অর্থনীতি

দেশের নতুন শিল্পাঞ্চল হতে যাচ্ছে ভোলা

দেশের নতুন শিল্পাঞ্চল হতে যাচ্ছে ভোলা

প্রাইম ডেস্ক : দেশের দক্ষিণে বঙ্গপোসাগর এবং দেশের সর্ববৃহৎ নদী মেঘনার তীরে অবস্থিত ভোলা জেলা। দেশের সর্ববৃহৎ দ্বীপ এটি। ভোলা জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল বরিশাল বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এই দ্বীপকে কেন্দ্র করে বর্তমানে গড়ে উঠেছে ছোট বড় অনেক পর্যটন কেন্দ্র, রয়েছে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করার মতো বহুমুখী সম্ভাবনা। ভোলা জেলায় রয়েছে প্রচুর প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ। এই গ্যাসকে কেন্দ্র গড়ে উঠেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। ৩৪ মেগাওয়াটের রেন্টাল এবং ২২৫ মেগাওয়াটের সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে নির্মাণাধীন রয়েছে আরও ২২৫ এবং ১০০ মেগাওয়াটের পৃথক দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র। ভোলা সদর উপজেলার ভেদুরিয়া এলাকায় শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার লক্ষ্যে জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়েছে। প্রচুর প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদ থাকায় দিন দিন গ্যাসভিত্তিক শিল্পোৎপাদন কেন্দ্র গড়ে উঠছে ভোলাতে। শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকগণ আগ্রহী হ
মানব উন্নয়ন সূচকে ভারত পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ

মানব উন্নয়ন সূচকে ভারত পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ

প্রাইম ডেস্ক : বিশ্বব্যাংকের করা নতুন মানব সম্পদ সূচকে (হিউম্যান ক্যাপিটাল ইনডেক্স) দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে শিশুর মৃত্যুহার রোধ এবং নারী উন্নয়নে ঈর্ষনীয় সাফল্য পেয়েছে দেশটি। ফলে প্রতিবেশী দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাংকের ১৫৭টি সদস্য রাষ্ট্রের ওপর জরিপ করে এই তালিকাটি করা হয়েছে। এতে কোন দেশের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও বেঁচে থাকার অন্য অনুষঙ্গগুলো বিবেচনা করা হয়েছে। তালিকার শীর্ষস্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর। এরপর যথাক্রমে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও হংকং। আর তালিকার তলানিতে রয়েছে আফ্রিকার দেশ দক্ষিণ সুদান। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে জন্মগ্রহণকারী একটি শিশুর বড় হয়ে কর্মক্ষেত্রে উৎপাদনশীল হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা ৪৮ ভাগ। ভারতে এই হার ৪৪ শতাংশ আর পাকিস্তানে ৩৯ শতাংশ। শ্রীলঙ্কা ও নেপালে এই দুই দেশের হার যথাক্রমে ৫৮
পদ্মা সেতু ঘিরে নদীর দু’পারে গড়ে উঠছে স্বপ্ননগরী

পদ্মা সেতু ঘিরে নদীর দু’পারে গড়ে উঠছে স্বপ্ননগরী

প্রাইম ডেস্ক : স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মাণে পাল্টে যাচ্ছে পদ্মাপারের চিত্র। গড়ে উঠছে নতুন নগরী। সেতু নির্মাণ এলাকায় দেশী শ্রমিকদের কোলাহল। তাদের ঘামেই তৈরি হচ্ছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। কমবেশি ৬ হাজার শ্রমিক দিনরাত অবিরাম কাজ করছে। দেশী-বিদেশী এসব শ্রমিক বাস করছে পদ্মাতীরে। দেশী-বিদেশী কর্মকর্তাদের জন্য তৈরি হয়েছে সার্ভিস এরিয়া নামে তিনটি উন্নতমানের বিশাল কমপ্লেক্স। সেতুর জন্য জমি দেয়া ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র হয়েছে দুই পারে সাতটি। মাওয়া প্রান্তে চারটি এবং জাজিরার বাকরেরকান্দি, পূর্ব নাওডোবা ও পশ্চিম নাওডোবায় আরও তিনটি। মাওয়া প্রান্তে চারটির মধ্যে কুমারভোগে দুটি এবং মেদিনীম-লের জসলদিয়ায় দুটি। এই দুই পুনর্বাসন কেন্দ্রে রয়েছে পাঁচটি স্কুল এবং পাঁচটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র। রয়েছে ছয়টি নান্দনিক মসজিদ। রয়েছে পর্যাপ্ত খেলার মাঠ। পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত ২৮শ’ পরিবারকে এখানে পুনর্বাসন
মৎস্য খাতে শেখ হাসিনা সরকারের সাফল্য

