ধর্ম

২১ সেপ্টেম্বর পবিত্র আশুরা

২১ সেপ্টেম্বর পবিত্র আশুরা

প্রাইম ডেস্ক : মহররম মাসের চাঁদ ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় দেখা যাবে ধরে সে অনুযায়ী আগামী ২১ সেপ্টেম্বর পবিত্র আশুরা পালিত হবে। বাংলাদেশ এসট্রনোমিক্যাল সোসাইটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর রবিবার রাত ১২টা ১ মিনিটে বর্তমান চাঁদের অমাবস্যা কলা পূর্ণ করে নতুন চাঁদের জন্ম হবে। এটি পরদিন সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৮ মিনিটে সূর্যাস্তের সময় দিগন্ত রেখা থেকে ৮ ডিগ্রি উপরে ২৭১ ডিগ্রি দিগংশে অবস্থান করবে এবং ৪১ মিনিট পরে সন্ধ্যা ৬টা ৪৮ মিনিটে অস্ত যাবে। এই সন্ধ্যায় চাঁদের ১ ভাগ অংশ আলোকিত থাকলেও বাংলাদেশের আকাশে তা দেখার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। চাঁদটি পরদিন ১১ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ৭ মিনিটে সূর্যাস্তের সময় দিগন্ত রেখা থেকে ১৮ ডিগ্রি উপরে ২৬১ ডিগ্রি দিগংশে অবস্থান করবে এবং প্রায় ১ ঘণ্টা ২৪ মিনিট দেশের আকাশে অবস্থান করে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে ২৬৯ ড
যুক্তরাষ্ট্রে ধর্মীয় উৎসব আমেজে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত 

যুক্তরাষ্ট্রে ধর্মীয় উৎসব আমেজে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত 

প্রাইম ডেস্ক : দেশ, প্রবাস সহ বিশ্ব মানবতার শান্তি ও কল্যাণ কামনার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আযহা। যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য আমেজে স্থানীয় সময় ২১ আগস্ট মঙ্গলবার উদযাপিত হয় মুসলমানদের অন্যতম প্রধান এই ধর্মীয় উৎসব। নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেটে বসবাসরত মুসলমানগণ এদিন স্বপরিবারে নিকটস্থ মসজিদ ও খোলা মাঠে পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকায় ছেলে-মেয়েদের নিয়ে ঈদ জামায়াতে যেতে পারায় প্রবাসীদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক স্কুলসমূহে ঈদের দিন ছুটি থাকলেও সেটি কাজে লাগলো না এবার সামার ভেকেশানে ঈদ হওয়ায়। সর্বত্রই শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে, লোকাল ও গেøাবাল মুনসাইটিং মতাদর্শের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে লোকাল মুনসাইটিং মতাদর্শের অনুসারীরা পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপন করবে আগামী কাল ২
দেশে হবে ৫৬০ মডেল মসজিদ

দেশে হবে ৫৬০ মডেল মসজিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক  : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে সারাদেশে একসাথে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ এক বিরল দৃষ্টান্ত বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মসচিব মো. আনিছুর রহমান। তিনি বলেন, ইসলামের ইতিহাসে এ পর্যন্ত কোনো সরকার প্রধানের আমলে একসাথে এতগুলো মসজিদ নির্মাণ করা হয়নি। ধর্মসচিব মো. আনিছুর রহমান শুক্রবার (২৭ জুলাই) সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আগারগাঁওস্থ সভাকক্ষে ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল এ সভায় সভাপতিত্ব করেন। ধর্মসচিব বলেন, দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে ৫৬০টি মডেল মসজিদ কাম ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের জন্য জমি নির্বাচনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, গত ৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে ৯টি মসজিদ নির্ম
জুম্মার নামাজের ফজিলত

জুম্মার নামাজের ফজিলত

প্রাইম ইসলাম : হযরত আবু লুবাবা ইবনে আবদুল মুনযির (রা:) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেছেন, জুমু’আর দিন সব দিনের সরদার। আল্লাহর নিকট সব ‍দিনের চেয়ে মর্যাদাবান। কোরবানীর দিন ও ঈদুল ফিতরের দিনের চেয়ে বেশী মর্যাদাবান। আবু হুরাইরা (রা:) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: আমরা শেষে এসেছি কিন্তু কেয়ামতের দিন সবার আগে থাকবো। যদিও অন্য সব জাতিগুলো (ইহুদী ও খৃষ্টান) কে গ্রন্থ দেওয়া হয়েছে আমাদের পূর্বে, আমাদের গ্রন্থ দেওয়া হয়েছে তাদের পরে। অত:পর জেনে রাখো এই (জুমার) দিনটি আল্লাহ আমাদের দান করেছেন। তিনি এ ব্যাপারে আমাদের সঠিক পথের দিশা দিয়েছেন। আর অন্য লোকেরা এ ব্যাপারে আমাদের পিছনে আছে। ইহুদীরা জুমার পরের দিন (শনিবার) উদযাপন করে আর খৃস্টানরা তার পরের দিন (রবিবার) উদযাপন করে। (বর্ণনায়: বুখারী ও মুসলিম) আসুন আমরা জুম্মার দিনে আগে ভাগে মসজিদ
পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত

পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত

যথাযথ পবিত্রতা, মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা লাইলাতুল কদর পালন করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার ২৬ রমজানের দিবাগত রাত ছিল লাইলাতুল কদর। হাজার মাসের চেয়ে উত্তম ও পূর্ণময় এ রজনীতে ইবাদত বন্দেগীর জন্য ইফতার ও মাগরিবের নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ মসজিদে জমায়েত হতে শুরু করেন। মুসলিম নারীরা ঘরে ঘরে এ রাতে ইবাদতে মশগুল থাকেন। মুসলমানদের জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের বিশেষ রহমত এবং অনুগ্রহের রজনী হচ্ছে লাইলাতুল কদর। রমজান মাসের এ রজনীতেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাহে ওয়া সাল্লাম এর প্রতি পবিত্র কুরআন নাযিল শুরু হয়েছিল। এ রাতের ইবাদত বন্দেগীকে নাজাতের উছিলা এবং হাজার মাসের ইবাদতের চাইতে উত্তম বলে পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাহে ওয়া সাল্লাম এ রাতে নিজে ইবাদতে মশগুল থাকতেন এবং তাঁর সাহাবীদেরও বেশি বেশি ইবাদত করার নির্দেশ দিতেন। রমজান মাসের ২১
আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর

আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর

  প্রাইম ডেস্ক : আজ দিবাগত রাত মহা মহিমান্বিত, অভাবনীয়। নিশ্চিত পুণ্যের অভাবনীয় খাজাঞ্চি সাজানো রজনী-পবিত্র লাইলাতুল কদর। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, হাজার মাসের অপেক্ষা এই রাত সর্বশ্রেষ্ঠ। মহিমান্বিত সে রাতটি আজকের দিন শেষে আসার সম্ভাবনা বেশি। আজ ২৬ রমজান। দিনের শেষে আসন্ন রাতটি ২৭ রমজানের রাত হিসেবে চিহ্নিত। হাদিস শরীফের বর্ণনা অনুযায়ী আজকের রাতটি পবিত্র লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা অধিক। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা শেষে অধিক সম্ভাবনার ভিত্তিতে আজ রাতে সারা দুনিয়ার ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পবিত্র লাইলাতুল কদর অন্বেষণ করে থাকেন। মাহে রমজানের বিশেষ ফজিলত ও গুরুত্ব অনেকাংশে মহিমান্বিত এ রাতের কারণেই বৃদ্ধি পেয়েছে। পবিত্র রমজানের এ রাতে লাওহে মাহফুজ থেকে নিম্ন আকাশে মহাগ্রন্থ আল কোরআন অবতীর্ণ হয়। আল্লাহ্ সুবহানাহু তা’য়ালা সুরা ক্বদরে বলেন, ‘নিশ্চয় এ কোরআন আমি লাইলাতুল কদরে নাজিল করেছি।’ অন্
বাংলাদেশে ইসলাম প্রচারে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা

বাংলাদেশে ইসলাম প্রচারে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা

  প্রাইম ডেস্ক : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, একটি নতুন মানচিত্রের অমর রূপকার। বঙ্গবন্ধু ছিলেন উদার চেতনার অধিকারী একজন খাঁটি মুসলমান। বঙ্গবন্ধুর পূর্ব পুরুষ শেখ আউয়াল ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে হযরত বায়জিদ বোস্তামী (রা.) এর শিষ্যত্ব গ্রহণ করে তাঁর  সাথে ভারতীয় উপমহাদেশে আসেন প্রথম। পরবর্তীতে তারই উত্তরপুরুষেরা বর্তমান গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় বসতি স্থাপন করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু হচ্ছেন ইসলাম প্রচারক শেখ আউয়ালের সপ্তম বংশধর। বঙ্গবন্ধুর পিতা শেখ লুৎফর রহমান ছিলেন একজন সুফি চরিত্রের অধিকারী অন্যতম ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও ইসলামের প্রচার ও প্রসারের অন্যতম একজন ধারক। বঙ্গবন্ধু কখনও ইসলামকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেননি। বাংলাদেশকে সকল ধর্মের সকল মানুষের জন্য শান্তির দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি ছিলেন সদা সচেষ্ট। তিনি তাঁর সংক্ষিপ্ত শাসনামলে ইসলা
এবছর জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা

এবছর জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক  : এ বছর সর্বনিম্ন ফিতরা জনপ্রতি ৭০ টাকা ও সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে ১৪৩৯ হিজরি সনের সাদকাতুল ফিতর নির্ধারণের লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ বছরের ফিতরার এ হার নির্ধারণ করা হয়। সামর্থ্য অনুযায়ী গম বা আটা, খেজুর, কিসমিস, পনির বা যবের যেকোনো একটি পণ্যের নির্দিষ্ট পরিমাণ বা এর বাজার মূল্য ফিতরা হিসেবে গরিবদের মধ্যে বিতরণ করা যাবে। গত বছর ফিতরার হার সর্বনিম্ন ৬৫ টাকা ও সর্বোচ্চ এক হাজার ৯৮০ টাকা ছিল। প্রসঙ্গত, হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘রাসুলে আকরাম (সা.) এর জামানায় ঈদুল ফিতরের দিনে আমরা ফিতরা বাবদ (মাথাপিছু) এক সা পরিমাণ খাদ্য দান করতাম। আর আমাদের খাদ্য ছিল যব, কিশমিশ, মোনাক্কা, পনির ও খোরমা।’- (বুখারী শরীফ) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রা.) বলেন, রাসুল
মাহে রমজানে ওমরার ফজিলত

মাহে রমজানে ওমরার ফজিলত

প্রাইম ডেস্ক : রহমত, মাগফিরাত এবং নাজাতের সওদা নিয়ে পবিত্র রমজানুল  মোবারক সমাগত। এই মাসের প্রধান আমল সিয়াম সাধনা। এ মাসের অতুলনীয় ফজিলতের কারণে নেয়ামত আবশ্যকীয় আমলগুলো এই মাসে অধিক গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হয়। পাশাপাশি আল্লাহর নেক বান্দারা এই মাসে অধিক মনোযোগের সঙ্গে নফল ইবাদতগুলো পালন করে থাকেন। কেননা অন্যান্য মাসে ইবাদত ও কোনো সৎকর্ম পালন করলে যে সওয়াব হয়, রমজান মাসে তা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। নফল হিসেবে সারা বছর পালন করার মতো একটি অন্যতম আমল হচ্ছে ওমরা পালন। ওমরা শব্দের আভিধানিক অর্থ ভ্রমণ করা। শরিয়তের বিধানমতে, ওমরার নিয়ম হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সুন্নত বা নফল ওমরা পালনের নিয়ত করে হজের মতো ‘মিকাত’ তথা ইহরাম বাঁধার নির্ধারিত জায়গা থেকে বা তার আগেই ইহরামের নিয়ত করতে হয়। অতঃপর বাইতুল্লাহ শরিফে এসে সাত চক্কর তাওয়াফ করে সাফা মারওয়া পাহাড়দ্বয়ের সাঈ করতে হয়। সর্বশেষ হলক (মাথা মু-ানো) কি
ইসলামের মৌলিক কয়েকটি হাদিস

ইসলামের মৌলিক কয়েকটি হাদিস

প্রাইম ডেস্ক : সর্বশ্রেষ্ঠ মানবের চারটি কথাই আমাদের ধর্মের সর্বোৎকৃষ্ট কথা। সন্দেহজনক বিষয়াদি থেকে বেঁচে থাকো, দুনিয়া থেকে বিমুখ হও, অনর্থক কাজকর্ম পরিত্যাগ করো এবং নিয়তের প্রতি লক্ষ রেখে আমল করো আল্লাহ তায়ালা আমাদের প্রিয়নবী (সা.) কে যেসব বৈশিষ্ট্য দ্বারা বিশেষায়িত করেছেন সেগুলোর অন্যতম একটি হচ্ছে ‘জাওয়ামিউল কালিম’ বা ব্যাপক অর্থবোধক বাক্য। অর্থাৎ নবীজির পবিত্র মুখনিসৃত ওইসব হাদিস; যেগুলো শব্দসংখ্যার বিবেচনায় একেবারে ছোট ও সংক্ষিপ্ত হওয়া সত্ত্বেও ব্যাপক অর্থ ও বিশাল মর্ম বোঝায়। হাদিস গ্রন্থাদিতে এসব বর্ণনা উদ্ধৃত হয়েছে। তা ছাড়া কোনো কোনো মুহাদ্দিস এসব হাদিস নিয়ে স্বতন্ত্র গ্রন্থ রচনা করেছেন। ইমাম ইবনুস সালাহ (রহ.) ‘জাওয়ামিউল কালিম’ বিষয়ক হাদিসের জন্য একটি বিশেষ দরস চালু করেছিলেন। সেসবের অনুলিখন ‘আল আহাদিসুল কুল্লিয়া’ নামে সংকলন করা হয়েছিল। সে গ্রন্থে ২৬টি হাদিস সন্নিবেশিত হয়েছিল। পরে ই