বুধবার, ফেব্রুয়ারি ২৪
Shadow

বিএনপির রাজনীতি মানুষ পুড়িয়ে মারার রাজনীতি: মোজাম্মেল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক  :

মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রনালয় মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক বলেন, এতিমের টাকায় যারা দূর্নীতি করে তারা জনগনের জন্য দেশের জন্য নয়, তারা পাকিস্তানের দোসর।  ভাঙ্গা সুটকেস দিয়ে তাদের শুরু হয়েছিলো। রাতারাতি তারা বাংলাদেশের টাকা বিদেশে পাচার করে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেছে।

তিনি আরো বলেন, খালেদার পরিবার দূর্নীতির পরিবার, চুরিতে চ্যাম্পিয়ন, দূর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন, মিথ্যাচারে চ্যাম্পিয়ন। বিএনপির রাজনীতি হত্যার রাজনীতি, মানুষ পোড়ানোর রাজনীতি।

জেলে থেকে নাকি ভোট বাড়ছে, এ জন্য খালেদার জেলে থাকার জন্য বিএনপি নেতারা চুপ। যতদিন জেলে থাকবে ভোট বাড়বে। তারা স্বপ্ন দেখছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থেকে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। আগামী নির্বাচনে মুক্তিযোদ্ধাদের নৌকার পক্ষে, শান্তির পক্ষে এবং চেতনার পক্ষে ঝাপিয়ে পড়ার আহবান জানান।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গোলই আফরোজ সরকারী কলেজ মাঠে উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ ওহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা এদেশের সম্পদ, তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ স্বাধিন বাংলাদেশ। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বে এগিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুড়ি নয়, বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। উন্নত দেশের কাতারে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বঙ্গবন্ধু শোষিত মানুষের কন্ঠস্বর ছিলেন। তিনি মানবতার পক্ষে নিপীড়িত মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। ২১ টি বছর অর্থাৎ দুটি প্রজন্মকে দুরে রাখা হয়েছিলো, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিনষ্ট করার অপচেষ্টা করা হয়েছিলো। ৭ ই মার্চের ভাষণ বিশ্বের ইতিহাস। ৭৫-এ বহু নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল। নির্বাচন এলেই মিথ্যা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হয়। ৩৭ বছরে আমরা পিছিয়ে ছিলাম, এখন সিংড়া উন্নয়নের স্বাক্ষর। অবহেলিত চলনবিলে আজ শান্তির সুবাতাস বইছে। এখন আর চলনবিলের কৃষকদের সারের জন্য জীবন দিতে হয় না। বিগত নয় বছরে ৩৭ বছরের চেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়েছে। চলনবিলের পা ফাটা কৃষকের সন্তানরা পান্তা খেয়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে। তিনি আগামী নির্বাচনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন, নাটোর জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন, পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, সিংড়া পৌরসভার মেয়র মো: জান্নাতুল ফেরদৌস, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সন্দ্বীপ কুমার সরকার, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সুবাস কুমার সাহা, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল অদুদ দুদু প্রমূখ।

সভা পরিচালনা করেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মিনহাজ উদ্দিন ও আরিফুল ইসলাম।

এর আগে মন্ত্রী সিংড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ২ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যায়ে চারতলা বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধন এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।