অর্থনীতি

ভারত থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে সরকার

ভারত থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক : চাহিদা পূরণ করতে ভারত থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে সরকার। স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে ১৫ বছর ধরে এ বিদ্যুৎ আনা হবে। ভারতীয় ন্যাশনাল থারমাল পাওয়ার কোম্পানি (এনটিপিসি) ও পাওয়ার ট্রেডিং কোম্পানির (পিটিসি) এ বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। সচিবালয়ে বুধবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়। ওই বৈঠকে ফসফরিক সার আমদানিসহ কয়েকটি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, স্বল্পমেয়াদে প্রতি কিলোওয়াট ৪ দশমিক ৭১ টাকা দরে এনটিপিসির কাছ থেকে ৩শ’ মেগাওয়াট, ৪ দশমিক ৮৬ টাকা দরে পিটিসির কাছ থেকে ২শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হবে। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদে প্রতি কিলোওয়াট ৬ দশমিক ৪৮ টাকা দরে ২শ’ মেগাওয়াট ও ৬ দশমিক ৯৪ টাকা ধরে পিটিসির কাছ থেকে ২০০ মে
উৎপাদিত হবে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, রূপপুরে সঞ্চালন লাইন তৈরির প্রকল্প গ্রহণ

উৎপাদিত হবে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, রূপপুরে সঞ্চালন লাইন তৈরির প্রকল্প গ্রহণ

নিজস্ব প্রতিবেদক  :  বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে রূপপুর। বাংলাদেশের একক বৃহত্তম প্রকল্প এটি। গত ১০ এপ্রিল রূপপুর থেকে দেশের মোট ১৩টি জেলায় বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে রূপপুরে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ প্রকল্প উপস্থাপিত হয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় (একনেক)। এই প্রকল্পটির মাধ্যমে পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ। প্রকল্পটির জন্য বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে প্রায় ১০ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা। পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, এই প্রকল্পটি স্থাপন করা হবে ৬০৯ কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইন। প্রকল্পটির প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৯৮১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে জিওবি ১ হাজার ৫২৭ কোটি টাকা, সংস্থার নিজস্ব তহবিল ১ হাজার ২৩৫ কোটি টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৮ হাজার ২১৯ কোটি টাকা। বৈদেশিক ঋণ হিসেবে এই অর্থ দেবে ভারত। ইন্ডিয়ান লাইন অব ক্রেডিটের আওতায় এ ঋণ মিলেছে
দারিদ্র্য বিমোচনে আগের মতো ভূমিকা রাখতে পারছে না প্রবৃদ্ধি: বিশ্বব্যাংক

দারিদ্র্য বিমোচনে আগের মতো ভূমিকা রাখতে পারছে না প্রবৃদ্ধি: বিশ্বব্যাংক

প্রাইম ডেস্ক : বাংলাদেশে দরিদ্র হার কমছে, কিন্তু যে হারে প্রবৃদ্ধি হচ্ছে সে হারে কমছে না। এর জন্য সমাজে আয় বৈষম্য বৃদ্ধি, প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থান না হওয়াসহ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে দরিদ্র মানুষের অংশ কমে যাওয়াকে দায়ী করেছে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা বিশ্বব্যাংক। সরকারি হিসাবে চলতি অর্থবছর ৭ দশমিক ৬৫ ভাগ প্রবৃদ্ধির প্রাথমিক হিসাব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সংস্থাটি। অর্থনীতি যে গতিতে এগুচ্ছে তাতে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ ভাগে নেমে আসতে পারে পারে বলেও উল্লেখ করেছে সংস্থাটি। ‘বাংলাদেশ ডেভপলমেন্ট আপডেট’ শিরোনামে এই প্রতিদেনটি সোমবার বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রকাশ করা হয়। এসময় বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান বক্তব্য দেন। মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ঢাকা কার্যালয়ের মূখ্য অর্থনীতিবিদন ড. জাহিদ হোসেন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারিভাবে চলতি ২০১৭-
৩৮ টাকায় চাল, ২৬ টাকায় ধান কিনবে সরকার

