লাইফস্টাইল

বিশ্ব কারুশিল্প শহরের মর্যাদা পেলো সোনারগাঁ

বিশ্ব কারুশিল্প শহরের মর্যাদা পেলো সোনারগাঁ

নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলাকে বিশ্ব কারুশিল্প শহরের মর্যাদা দিলো বিশ্ব কারুশিল্প পরিষদ (ডব্লিউসিস)। জামদানি শিল্পের পীঠস্থান হিসেবে সোনারগাঁয়ের সুনাম ও কৃতিত্ব বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত হবার সঙ্গে উন্মোচিত হলো ক্রিয়েটিভ ট্যুরিজমের দ্বার। গতকাল শুক্রবার সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী অফিসার অঞ্জন কুমার সরকার এ সংক্রান্ত একটি চিঠি গ্রহণ করেন। জানা যায়, বিশ্ব কারুশিল্প পরিষদের (ডব্লিউসিসি) কাছে সোনারগাঁকে কারুশিল্প শহরের মর্যাদা দিতে বাংলাদেশ কারুশিল্প ফাউন্ডেশন ও জামদানি উৎসবের আয়োজক বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়। গত সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে ডব্লিউসিসির বিচারক দল সোনারগাঁ ঘুরে যান। এরপর জামদানি ও তাঁতশিল্পের জন্য সোনারগাঁকে বিশ্ব কারুশিল্প শহরের মর্যাদা দেওয়ার চিঠি পাওয়া যায়। এর মধ্য দিয়ে এই প্রথম বাংলাদেশের কোনো স্থান বিশ্ব কারুশিল্প শহরের মর্যাদা লাভ
যাদের বোন আছে তারা ভাগ্যবান: গবেষণা

যাদের বোন আছে তারা ভাগ্যবান: গবেষণা

প্রাইম ডেস্ক : যৌথ পরিবার এখন আর আগের মতো দেখা যায় না। যৌথ পরিবারগুলো ভেঙে এখন ছোট পরিবার গড়ে উঠছে। এখন ছোট পরিবারগুলোতে দুটো শিশুর বেশি দেয়া যায় না। তাই পরবর্তী প্রজন্ম বেড়ে উঠছে অনেকটা নিঃসঙ্গতাকে সঙ্গী করে। আবার অনেকে একটি সন্তানের বেশি নিতে চান না। ভাইবোনের খুনসুটি, খেলনা,এক সঙ্গে খাবার এখন আর খুব একটা দেখা যায় না। এছাড়া আমাদের দেশে এখানো কিছু মানুষ আছে যারা কন্যা শিশু জন্ম নিলে মন খাবার করে। আর তাদের ভবিষ্যতের বিপদ মনে করে।মনে রাখবেন কন্যা সন্তান বিপদ না নয়, ঘরের আলো। ভাই বা বোনের সঙ্গে বেড়ে ওঠা একটি শিশুর জীবনে অত্যন্ত আনন্দদায়ক বলে জানাচ্ছে গবেষণা। গবেষণা বলছে, যাদের বোন আছে তারা ভাগ্যবান। ৩৯৫টি পরিবারের ওপর সমীক্ষা চালিয়ে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন ব্রিংহাম ইয়ং ইউনিভার্সিটির গবেষকরা। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ছেলে হোক বা মেয়ে, তার যদি একটি বোন থাকে তো সেই জীবনের আনন্দই আলাদা। তা
ফ্যাশন আইকন হয়ে উঠছেন রাকিব বাবু

