মঙ্গলবার, এপ্রিল ২০
Shadow

স্ত্রীর বেপরোয়া চলাচলে বাধা দেয়ায় রহিম খুন

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বেপরোয়া চলাচলে বাধা দেয়ায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় রহিম উল্যাহ মঞ্জুকে কুপিয়ে খুন করে স্ত্রী ও ছেলেসহ ৪ জন।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত রহিম উল্যাহর স্ত্রী জাকিয়া বেগম রোকসানা, ছেলে মাহফুজুর রহমান ইমন ও শ্যালক জহিরুল ইসলাম মিলন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ কথা জানান।

এছাড়া হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অপর আসামি ভাগ্নে মাঈন উদ্দিন রিংকু পলাতক রয়েছেন।

এদিকে মেয়ে বৃষ্টিকে (৮) নিহত রহিম উল্যাহ মঞ্জুর স্বজনদের হেফাজতে দিয়েছে পুলিশ।

রোববার রাতে চরজব্বর থানার চরজুবলি ইউনিয়নের পাঙ্খার বাজার এলাকায় ফুফুর বাড়ি থেকে জাকিয়া বেগম রোকসানা, তার ছেলে মাহফুজুর রহমান ইমন ও মেয়ে বৃষ্টিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে কবিরহাট উপজেলার মুগবুল চৌধুরীহাট গ্রাম থেকে শ্যালক জহিরুল ইসলাম মিলনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রী জাকিয়া বেগম রোকসানা ও শ্যালক জহিরুল ইসলাম মিলন স্বীকার করে,  তারা ৪ জন মিলে রহিম উল্যাহ মঞ্জুকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে  হত্যা করেন।

তারা জানান, মিলন শিল দিয়ে রহিমের মাথা থেঁতলে দেয়, স্ত্রী রোকসানা দা দিয়ে মাথায় এলোপাতাড়ি  কোপায়। ভাগিনা মাঈন উদ্দিন রিংকু, ছেলে মাহফুজুর রহমান ইমন কিল-ঘুষি মেরে রহিমকে আহত করে।

শ্যালক জহিরুল ইসলাম মিলন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

সোমবার বিকালে স্ত্রী জাকিয়া বেগম রোকসানা ও তার ছেলে মাহফুজুর রহমান ইমনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাতে বসুরহাট পৌরসভা ৩নং ওয়ার্ড করালিয়া এলাকার জীবন আরা মঞ্জিলে রোকসানা ও তার ভাই মিলন, ভাগ্নে রিংকু ও ছেলে মাহফুজুর রহমান ইমন এই ৪ জন মিলে রহিম উল্যাহ মঞ্জুকে হত্যা করে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রবিউল হক যুগান্তরকে জানান, স্ত্রী জাকিয়া বেগম রোকসানার দেহব্যবসা, বহুগামিতা ও বেপরোয়া চলাফেরার প্রতিবাদ করায় রহিম উল্যাহ মঞ্জুকে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতরা আদালতে ও পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.