৩৮ টাকায় চাল, ২৬ টাকায় ধান কিনবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক  : চলতি বছর বোরো মৌসুমে ৩৮ টাকা কেজি দরে চাল এবং ২৬ টাকায় ধান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ রবিবার সচিবালয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম একথা জানান। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। কামরুল ইসলাম বলেন, আগামী ২ মে থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সরকারিভাবে ধান ও চাল সংগ্রহ করা হবে। এ বছর বোরো মৌসুমে ৩৮ টাকা কেজি দরে চাল এবং ২৬ টাকায় ধান কিনবে সরকার।’ তিনি বলেন, এ বছর বোরো ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় সরকার এবার ১০ লাখ মেট্রিক টন বোরো ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে। এর মধ্যে আট লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, এক লাখ টন আতপ চাল এবং দেড় লাখ টন বোরো ধান সংগ্রহ করবে সরকার। বোরো চালের উৎপা
অগ্রযাত্রায় অদম্য বাংলাদেশ

অগ্রযাত্রায় অদম্য বাংলাদেশ

প্রাইম ডেস্ক : স্বাধীনতার ৪৭ বছর। তিরিশ লাখ প্রাণ আর দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার সাড়ে চার দশক পেরিয়ে দেশ আজ বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। নানা চড়াই-উতরাই আর প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে অদম্য বাংলাদেশ। জাতির প্রত্যাশার সঙ্গে সব ক্ষেত্রে প্রাপ্তির পরিপূর্ণতা না পেলেও অর্জন, উৎপাদন আর সক্ষমতায় বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়াটাও রীতিমতো এক বিস্ময়।রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক রোহিঙ্গা শরণার্থীদের চাপ সব মিলিয়ে উন্নয়নের ধারা বাধাগ্রস্ত হয়েছে বারবার। কিন্তু তার পরও এগিয়ে গেছে দেশ। অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে রোলমডেল। ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ, তরুণ ও নতুন উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ, উন্নয়নশীল দেশের শর্ত পূরণ, জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি, রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি, প্রবৃদ্ধি, রেকর্ড পরিমাণ রিজার্ভ সবই দেশের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে
মার্চেই উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পাচ্ছে বাংলাদেশ

মার্চেই উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পাচ্ছে বাংলাদেশ

  প্রাইম ডেস্ক : জাতিসংঘের নির্ধারিত তিনটি শর্ত পূরণ করে নিম্ন আয়ের দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে চলতি মার্চ মাসেই স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশকে এই সম্মানের স্থানে নিয়ে যাওয়ার কারিগর হিসেবে বঙ্গবন্ধু কন্যা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে ২২ মার্চ সংবর্ধনা দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত দেশব্যাপী এক সপ্তাহের উৎসব পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। এর প্রস্তুতিও এগিয়ে চলেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এরইমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের স্বাক্ষরিত এক আদেশের মাধ্যমে সরকারের সব বিভাগের সচিব বরাবর
কৃষিনীতি চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে সরকার

কৃষিনীতি চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক  : বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে এবং সময়োপযোগী করে তুলতে সরকার শিগগিরই জাতীয় কৃষিনীতি ২০১৮ চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে। আজ রবিবার এখানে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে (বিএআরসি) খসড়া জাতীয় কৃষিনীতি ২০১৮-এর ওপর এক পর্যালোচনা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী এ কথা বলেন। ২০৩০ সাল নাগাদ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ (এসডিজি) অর্জনে দেশের খাদ্য উৎপাদন দ্বিগুণ করা প্রয়োজন এবং এ কারণেই জাতীয় কৃষিনীতির আধুনিকায়ন করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সপ্তম পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনা এবং জাতীয় কৃষিনীতি অনুযায়ী কৃষি খাতের সার্বিক উন্নয়নে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। মন্ত্রী বলেন, অতীতে স্বাধীনতার পর থেকে কোনো সরকার জাতীয় কৃষিনীতি প্রণয়নের উদ্যোগ না নেয়ায় বিভিন্ন সময় কৃষি উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বাধাগ্রস্ত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার প্রথম ১৯৯৯ সালে জাতীয় কৃষিন
গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের দ্রুত সমাধান চান উদ্যোক্তারা