মৎস্য খাতে শেখ হাসিনা সরকারের সাফল্য

প্রাইম ডেস্ক : নদী মাতৃক বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে মৎস্য খাতের অবদান দিন দিন বেড়েই চলেছে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা পূরণে মৎস্য সম্পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মাছে ভাতে বাঙালির দৈনন্দিন জীবনের খাদ্য তালিকায় আমিষের ৬০ ভাগ যোগান দিচ্ছে মাছ।মৎস্য খাতের উন্নয়নের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের মাঠ পর্যায়ে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হলো : মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও গ্রামীণ কর্মসংস্থান, পোনা অবমুক্তি কার্যক্রম ও বিল নার্সারি স্থাপন, সমাজভিত্তিক মৎস্য ব্যবস্থাপনা ও মৎস্য অভয়াশ্রম স্থাপন, পরিবেশবান্ধব চিংড়ি চাষ সম্প্রসারণ, মৎস্য খাতে বিভিন্ন ধরণের আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার। গত নয় বছরের মৎস্য উৎপাদনের সরকারের সাফল্যকে অর্থনীতিবিদরা প্রশংসা করছেন। বর্তমানে বিশ্বে মৎস্য সম্পদ উৎপাদনে বাংলাদেশ চতুর্থ স্থানে রয়েছে।দেশের মৎস্যসম্পদের কাঙ্খিত উন্নয়নের
বর্তমান সরকারের রেল খাতে উন্নয়ন

বর্তমান সরকারের রেল খাতে উন্নয়ন

প্রাইম ডেস্ক : রেলওয়ে খাতকে আধুনিক ও যুগোপযোগী যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর। রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার রেলওয়ের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য ২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর পৃথক রেলপথ মন্ত্রণালয় গঠন করে। বর্তমান সরকারের সময়ে নেয়া উন্নয়ন প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন হচ্ছে। পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ প্রকল্প, ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইস্পিড ট্রেন নির্মাণ প্রকল্পের মতো বড় বড় প্রকল্পের কাজ চলছে। সবকয়টি প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে রেলওয়েতে আমূল পরিবর্তন আসবে।রেলওয়ে বর্তমান পরিবহণ চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। নতুন রেললাইন নির্মাণ, পুরাতন রেললাইন পুনর্বাসন, মিটারগেজ লাইন ডুয়েলগেজে রূপান্তর, লোকোমোটিভ, যাত্রীবাহী কোচ ও মালবাহী ওয়াগন সংগ্রহ ও পুনর্বাসন, সিগনালিং ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, নুতন ট্রেন সার্ভিস চালুসহ বেশকিছু সাফল্য বাংলাদেশ রেলওয়েকে অধিকতর জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুল
১৪ উদ্যোগের মাধ্যমে  নারী শিশুর জীবনমান  উন্নয়ন

১৪ উদ্যোগের মাধ্যমে নারী শিশুর জীবনমান উন্নয়ন

প্রাইম ডেস্ক : বিশ্বের যা মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার এই পঙক্তির মাধ্যমে প্রকাশ পায় সমাজে নারীর প্রাধান্যতা ও অবদান। শুধু সমাজ নয় একটি দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন নারীকে ফেলে সম্ভব নয়। কারণ সমাজের প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যা নারী। দেশের উন্নয়নের চাকা ঘুরানোর জন্য নারীর অবদান অনস্বীকার্য। এজন্য বর্তমান সরকার নারী ও শিশুর জীবনমান উন্নয়নের জন্য নিয়েছে নানা পদক্ষেপ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০২১ সালের রূপকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নারী ও শিশুদের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। দেশের মোট জনসংখ্যার বৃহৎ অংশ নারী ও শিশু। নারী ও শিশুর সার্বিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, ক্ষমতায়ন এবং সামগ্রিক উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্তকরণের জন্য সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করছে। সরকার গত ৯ বছরে নারী ও শিশুর উন্নয়নে বেশকিছু আইন-নী
মানবসম্পদ উন্নয়নে ভারত ও পাকিস্তান থেকে এগিয়েছে বাংলাদেশ

মানবসম্পদ উন্নয়নে ভারত ও পাকিস্তান থেকে এগিয়েছে বাংলাদেশ

প্রাইম ডেস্ক : মানব সম্পদ উন্নয়নে বর্তমানে ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। একটি শিশুর শিক্ষার সুযোগ, স্বাস্থ্য সেবা এবং টিকে থাকার সক্ষমতা বিচার করে ভবিষ্যতে তার উৎপাদনশীলতা এবং আয়ের সম্ভাবনা নিয়ে এই সূচক তৈরি করা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বার্ষিক সভা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। ‘ওয়ার্ল্ড ব্যাংক হিউম্যান ক্যাপিটাল ইনডেক্স’ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ মানবসম্পদ উন্নয়ন সূচকে ভালো করছে। তবে বাংলাদেশে শিশুদের খর্বাকায় অবস্থা এবং মানসম্পন্ন শিক্ষার অভাবে শিশুদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্য সেবা যে অবস্থায় রয়েছে তাতে জন্ম নেয়া একটি শিশুর মাত্র ৪৮ ভাগ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। পাঁ
উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্ন পূরণে প্রান্তিক নারীরাও ভূমিকা রাখতে পারে

উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্ন পূরণে প্রান্তিক নারীরাও ভূমিকা রাখতে পারে