ফ্যাশন আইকন হয়ে উঠছেন রাকিব বাবু

তরুন ফ্যাশন ডিজাইনার রাকিব বাবু খুব দ্রুত ফ্যাশন এর আইকন হয়ে উঠে। তিনি তার মেধা দিয়ে ও ভক্তদের ভালবাসায় আজ ফ্যাশন আইকন রাকিব বাবু। তার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন আমাদের সাথে। আমার ব্যাস্ততা হচ্ছে কিছু ব্রান্ডের শুট করছি। আর আমাদের বাংলাদেশে প্রায় উৎসব হয়। ফ্যাশন হাউস গুলোর ফটো শুট হচ্ছে সাথে আমি যেহেতু স্টাইলিং করছি তাদের সাথে আমাকেও ব্যাস্ত থাকতে হচ্ছে। ফ্যাশন হাউস এর সব কিছু আমাকে দেখতে হচ্ছে মডেল সিলেকশন ও মেকাপ, হেয়ার স্টাইল নিয়ে শুট এর আগে আমাকে পুরো সপ্তাহ ব্যাস্ত থাকতে হচ্ছে।বড় বড় ব্রান্ডের স্টাইলিং কাজ করছেন এ ব্যাপারে বলেন??? কিছু সিলেক্টেড ব্রান্ডের কাজ করি। একটা জুয়েলারি ব্রান্ডের নিয়মিত কাজ করছি। তার সাথে বেশ কিছু ব্রান্ডের কাজ করছি সেগুলোর মডেল সিলেকশন সহ (এ টু জেড) দেখতে হচ্ছে।আপনার ইন্টারন্যাশনাল কিছু কাজ দেখতে পাচ্ছি আমরা সে গুলোর সম্পর্কে একটু বলেন???? আমার প্
রক্ত পরীক্ষায় জানা যাবে মৃত্যুর দিনক্ষণ!

রক্ত পরীক্ষায় জানা যাবে মৃত্যুর দিনক্ষণ!

প্রাইম ডেস্ক : মানুষের মৃত্যু কখন-কোন সময় হবে তার যেমন দিনক্ষণ নেই, তেমনি নেই আগাম কোনো পূর্বাভাস। তবে মানুষ যদি তার মৃত্যুর আগাম পূর্বাভাস জানতে পারতো তাহলে সবচেয়ে ভালো হতো। সেই চিন্তা থেকেই জার্মানির বিজ্ঞানীরা মানুষের মৃত্যুর এক ধরনের আগাম পূর্বাভাসের কথা জানিয়েছেন। আর সেটি জানা যাবে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে। বিজ্ঞানীদের দাবি, এই পরীক্ষায় আগামী ১০ বছরের মধ্যে কারও মৃত্যু ঝুঁকি আছে কিনা এ বিষয়ে জানা যাবে। এ গবেষণার ফল শতকরা ৮০ ভাগ নির্ভুল বলেও দাবি করেন তারা। ডেইলি মেইলের এক খবরে বলা হয়েছে, দেশটির বিজ্ঞানীরা ৪৪ হাজার মানুষের ওপর এ পরীক্ষা চালিয়েছেন। তারা রক্তের ১৪টি বায়োমার্কার উদঘাটন করেছেন, যা মানুষের মৃত্যু ঝুঁকিকে প্রভাবিত করে। বায়োমার্কারগুলো সংক্রমণমুক্ত এবং গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে চর্বি এবং শরীরের প্রদাহ সম্পর্কিত সবকিছুর সঙ্গে যুক্ত। একটি বায়োমার্কারের পরীক্ষায় দেখা
যেমন রাজা তেমন প্রজা

যেমন রাজা তেমন প্রজা

তসলিমা নাসরিন : নেতাদের দেখে জনগণ শেখে। নেতারা মিথ্যে কথা বললে জনগণও মিথ্যে বলতে শেখে। ভালো মানুষও নেতা বনে গেলে খারাপ হয়ে যায়। সৎলোকও রাজনীতি করতে গিয়ে অসৎ হয়ে যায়। ধর্মীয় নেতারা মগজ ধোলাই করেন, রাজনীতিক নেতা, যাঁরা ধর্মকে রাজনীতির সঙ্গী করেন, তারাও মগজধোলাইয়ে কম যান না। ধর্মীয় নেতারা মানুষকে পরকালের নরক-বাসের ভয় দেখান। রাজনৈতিক নেতারা ইহকালের জেল-জরিমানার ভয় দেখান। বাংলাদেশে নতুন একটি ভয় শুরু হয়েছে। যে নেতারা দেশ চালাচ্ছেন, তাঁরা ‘ক্রস ফায়ার’ নামে একটা শাস্তি আবিষ্কার করেছেন। এই ক্রস ফায়ার শাস্তিটি যাকে খুশি তাকে দিতে পারবেন নেতারা। নিজেরাই মিডিয়ার রিপোর্ট পড়ে বা টুইটার ফেসবুকের মন্তব্য পড়ে বা লোক মুখে শুনে বা গুজবে কান দিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেবেন, কে দোষী। তারপর তাকে বাড়ি থেকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে গুলি করে মেরে ফেলবেন, মিডিয়াকে বলে দেবেন, ক্রস ফায়ারে মৃত্যু হয়েছে, মিডিয়াও নিজ স্বার্থে সরক
কালো জাম খেলে যেসব রোগ থেকে মুক্তি মিলবে

