নারী

উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্ন পূরণে প্রান্তিক নারীরাও ভূমিকা রাখতে পারে

উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্ন পূরণে প্রান্তিক নারীরাও ভূমিকা রাখতে পারে

প্রাইম ডেস্ক : অভাবের সংসার, নিত্য ঝগড়া লেগেই থাকে। দিনমজুর স্বামীর অল্প আয়ের কারণে দুই মেয়েরই লেখাপড়া বন্ধ। চলে না সংসারের চাকাও। ধারদেনা করে সংসার চালাতে চালাতে অবশেষে নিজেকেই হাল ধরতে হয়েছে। টাঙ্গাইলের প্রত্যন্ত অঞ্চল কালিয়ার শ্রমজীবী নারী সুফিয়া বেগম অবলীলায় বলে যাচ্ছিলেন নিজের সংগ্রামী জীবনের কথা। দারিদ্র্যের কশাঘাত হতে মুক্তি পেতে যিনি বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে এখন কিছুটা স্বস্তিতেই দিন পার করছেন। জীবন সংগ্রামে ঘুরে দাঁড়াতে পেরে চোখের কোণে আনন্দ অশ্রু ছলছল করে ওঠে। একই ইউনিয়নের বাসিন্দা নুর বানু, মরিয়ম, ইতি আক্তারের প্রতিদিনের জীবনের চিত্রও একই ধরনের। নিত্য দারিদ্র্যের চাপে অবশেষে সংসারের হাল ধরতে হয়েছে। বাড়তি আয়ের পথ তৈরি করতে হয়েছে। এক্ষেত্রে কেউ ঋণ নিয়ে বাড়তি আয়ের পথ তৈরি করেছেন, কেউ আবার নিজের জমিতে নানা ধরনের সবজি আবাদ করে দারিদ্র্য দূর করার সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। প্র
নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রীর অবদান

নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রীর অবদান

নিজস্ব প্রতিবেদক : নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়- এ গভীর উপলব্ধি থেকেই বর্তমান সরকার নারী শিক্ষার বিস্তার ও নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কর্মক্ষেত্রে অবাধ প্রবেশ ও নীতি নির্ধারণে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। সরকারের গত ৯ বছরের নিরন্তর প্রচেষ্টায় বর্তমানে দেশে নারী শিক্ষার হার ৫০ দশমিক ৫৪ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। বর্তমানে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে ১৫৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৭ম। নারী-পুরুষ সমতায় দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ ১ম স্থানে রয়েছে। তৃণমূল থেকে উচ্চতর অফিস কক্ষ সব খানেই প্রতিনিয়ত নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছে বাংলার আজকের নারী। নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ যে বিশ্বাসী তা আবারও প্রমাণিত হলো। নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের সরকার বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। ১৯৭৩
নারী ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

নারী ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

প্রাইম ডেস্ক : ‘বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর’- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম নারী ও পুরুষকে এভাবেই দেখেছেন। তবে বাংলাদেশের কর্মসংস্থানে বাংলাদেশের নারীরা কবির প্রত্যাশার চেয়ে বেশি করে ফেলেছেন। একদিন নিজেরাই ছিলেন অসহায়, অন্যের বোঝা। আর আজ তারাই স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি আত্মপ্রকাশ করেছেন উদ্যোক্তা হিসেবে। অন্যের কর্মসংস্থান তৈরি করেছেন। পরিবার ও সমাজে সম্মানিত নারী হিসেবে মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকছেন। নারী ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ বর্তমানে অনন্য পর্যায়ে অবস্থান করছে। প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী নেত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে নারী। দিন দিন কর্মক্ষেত্রে দেশের নারীদের অবদান লক্ষণীয় মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। কর্মসংস্থানের সংখ্যাগত দিক থেকে নারীর অংশগ্রহণ পুরুষদের তুলনায় বাড়ছে চার গুণেরও বেশি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ‍ব্যুরোর হি
সিআইএর প্রথম নারী পরিচালক জিনা

সিআইএর প্রথম নারী পরিচালক জিনা

প্রাইম ডেস্ক : প্রথম নারী হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) পরিচালক হিসেবে এই প্রথম একজন নারীকে বেছে নিল মার্কিন সিনেট। তার বিরুদ্ধে ৯/১১ এর সময় বিতর্কিত নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। বৃহস্পতিবার দেশটির সিনেট ডোলান্ড ট্রাম্প মনোনীত এই প্রার্থীকে অনুমোদন দেয়। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ৫৪-৪৫ ভোটে জিনা হ্যাসপেলকে নিশ্চিত করেছেন সিনেট সদস্যরা। যদিও নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ারে হামলা-পরবর্তী সময়ে জিজ্ঞাসাবাদ কর্মসূচিতে তাঁর ভূমিকা বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। সম্প্রতি সিআইএপ্রধানের দায়িত্ব পালতরত অবস্থায় মাইক পম্পেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হলে পদটি খালি হয়। রিপাবলিকান সিনেটর জন ম্যাককেইন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ মনোনয়নের বিরোধিতা করে আগেই বক্তব্য দিয়েছিলেন। ভোটে বিরোধী ডেমোক্রেটিক দলের ছয় সিনেটর দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে জিনার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এদের মধ্যে ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্
কেন পরচর্চায় বেশি মেতে ওঠেন মহিলারা?