প্রাইম ডেস্ক : অভাবের সংসার, নিত্য ঝগড়া লেগেই থাকে। দিনমজুর স্বামীর অল্প আয়ের কারণে দুই মেয়েরই লেখাপড়া বন্ধ। চলে না সংসারের চাকাও। ধারদেনা করে সংসার চালাতে চালাতে অবশেষে নিজেকেই হাল ধরতে হয়েছে। টাঙ্গাইলের প্রত্যন্ত অঞ্চল কালিয়ার শ্রমজীবী নারী সুফিয়া বেগম অবলীলায় বলে যাচ্ছিলেন নিজের সংগ্রামী জীবনের কথা। দারিদ্র্যের কশাঘাত হতে মুক্তি পেতে যিনি বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে এখন কিছুটা স্বস্তিতেই দিন পার করছেন। জীবন সংগ্রামে ঘুরে দাঁড়াতে পেরে চোখের কোণে আনন্দ অশ্রু ছলছল করে ওঠে। একই ইউনিয়নের বাসিন্দা নুর বানু, মরিয়ম, ইতি আক্তারের প্রতিদিনের জীবনের চিত্রও একই ধরনের। নিত্য দারিদ্র্যের চাপে অবশেষে সংসারের হাল ধরতে হয়েছে। বাড়তি আয়ের পথ তৈরি করতে হয়েছে। এক্ষেত্রে কেউ ঋণ নিয়ে বাড়তি আয়ের পথ তৈরি করেছেন, কেউ আবার নিজের জমিতে নানা ধরনের সবজি আবাদ করে দারিদ্র্য দূর করার সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। প্র
একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প

একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প

প্রাইম ডেস্ক : বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি অংশ এখনও গ্রাম নির্ভর। তারা জীবিকার তাগিদে শহরে আসলেও তাদের পূর্ব পুরুষের ভিটেবাড়ি রয়েছে কবি সাহিত্যিকের সেই মেঠোপথের পল্লীতে। নগরায়নের যুগে ধীরে ধীরে অবহেলিত হয়ে পরে দেশের ছবির মতো গ্রামগুলো। সেই সাথে জীবনযাত্রার মানেও আসে পরিবর্তন। বেড়ে যায় দেশের দরিদ্রতার হার। ২০০৯ সালে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসলে এই দারিদ্রতার লাগাম টেনে ধরতে সক্ষম হয়।গ্রাম বাংলার সব থেকে বড় সম্পদ তাদের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প। বিশ্বের কিছু দেশ তাদের ঐতিহ্যবাহী ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পকে কেন্দ্র করে পৌঁছেছে উন্নতির সর্বোচ্চ চূড়ায়। এর মধ্যে জাপান অন্যতম। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সর্ব প্রথম মনোনিবেশ করে দেশের গ্রামবাংলার উন্নয়নের দিকে। গ্রাম বাংলার উন্নয়নের জন্য গ্রাম থেকে দারিদ্রতা দূর করা সর্ব প্রথম লক্ষ্য ছিল। এই প্রেক্ষিতে সরকার উদ্যোগ নেয় গ্রামের প্রতিটি ঘর একেকটি খামার বান
প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য থৈ থৈ পানি, নৌকায় ঘুরে বেড়ানো

প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য থৈ থৈ পানি, নৌকায় ঘুরে বেড়ানো

নিজস্ব প্রতিবেদক : নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর বাসুলিয়া বিল। এখানে বেড়াতে এলে দর্শনার্থীদের মন জুড়িয়ে দেয় সৌন্দর্যের রানী বলে খ্যাত ‘হিজল গাছ’। এখানে এই গাছের সঙ্গে হয়েছে জলের মিতালি। সে এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। চারদিকে থৈ থৈ পানি, নৌকায় ঘুরে বেড়ানো যেন এক এ্যাডভেঞ্চার। সড়ক ঘেঁষে পানির থৈ থৈ ও বিলের মাঝখানে হিজল গাছ। এ যেন প্রকৃতির অনিন্দ্য সুন্দরের সমাবেশ। টাঙ্গাইল শহর থেকে বাসুলিয়া বিলের দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার। টাঙ্গাইল থেকে বাসাইল পৌঁছলে সখীপুর সড়ক ধরে মাত্র তিন কিলোমিটার পার হলেই বাসুলিয়া বিল। সখীপুর যাওয়ার সময় হাতের ডান দিকে বিল। বিশাল চাপড়া বিলের পূর্ব দক্ষিণাংশে দাঁড়িয়ে আছে ভাসমান হিজল গাছ। সড়কে দাঁড়ালে দক্ষিণের জলরাশি ছুঁয়ে আসা মিষ্টি হাওয়া যে কারো গা জুড়িয়ে দেয়। প্রথম দিকে লোকজন এখানে দাঁড়িয়ে ঢাকার আশুলিয়া বাঁধের দক্ষিণে অনিন্দ্য সুন্দর জল-হাওয়ার সঙ্গে এই স্থানকে তুলনা করত। তখন