ধর্ম

এ বছর হজে যাচ্ছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৯৮ বাংলাদেশি

এ বছর হজে যাচ্ছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৯৮ বাংলাদেশি

প্রাইম ডেস্ক : চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাচ্ছেন ১৭ হাজার ১৯৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার জন। সব মিলিয়ে ২০২০ সালে বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৯৮ জন হজে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। রবিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি হাফেজ রুহুল আমীন মাদানী। এছাড়া কমিটির সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল, জিন্নাতুল বাকিয়া, তাহমিনা বেগম এবং রত্মা আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে জানানো হয়, ২০২০ সালে (১৪৪১ হিজরি) হজ কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য হজ ক্যালেন্ডার তৈরি করা হয়েছে। এ বছর শতভাগ হজ যাত্রীর ইমিগ্রেশন মক্কা রুটের মাধ্যমে ঢাকায় সম্পন্ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। হজ যাত্রীদের আরও উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হজ মেডিক্যাল টিমে সহ
তাবলীগের আলেমী সদস্যরা বলেছেন, টঙ্গীর বিশ্ব এজতেমায় গ্রুপিং নেই

তাবলীগের আলেমী সদস্যরা বলেছেন, টঙ্গীর বিশ্ব এজতেমায় গ্রুপিং নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক : টঙ্গীর বিশ্ব এজতেমা নিয়ে ভাগাভাগি সংকট নিরসনের তথ্য সঠিকভাবে প্রকাশ সম্পর্কে তাবলীগ জামাতের আলেমী সদস্যরা বলেছেন, তাবলীগ জামাতে, ভাগ, পন্হী বা গ্রুপিং নেই। আলেম ওলেমাদের নিয়ে যে তাবলীগ জামাতের আয়োজন তা ই হচ্ছে আসল তাবলীগ জামাতের বিশ্ব এজতেমা। আর এ জামাতের বিশ্ব এজতেমা হবে ১০ জানুয়ারী থেকে ১২ জানুয়ারী। যারা ১৭, ১৮ ও ১৯ জানুয়ারী এজতেমা আয়োজনে থাকবে তারা কোরান হাদিসের তাবলীগ অনুসারী সদস্য নন। তারা ব্যক্তি কেন্দ্রিক সা'দ অনুসারী তাবলীগী সদস্য। ফেৎনা-ফেসাদে ভরা এ পথের নেতৃত্বদানকারীরা। শনিবার দুপুরে স্হানীয় এক হেটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন তাবলীগ জামাতের শীর্ষ মুরুব্বি আলেমী সদস্যগণ। এঁরা হলেন, হাজী নাজিমউদ্দীন আহমেদ, শাহরিয়ার মাহমুদ, মোস্তফা কামাল, আবদুল্লাহ শামীম, ও জহির ইবনে মুসলিম। তাঁরা আরো বলেন, ৬৪ জেলার তাবলীগ অনুসারী মুসল্লীদের সবাই ১০ জানুয়ারী শুরু হও
হিউম্যান মিল্ক ব্যাংক: ইসলাম কী বলে?

হিউম্যান মিল্ক ব্যাংক: ইসলাম কী বলে?

মুফতি মীযানূর রহমান রায়হান : সম্প্রতি ঢাকার মাতুয়াইলে অবস্থিত শিশু মাতৃস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট (আইসিএমএইচ) ‘হিউম্যান মিল্ক ব্যাংক’ নামে একটি প্রজেক্ট চালু করেছে। বাংলাদেশে এ ধরনের উদ্যোগ এটাই প্রথম। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে মায়েদের স্বেচ্ছায় দান করা দুধ অসহায় নবজাতককে পান করানো। বিষয়টি মানবিক। ইসলাম সব সময় মানবিকতাকে প্রাধান্য দিয়ে সংকট নিরসনে সঠিক পথ বাতলে দিয়েছে। নবজাতক শিশু নিজ মায়ের অবর্তমানে অন্য মায়ের দুধ পান করবে, বিষয়টি ইসলামে অনুমোদিত। আমাদের প্রিয় নবি মুহাম্মদ (স) হালিমা সাদিয়ার দুগ্ধ পান করে বড়ো হয়েছিলেন। মাতৃদুগ্ধের সংকটের কারণে তখনকার আরব সমাজে এই রীতির প্রচলন ছিল। বর্তমান সময়েও ইসলাম এই ব্যবস্থা জারি রেখেছে। কোনো নবজাতকের মা মারা গেলে বা অসুস্থ হলে বা বুকের দুধের সংকট দেখা দিলে অন্য মায়েরা যাতে এগিয়ে আসেন, ইসলাম এ ব্যাপারে জোর তাগিদ দিয়েছে। তবে অন্য মাতৃদুগ্ধ পান করার ক্ষেত্রে
হাশরের মাঠে বিচার শুরুর সুপারিশ