কেন পরচর্চায় বেশি মেতে ওঠেন মহিলারা?

প্রাইম ডেস্ক : পরচর্চায় নাকি মহিলাদের জুড়ি মেলা ভার। পুরুষরা যে গসিপে মেতে ওঠেন না, তা নয়। কিন্তু মহিলারা তুলনায় বেশি। সে কথা তাঁরা নিজেরাও অস্বীকার করেন না। কিন্তু প্রশ্ন হল, কেন গসিপে মেতে উঠতে ভালবাসেন মহিলারা? সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় উঠে এল সে উত্তর। তা কেন পরচর্চায় মনযোগী হন মহিলারা? এ আসলে নেহাতই সময় নষ্ট নয়, বরং রীতিমতো একটি কৌশল। কোনও পুরুষ সঙ্গীর প্রতি যদি অন্য কোনও মহিলা মনযোগী হয়ে ওঠে, তবে সেই শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীকে পিছনে ফলতেই এই কৌশল নেন মহিলারা। কানাডার এক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এ ব্যাপারে সমীক্ষা করেন। এভলিউশনারি সাইকোলজিক্যাল সায়েন্সের জার্নালে এ ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর এক অভিনব দিগন্ত খোলে। এই সমীক্ষা জানাচ্ছে, পরচর্চা নেহাতই স্বভাবের দোষ নয়। বরং এমন এক সামাজিক দক্ষতা যা চর্চার মাধ্যমে বাড়িয়ে তুলতে হয়। মহিলারা তা করেন। সেইসঙ্গে ইন্টারস
নারী বলেই হেরে গেছি

নারী বলেই হেরে গেছি

প্রাইম আন্তর্জাতিক : যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফার্স্ট লেডি ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন দাবি করেছেন, গত বছর নভেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে পরাজয়ের কারণ লিঙ্গ বৈষম্য। তিনি বলেন, সমাজে নারীদের অবমূল্যায়ন করা হয়। নারী বলেই ওই নির্বাচনে হেরে গেছেন তিনি। রয়টার্স গতকাল এ খবর দেয়। ‘হোয়াট হ্যাপেন্ড’ নামে স্মৃতিচারণমূলক তার নতুন বইয়ের প্রচারের উদ্দেশ্যে রবিবার ব্রিটেনের চেলটেনহাম সাহিত্য উৎসবে যোগ দেন হিলারি। ধরা হয়, ইংল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ১৯৪৯ সাল থেকে শুরু হওয়া এই সাহিত্য উৎসব বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন। বিখ্যাত কবিদের কাব্যগ্রন্থ, রান্নাবিষয়ক বই ও জনপ্রিয় ব্যক্তিদের আত্মজীবনী স্থান পায় এই উৎসবে।হিলারি মনে করেন, পুরুষ সঙ্গীর তুলনায় নারীরা সমাজে দুই ধরনের চরিত্রে বিবেচিত হয়। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে সমাজে পরিবর্তন আনতে তার সমর্থকদের সংগঠিত হওয়ার আহ
নেতৃত্বে নারী থাকলেই কি মহিলাদের উন্নতি হয়?

নেতৃত্বে নারী থাকলেই কি মহিলাদের উন্নতি হয়?

প্রাইম আন্তর্জাতিক : আমি বিশ্বাস করতে পারছি না যে ওই গ্লাস সিলিংটিতে আমরা এত বড় ফাটল ধরাতে পেরেছি। আমি সম্ভবত প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হবো কিন্তু আপনাদের মধ্যে একজন নিশ্চিতভাবেই হবেন আমার পরবর্তী নারী প্রেসিডেন্ট।" ২০১৬ সালে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়ন পাওয়ার পর আমেরিকার নারীদের প্রতি এই ছিল হিলারি ক্লিনটনের মন্তব্য। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনিও সেই গ্লাস সিলিং ভাঙতে পারেননি।সমান যোগ্যতা থাকার পরও বিশেষভাবে নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কোনো মানুষের উন্নতির পথে তৈরি করা যে অদৃশ্য বাধা তাকেই ইংরেজিতে বলা হয় 'গ্লাস সিলিং'। ক্ষমতা এবং লিঙ্গ বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এই শব্দটি। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার রাতে মিসেস ক্লিনটন ছিলেন নিউ ইয়র্কের জাভিটস সেন্টারে।সেটাও কিন্তু কাকতালীয় ছিল না। কারণ, নিউ ইয়র্কের সবচেয়ে বড় কাঁচের ছাদ বা গ্লাস সিলিং রয়েছে এই ভবনে।
দুই প্রেসিডেন্টের স্ত্রী যেই নারী

