য দিয়ে জঙ্গিবাদের মোকাবিলা করব : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক  :

দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত যুব গেমস প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিভাকে উদ্ভাসিত এবং খেলাধুলার প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়াবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ যুব গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, খেলাধুলার মধ্য দিয়ে আমরা জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ যেমন মোকাবিলা করব, তেমনি মাদকাসক্তি থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করব।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে উদ্বোধনীতে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমি প্রথমবারের মতো যুব গেমসের সফল আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। খেলাধুলা শৃঙ্খলাবোধ শেখায়, অধ্যবসায় শেখায়, দায়িত্ববোধ তৈরি করে, কর্তব্যপরায়ণতা শেখায়। পড়ার সঙ্গে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা একান্ত প্রয়োজন। এই গেমসের মধ্য দিয়ে একদিন অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পাবে বলে আশা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বিশ্বাস করেন, ক্রিকেটে একদিন বিশ্বকাপ জিতবে বাংলাদেশ। খেলাধুলায় নারীরাও পিছিয়ে নেই। বয়সভিত্তিক নারী ফুটবলের সাফল্য, বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটারদের বিশ্বকাপে খেলা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার খেলাধুলার প্রসারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ জন্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন, দেশীয় খেলার চর্চার জন্যও নজর দেওয়া হচ্ছে। উপজেলা পর্যায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, তার পরিবার খেলাধুলার সঙ্গে সব সময় সম্পৃক্ত ছিল।
ঘড়ির কাঁটায় ৬টা ৪০ মিনিট। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনে নাকারা বেজে উঠল। জেগে উঠল পুরো স্টেডিয়ামও। প্রধানমন্ত্রীর আগমনের আগে থেকেই চলছিল বিভিন্ন অনুষ্ঠান। ডিজেশো, এভি প্রদর্শনী ও বাংলাদেশের খেলাধুলার বিভিন্ন সাফল্য তুলে ধরা হয়। নামাজের বিরতির পর প্রধানমন্ত্রীর আগমনের পর শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। জাতীয় সংগীতের পর একঝলকে যুব গেমসের এভি প্রদর্শনী হয়। আট দলে বিভক্ত হয়ে পতাকা হাতে মার্চপাস্টে অংশ নেন আট বিভাগের প্রায় তিন হাজার প্রতিযোগী।
প্রধামন্ত্রীর উদ্বোধনী ঘোষণার পর যুব গেমসের মশাল প্রজ্বালন করেন ২০০২ সালে কমনওয়েথ গেমসে স্বর্ণপদকজয়ী শুটার আসিফ হোসেন খান। এর পর থিম সঙের এভি প্রদর্শনী, ম্যাসকট প্যারেড, স্টেজ পারফরম্যান্সে নাচেগানে প্রাণবন্ত উৎসবে পরিণত হয় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম। লেজার শো, পাইরো ও ফায়ার ওয়ার্কসের চমৎকার প্রদর্শনীতে বাহারি রঙের আলোকছটায় রাঙিয়ে দেয় পুরো স্টেডিয়ামকে। আতশবাজিতে রঙিন হয়ে ওঠে স্টেডিয়ামে আশপাশ এলাকাও।
২১টি ডিসিপ্লিনে পদক লড়াইয়ে অংশ নিচ্ছেন প্রতিযোগীরা। আগামী ১৬ মার্চ শেষ হবে যুব গেমস প্রতিযোগিতা।