কালো জাম খেলে যেসব রোগ থেকে মুক্তি মিলবে

প্রাইম ডেস্ক : কালোজাম গ্রীষ্মকালের একটি জনপ্রিয় ফল। জাম বিভিন্ন ধরণের পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ এবং স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারী। জাম খাওয়াও খুব সহজ কারণ এর খোসা ছারাতে হয়না। এর মিষ্টি রসালো স্বাদ ছোটদের খুব প্রিয়। ত্বক, চুল ও সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্যই উপকারী জাম। জামের কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা জেনে নিই চলুন। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়: ঐতিহ্যগতভাবেই জাম ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। জামের গ্লিসামিক ইনডেক্স কম হওয়ায় এটি ডায়াবেটিসের জন্য ভালো বলে বৈজ্ঞানিকভাবেও প্রমাণিত। কমপ্লিমেন্ট থার মেড এ প্রকাশিত একটি গবেষণা পর্যালোচনায় জানা যায় যে, জামের ডায়াবেটিক বিরোধী গুণ আছে। অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে জামের বীচি রক্তের সুগার লেভেল ৩০% পর্যন্ত কমাতে সাহায্য করে। এই ফলটি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে: জামে প্রচুর পরিমাণে পুষ্ট
বৃষ্টিতে বাড়ির মশা তাড়াবেন যেভাবে

বৃষ্টিতে বাড়ির মশা তাড়াবেন যেভাবে

প্রাইম ডেস্ক : চলে এসেছে বর্ষা ঋতু। বাইরে অবিরাম বৃষ্টিতে গরম থেকে রেহাই পাওয়া যাবে ঠিকই কিন্তু অন্য একটি সমস্যা বেড়ে যায় এই সময়ে। আর তা হলো মশা। এক যন্ত্রণাদায়ক পতঙ্গের নাম। মশার যন্ত্রণা কোথায় নেই! ঘরে, বাহিরে, গাড়িতে, সন্ধ্যায় একটু হাঁটতে যাবেন সেই রাস্তায়ও মশা। বিরক্তিকর উপদ্রবের পাশাপাশি এটি রোগজীবাণু সংক্রামণ করে। এই মশা অনেক সময় মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে। মশার মাধ্যমে চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, ফাইলেরিয়া, পীত জ্বর, জিকা ভাইরাস প্রভৃতি মারাত্মক রোগ সংক্রমিত হয়ে থাকে। আর বর্ষা আসতে না আসতেই ডেঙ্গু জ্বরের পরিমাণ অনেক বেড়ে গেছে। তাই প্রাকৃতিক উপায়ে মশা তাড়ানোর ব্যবস্থা করা জরুরি। কারণ মশা তাড়ানোর ওষুধ শরীরের জন্য মোটেও ভাল নয়। তাই জেনে নিন মশা তাড়ানোর কার্যকরী উপায়। নিম তেল শরীরে লাগিয়ে নিলে মশার কামড় থেকে রেহাই পাবেন। নিমের গন্ধে মশা দূর
২০১ গম্বুজ মসজিদ দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

২০১ গম্বুজ মসজিদ দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক : ৩০১ ফুট উচ্চতার ২০১ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ দেখতে বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীদের ভিড় বেড়েই চলেছে।দর্শনার্থীদের চাপ সামলাতে স্থানীয় প্রশাসন হিমশিম খাচ্ছে। ঈদকে কেন্দ্র করে দর্শনার্থীদের ভিড় ক্রমে বেড়েই চলেছে বলে মসজিদের উদ্যাক্তারা জানিয়েছেন। শুক্রবার মসজিদ এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার দর্শনার্থী এসেছেন দৃষ্টি নন্দন এই মসজিদ দেখার জন্য। মসজিদটি টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল এলাকার প্রত্যন্ত অঞ্চল দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে নির্মিত হচ্ছে। দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামের মো. মেছের আলীর ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রফিকুল ইসলাম মিনার নিজ উদ্যোগে ১৫ একর জমির ওপর ৩০১ ফুট উচ্চতায় ২০১ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটি নির্মাণ করছেন। মসজিদে এক সঙ্গে ৩০-৪০ হাজার মুসুল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রফিকুল ইসলাম মিনারের ভাগিনা মো. মহসীন মিয়া জানান, বীর ম
কী ধরণের পুরুষ পছন্দ বাংলাদেশের মেয়েদের?