দুই প্রেসিডেন্টের স্ত্রী যেই নারী

প্রাইম ডেস্ক : দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান তাকে বিয়ে করেছেন। বিশ্বের ক্ষমতাধর সব ব্যক্তিদের সঙ্গে তার যোগাযোগ। শুধু তাই নয় শীর্ষ হোয়াইট হাউজ কর্মকর্তাদের পরামর্শদাতাও তিনি। গিজেলে ইয়াজি বা মেডাম গিজেলে তার প্রতিবেশীদের কাছে এমনটাই বলে বেড়ান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড রাজ্যের বাসিন্দা। তার দাবি, তিনি মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসি’র গোপন স্ত্রী । ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজেরও সাবেক স্ত্রী। এমনকি নিজেকে ইভানকা ট্রা¤েপর মেন্টর হিসেবে দাবি করেন। এছাড়া ট্রাম্প-কন্যা ইভাঙ্কার পর হোয়াইট হাউজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অফিসটিও তার দখলে। এরকম দাবির শেষ নেই তার। প্রেসিডেন্ট ট্রা¤প ও ফাত্তাস আল সিসির মধ্যে টেলিফোনে কথা বলার ব্যবস্থাও নাকি তিনি করে দিয়েছেন। প্রতিবেশীরা জানিয়েছে, এ সব পরিচয় দিয়ে তাদেরকে ধনী হওয়ার প্রলোভন দেখাতেন ইয়াজি। তাদের কাছে নিজের জাকজমকপূর্ণ জীবন নিয়ে গর্
বিদেশে নারী শ্রমিকরা নানাভাবে নির্যাতিত !

বিদেশে নারী শ্রমিকরা নানাভাবে নির্যাতিত !

প্রাইম ডেস্ক : সংসারে সচ্ছলতা আনতে গৃহকর্মী হিসেবে আরিফা জর্দানে কাজ করতে যান। কিন্তু তিনি মানসিক ও শারীরিক অত্যাচারের ক্ষত বয়ে নিয়ে ফিরে আসেন দেশে। তার গৃহকর্তা প্রায়ই তাকে নির্যাতন করতেন। তিনি অসুস্থ স্বামীর জন্য টাকা চাইলে তাকে তা দেয়া হয়নি। এমনকি দেশে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেয়া হতো না। প্রায়ই আরিফাকে মারধর করা হতো। গায়ে গরম পানি ঢালা হতো। খাবার পর্যন্ত খেতে দেয়া হতো না। এভাবে এ নারী শ্রমিককে ৬ মাস আটকে রাখা হয়। তার ওপর দেড় বছর অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। আরিফা জানান, সুযোগ পেয়ে একদিন জর্দান দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাকে তেমন সাহায্য করা হয়নি। উল্টো দুই বছর পর যোগাযোগ করতে বলা হয়। পরে বিএমইটি কর্তৃপক্ষের সহায়তায় আরিফা তার বন্দীজীবন থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফিরে আসেন। বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপ এবং কর্মসূচী থাকা সত্ত্বেও অভিবাসী নারী শ্রমিকদের নানা ধরনের সমস্যার মুখ
সিঙ্গাপুরের প্রথম মুসলিম নারী প্রেসিডেন্ট হলেন হালিমা ইয়াকুব

সিঙ্গাপুরের প্রথম মুসলিম নারী প্রেসিডেন্ট হলেন হালিমা ইয়াকুব

প্রাইম ডেস্ক : নগর রাষ্ট্র সিঙ্গাপুরে প্রথমবারের মতো একজন মুসলিম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। তিনি মালয় স¤প্রদায়ের ৬২ বছর বয়স্ক হালিমা ইয়াকুব। যিনি দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। গত সোমবার দেশটির নির্বাচন বিভাগ তাকে প্রেসিডেন্ট পদে একমাত্র যোগ্য ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করে। স্থানীয় দৈনিক নিউ স্ট্রেইট টাইমস গত মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে জানায়, অন্য সব প্রার্থী নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষিত হওয়ায় তিনিই এখন বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় দেশটির প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। তবে নির্বাচনে আর কোনো যোগ্য প্রার্থী না থাকায় হালিমা ইয়াকুবের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা নেয়াটা এখন শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র। সিঙ্গাপুরের অষ্টম এবং প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন হালিমা। যিনি বাণিজ্য সমৃদ্ধ দেশটির সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হবেন