হাশরের মাঠে বিচার শুরুর সুপারিশ

আরিফ খান সাদ : হাশরের মাঠের চিত্র হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। সেদিন পৃথিবী সৃষ্টি থেকে শুরু করে ধ্বংস হওয়ার পর্যন্ত সব মানুষকে জমায়েত করা হবে। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে ‘সেদিন পরিবর্তিত করা হবে এ পৃথিবীকে অন্য পৃথিবীতে এবং পরিবর্তিত করা হবে আসমানসমূহকে এবং লোকেরা পরাক্রমশালী এক আল্লাহর সামনে হাজির হবে।’ (সুরা ইবরাহিম : ৪৮)। রাসুল (সা.) বলেন, ‘কিয়ামতের দিন সাদা ময়দার রুটির মতো চকচকে একটি মাঠের ওপর সব মানুষকে একত্রিত করা হবে। সেখানে কারও কোনো নিশানা থাকবে না।’ (বুখারি : কিতাবুত রিকাক) হাশরের এই ভয়াবহ অবস্থায় সবাই অস্থির ও উৎকণ্ঠিত হয়ে পড়বে। লোকজন বলাবলি শুরু করবে ‘ফয়সালা যাই হোক না কেন, হিসাব-নিকাশ ও বিচার শুরু যাক, হাশরের ময়দানের এই অসহ্য অবস্থা থেকে তো মুক্তি পাব!’ পরে লোকজন নবীদের কাছে যাবেন তারা যেন আল্লাহর কাছে সুপারিশ করে বিচার শুরুর ব্যবস্থা করেন। আদম (আ.)-এর অপারগতা প্রকাশ বুখারি
মাওলানা শাহ্ সুফি জমির উদ্দিন নানুপুরী (রহ)

মাওলানা শাহ্ সুফি জমির উদ্দিন নানুপুরী (রহ)

মুফতী মীযানুর রহমান রায়হান : ইসলামের প্রচার প্রসারে আমাদের এ উপমহাদেশে যেসব ওলামায়ে কেরামের অবদান অবিস্মরণীয় হয়ে আছে তাদের অন্যতম হচ্ছেন মাওলানা শাহ্ সুফি জমির উদ্দিন নানুপুরী (রহ)। তিনি ছিলেন বৃহত্তর চট্টগ্রামসহ সারা বাংলার মানুষের নয়নের মণি, ওলামাদের হূদয়ের স্পন্দন। একজন দক্ষ ওয়ায়েজ হিসেবে তার খ্যাতি ছিল দেশ জুড়ে। তার সুললিত কণ্ঠের যুক্তিপূর্ণ দিনি আলোচনা শোনার জন্য মানুষ অধীর অপেক্ষায় থাকতেন। তার ইল্ম ও ব্যক্তিত্বের প্রভাবে বহু মানুষের জীবনধারায় আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। তিনি সবসময় ওয়াজে বিতর্কিত বিষয়গুলো এড়িয়ে চলতেন। শির্ক, বিদআত, আল্লাহ ও রসুলের মহব্বত, সুন্নতি জিন্দেগি, ইবাদত, আখেরাত ও মানবসেবার বিষয়গুলো তার বয়ানে বেশি প্রাধান্য পেত। দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ তাকে ভালোবাসতেন। মাওলানা শাহ্ সুফি জমির উদ্দিন নানুপুরী (রহ) ছিলেন আধ্যাত্মিক জগতের উঁচুমানের বুজুর্গ। বৃহত্তর চট্টগ্রামস
হজ ব্যবস্থাপনা আরো সহজ ও উন্নত করা হচ্ছে: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

হজ ব্যবস্থাপনা আরো সহজ ও উন্নত করা হচ্ছে: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেছেন, আগামী বছরকে (২০২০) সামনে রেখে বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনা আরো সহজ ও উন্নত করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে পরামর্শ করে ১০ দফা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক-নির্দেশনায় ২০১৯ সালের হজ ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রুট টু মক্কা ইনিশিয়েটিভ’র আওতায় আগামী বছর বাংলাদেশের শতভাগ হজযাত্রীর ইমিগ্রেশন দেশেই সম্পন্ন হবে। শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ যুক্তরাজ্যের লন্ডনে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ৩ দিনব্যাপী ‘বিশ্ব হজ ও ওমরাহ কনভেনশনের’উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে এ কথা বলেন। এ কনভেনশনে তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। রোববার থেকে ‘বিশ্ব হজ ও ওমরাহ কনভেনশন’শুরু হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বাংলাদেশী হজযাত্রীর কোটা বাড়
১০ নভেম্বর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী

১০ নভেম্বর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের আকাশে গতকাল ১৪৪১ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে। আজ বুধবার থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে। সেই হিসেবে আগামী ১০ নভেম্বর রবিবার (১২ রবিউল আউয়াল) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকারমস্থ সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সূত্রে চাঁদ দেখার কথা জানা গেছে। জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ। সভায় ধর্ম সচিব মো. আনিছুর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব কাজী নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রতিনিধিসহ বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, চকবাজার শাহী মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা শেখ নাঈম রেজওয়ান
২০২০ সালে সব হজযাত্রীর ইমিগ্রেশন সম্পন্ন হবে ঢাকায়

২০২০ সালে সব হজযাত্রীর ইমিগ্রেশন সম্পন্ন হবে ঢাকায়

প্রাইম ডেস্ক : ২০২০ সালে ‘মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভ’র আওতায় বাংলাদেশের সব হজযাত্রীর ইমিগ্রেশন ঢাকার আশকোনা হজ ক্যাম্পে সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ। এজন্য আশকোনার হজ ক্যাম্পের সম্প্রসারণ ও সংস্কার কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। প্রতিমন্ত্রী আজ রবিবার আশকোনায় হজ ক্যাম্প সম্প্রসারণ ও সংস্কার কার্যক্রম সংক্রান্ত সভায় সভাপতিত্বকালে সংশ্লিষ্টদের প্রতি এই নির্দেশ দেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে ২০০৯ সাল থেকে বাংলাদেশি হজযাত্রীর সংখ্যার ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৯ সালে যেখানে বাংলাদেশি হজযাত্রীর সংখ্যা ছিল ৫৮ হাজার ৬২৮ জন, ২০১৯ সালে হজযাত্রীর সংখ্যা এক লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ জনে বৃদ্ধি পায়। এ বছর রাজকীয় সৌদি সরকারের ‘মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভ’ কর্মসূচির অধীনে প্রায় অর্ধেক হজযাত্রী সৌদি আরব অংশের ইমিগ্রেশ
হজযাত্রীদের কোনো কষ্ট প্রধানমন্ত্রী সহ্য করবেন না: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

হজযাত্রীদের কোনো কষ্ট প্রধানমন্ত্রী সহ্য করবেন না: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বলেছেন, হাজিরা আল্লাহ পাকের খাস মেহমান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের বলেছেন, ‘সবাই মনে রাখবেন, হাজিরা আল্লাহর মেহমান, হজে গিয়ে তারা দুঃখ কষ্ট পাবেন, তাদের চোখের পানি আমি সহ্য করব না, সহ্য করতে পারি না। বৃহস্পতিবার রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে ধর্মমন্ত্রণালয় আয়োজিত হজ ব্যবস্থাপনা কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথা জানান। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা দেখেছি হজযাত্রীরা এহরাম অবস্থায় হজে যান, সেখানে গিয়ে দুঃখ-কষ্ট পান, তাদের চোখে পানি ঝরে। একইভাবে অনেকে এহরাম অবস্থায় আল্লাহর ঘরে গিয়ে ঘোরাফেরা করেন, এ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে এসেছে, তিনি এ বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর। এ ধরনের কাজ যাতে না হয়, এজন্য তিনি আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন, আমরা সেভাবে কাজ করেছি। সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হওয়া দিনব্যাপী কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন
কল্পারম্ভ ও বিহিত পূজার মধ্য দিয়ে পাঁচদিনব্যাপী উৎসবের শুরু

কল্পারম্ভ ও বিহিত পূজার মধ্য দিয়ে পাঁচদিনব্যাপী উৎসবের শুরু

প্রাইম ডেস্ক : শরতকালে অবতার শ্রী রামচন্দ্র দেবীকে আহ্বান করেছিলেন বলে বাঙালী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘শারদীয় দুর্গাপুজো’ নামে পরিচিত। উৎসবকে অকাল বোধনও বলা হয়। কারণ শ্রীরামচন্দ্র অকালেই দুর্গাকে ডেকেছিলেন। প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এক বছর পর পর অসুরশক্তি বিনাশকারী দেবী দুর্গা আসেন বাবার বাড়িতে। এসেই অবস্থান নেন বেলগাছে। বৃহস্পতিবার বোধনের মধ্যদিয়ে তাকে আহ্বান করা হয়। তারপর অধিবাস। মহাসপ্তমীর সকালে নবপত্রিকা স্থাপনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে পুজোর আয়োজন। নিয়ম অনুযায়ি নবরাত্রির ষষ্ঠ দিন সকালে মহাষষ্ঠী তিথিতে কল্পারম্ভ ও বিহিত পূজা এরপর সয়ংকালে দুর্গাদেবীর আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে বাঙালির শারদীয় দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। আজ মহাসপ্তমী। শুক্রবার সকাল থেকেই ম-পে ম-পে ঢাকে কাঠি পড়েছে। বেজে ওঠেছে শঙ্খ। সন্ধ্যার পর রাজধানী ঢাকা সহ সব পূজামন্ডপে ভক্তদের রীতি