কী ধরণের পুরুষ পছন্দ বাংলাদেশের মেয়েদের?

প্রাইম ডেস্ক : গল্প, কবিতা বা সাহিত্যে একজন পুরুষের দৃষ্টিতে নারীর সৌন্দর্যের বর্ণনা নানাভাবে উঠে এসেছে। কিন্তু এর উল্টোটা অর্থাৎ নারীর চোখে পুরুষের কোন বিষয়গুলো আকর্ষণীয় সেই ব্যাখ্যা এসেছে খুবই কম।তার মানে এই নয় যে, পুরুষকে বেছে নেয়ার ক্ষেত্রে নারীদের কোন পছন্দ-অপছন্দ নেই। সেটা অবশ্যই একেকজনের ক্ষেত্রে একেকরকম। যেমন পেশায় চিকিৎসক ডা. শামসুন্নাহার বীথির কাছে পুরুষের সৌন্দর্য মানেই তার পরিচ্ছন্নতা, সেটা হোক শরীরের বা মনের।"আমি যখন মেডিকেলে পড়তাম তখন আমাকে এক বড় ভাই খুব পছন্দ করতেন। তিনি দেখতেও বেশ সুন্দর ছিলেন।কিন্তু আমি তাকে নিয়ে কখনও কিছু ওভাবে ভাবতে পারিনি। কারণ তিনি কখনও সুগন্ধি ব্যবহার করতেন না, যা ছিল তার খুব প্রয়োজন।""আমার কাছে শরীর ও মন দুটোর পরিচ্ছন্নতাই এক ধরণের সুন্দর্য। সেটা ছেলে মেয়ে সবার ক্ষেত্রে। আর আমার একটা অদ্ভূত পছন্দ আছে আর সেটা হল আমি কাঁচা পাকা চুলের ছেল
এক সঙ্গে দু’জনকে ভালোবাসা সম্ভব!

এক সঙ্গে দু’জনকে ভালোবাসা সম্ভব!

প্রাইম ডেস্ক : প্রেম মানেই নাকি মনে শুধু একজনের আধিপত্য। একাধিক ব্যক্তি মনে ঠাঁই পেলেই সামাজের চোখ রাঙানি, হাজারো জবাবদিহিতা, চরিত্র নিয়ে কাটাছেঁড়া। কিন্তু সত্যিই কি এটা অন্যায়? আর একসাথে দুজনকে মনে কি ঠাঁই দেওয়া যায়। এমন প্রশ্ন অনেকের মনেই নিজের অজান্তেই চলে আসে। দেশ-বিদেশের নানা সমীক্ষা বলছে, বেশির ভাগ মানুষের মনেই ঘাপটি মেরে থাকে অন্য আর একজনের প্রতি টান। সেই টানে কেউ কেউ সম্পর্ক পর্যন্ত গড়ান, কেউ বা সমাজের ভয়ে ঢোঁক গেলেন ওখানেই। কিন্তু কেন এমন হয়? মনোবিজ্ঞানের মতে, প্রত্যেকটি মানুষই বিভিন্ন পৃথক বৈশিষ্ট্যযুক্ত হন। এক জন মানুষের মধ্যে সবটুকু পছন্দের বৈশিষ্ট্য যে মিলবেই, এমন নয়। তাই ভাল লাগার কোনও গুণ বা স্বভাব থেকে প্রেম বা ভালবাসার অনুভূতি দু’জনের প্রতিই জন্মাতে পারে। পিটুইটারি গ্রন্থি ও ফিল গুড হরমোনরাই এর জন্য দায়ী। এ প্রসঙ্গে মনোবিদ অনুত্তমা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, ‘‘জন্মে