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের দ্রুত সমাধান চান উদ্যোক্তারা

প্রাইম ডেস্ক : দেশে শিল্পোদ্যোক্তাদের বড় উদ্বেগের কারণ এখন গ্যাস-বিদ্যুত সংকট। এ সংকটের কারণে উদ্যোক্তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ দূরে থাক, বিদ্যমান উৎপাদন ব্যবস্থাও চালিয়ে নেওয়া কষ্টসাধ্য হচ্ছে। আবার নিয়ন্ত্রক সংস্থা কর্তৃক হঠাৎ গ্যাস-বিদ্যুতের দর বাড়ানোয় ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে। এর জেরে কোন কোন উদ্যোক্তা ঋণখেলাপিও হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে বিশেষত গ্যাস সংকট সমাধানে দ্রুত সরকারকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে আন্তর্জাতিক কটন সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তারা এ আহ্বান জানান। বাংলাদেশ কটন অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিল্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) আয়োজনে দুই দিনের ওই সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। দ্বিতীয়বারের মত এ ঢাকায় সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। এতে দেশি-বিদেশি তুলা ব্যবসায়ী ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আলোচনায় অংশ নিয়ে বিটিএম
প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শিতায় কৃষি উন্নয়নে শতভাগ সফল বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শিতায় কৃষি উন্নয়নে শতভাগ সফল বাংলাদেশ

প্রাইম ডেস্ক : বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর।  ফলে কৃষির সার্বিক উন্নতি মানেই দেশের উন্নতি।  জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন ১৯৫৪-৫৫ সালের তৎকালীন যুক্তফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রী হয়েছিলেন, তখন তিনি কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছিলেন।  সে সময় কৃষি খাতে ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।  উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ‎১৯৯৬-২০০১, ‎২০০৯-২০১৪ এবং ২০১৪ থেকে চলমান তৃতীয় মেয়াদ অবধি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত সরকারের বাস্তবসম্মত কৃষিনীতি এবং তদানুযায়ী বাজেটসহ অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ দেশকে কৃষি উন্নয়নের জন্য এক রোল মডেল হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান টার্গেট হচ্ছে বাংলাদেশের কৃষিকে বিশ্বের দরবারে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দেয়া।  বাংলাদেশের অর্থনীতির তেজিভাব ধরে রাখতে জাতিসংঘ কৃষি উন্নয়ন তহবিল থেকে টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগ চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার
পেঁয়াজ ও সবজির দাম আরো কমেছে

পেঁয়াজ ও সবজির দাম আরো কমেছে

প্রাইম ডেস্ক : জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি হঠাৎ সবজির দাম চলে গিয়েছিল নাগালের বাইরে। আর পেঁয়াজের দাম আরো আগে থেকেই বেশি। তবে এগুলোর দাম প্রতি সপ্তাহেই কমছে এখন। যদিও উচ্চমূল্যে স্থির হয়ে আছে চালের বাজার। এ ছাড়া দেশের খাল-বিল শুকিয়ে যাওয়ায় মাছের বাজার চড়া। অন্যান্য পণ্যের দামে তেমন পার্থক্য চোখে পড়েনি। গতকাল রাজধানীর শান্তিনগর, মালিবাগ, কারওয়ানবাজারসহ কয়েকটি বাজারে গিয়ে এবং খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শীতকালীন সবজির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় আরো কমেছে। বাজারে বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে। এক সপ্তাহ আগেও যা ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং তিন সপ্তাহ আগে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। একইভাবে টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে যা ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। অন্যান্য সবজির মধ্যে ফুলকপি প্রতি পিস ২০ থেকে ৩০ টাকা, বাঁধাকপি ২০ থেকে ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া