সম্পাদকীয়

কাঠগড়ায় মিয়ানমার

কাঠগড়ায় মিয়ানমার

নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে রোহিঙ্গাদের প্রতি অমানবিক নৃশংসতার বিরুদ্ধে মামলার শুনানি শুরু হয়েছে। মামলাটি করা হয়েছে গাম্বিয়ার পক্ষ থেকে। হেগ শহরের ‘পিস প্যালেস’ নামে সমধিক খ্যাত শান্তির প্রাসাদে মিয়ানমারের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড়ানো গাম্বিয়া এই মামলাটির পক্ষে সওয়াল জবাব প্রদান করে নির্যাতিত ও লাঞ্ছিত রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে আইনী লড়াইয়ে নেমেছে। আর শান্তির জন্য নোবেল পাওয়া মিয়ানমারের এক সময়ের কথিত মানবতাবাদী রাজনীতিবিদ আউং সান সুচি তার সামরিক সরকারের দুঃশাসনের পক্ষে লড়ছেন, এটাই ট্র্যাজেডি। রাখাইনের রোহিঙ্গাদের ওপর সংঘটিত নির্যাতন, গণহত্যা, ধর্ষণ আন্তর্জাতিক সালিশীর কতখানি পরিপন্থী সেটা যাচাই-বাছাইয়ের লক্ষ্যে এই বিচারিক আদালতে বাদী-বিবাদী মুখোমুখি। মামলাটির গুরুত্ব এবং তাৎপর্য আন্তর্জাতিক বলয়ের প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক সহমর্মিতার এক অনবদ্য নজির। গাম্বিয়া বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী কোন রাষ্ট্র নয়। সেখান
জীবনঘনিষ্ঠ চলচ্চিত্র

জীবনঘনিষ্ঠ চলচ্চিত্র

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিনোদন শিল্পের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ও শক্তিশালী মাধ্যম চলচ্চিত্রকে মানুষের যাপিত জীবনের অনুষঙ্গ করার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। চলচ্চিত্রের সবচেয়ে সম্মানীয় পদক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান উপলক্ষে তিনি এমন মন্তব্য করেন। ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই মহৎ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সামাজিক অবক্ষয় রোধে এই বিনোদন শিল্পকে কার্যকর করে তোলার পরামর্শ দেন। সিনেমা শুধু শিল্প-সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমই নয়, তার চেয়ে বেশি সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের দুঃখ-বেদনা, আনন্দ-আবেগের সচিত্র প্রতিবেদনও বটে। স্পর্শকাতর এমন সব অনুরণন ছাড়াও বাস্তব প্রতিঘাতে সামাজিক বিপত্তির নেতিবাচক প্রতিপত্তির প্রতিকারও বিনোদন শিল্পকে যথার্থ মর্যাদায় দাঁড় করিয়ে দেয়। সমাজের মানুষই লালন ধারণ করে তার সমাজ, সভ্যতা, সংস্কার আর ঐতিহ্য। আবার তেমন দক্ষ মানব সম্পদের অভাবনীয় শিল
প্রতিবন্ধীদের জন্য সুবর্ণ ভবন

প্রতিবন্ধীদের জন্য সুবর্ণ ভবন

দেশের শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধীদের প্রতি বর্তমান সরকার সচেতন দায়বদ্ধতায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে পিছপা হয়নি। সমাজে প্রতিবন্ধীদের সহজভাবে মেনে নেয়ার ওপরও বিভিন্ন সময়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে সংশ্লিষ্টদের প্রতি যে সযত্ন মানবিকতা সেটাও দৃশ্যমান হয়েছে। শুধু তাই নয়, তাদের সুস্থ ও স্বাভাবিক উন্নত মানের জীবন নিশ্চিত করতে আবাসন প্রকল্পের মতো স্থায়ী ঠিকানা ও বসবাসের নিমিত্তে প্রদান করার কর্মসূচীও শেষ হয়েছে। ঢাকার মিরপুরে এক শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ‘সুবর্ণ ভবন’ এখন সংশ্লিষ্টদের জন্য হস্তান্তরে প্রস্তুত। শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রশিক্ষণ, পুনর্বাসন ও আবাসন সুবিধা দিতে এমন মহৎ ও ব্যাপক কর্মসূচীকে বাস্তবে রূপ দেয়া হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নির্মিত এই ভবনটিকে প্রতিবন্ধীদের সার্বিক জীবনমান উন্নয়নে প্রয়োগ করা হবে। ভবনটি জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন, মিরপর চত্বরে তৈরি করা হয়। এক শ’ কোটি টাকা ব
মুক্তিযুদ্ধের প্রকল্প বাস্তবায়ন

মুক্তিযুদ্ধের প্রকল্প বাস্তবায়ন

আগামী বছর মুজিববর্ষ হিসেবে পালন করার বৃহৎ পরিকল্পনায় সরকার বিভিন্ন কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। পরের বছর ২০২১ সালে উৎসব আর আড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার এক উদ্দীপক ঘটনাপ্রবাহ। এমন সব ঐতিহাসিক এবং ঐতিহ্যিক স্মরণ আয়োজনে দেশের স্বাধীনতা আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যমাত্রায় সরকার গ্রহণ করেছে বিভিন্ন কর্ম প্রকল্প। মুক্তিযুদ্ধের অবিস্মরণীয় জয়যাত্রাকে তার যথার্থ মর্যাদায় পৌঁছে দিতে নেয়া হয়েছে চারটি মেগা প্রকল্প। প্রকল্পগুলো হচ্ছে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী ময়দানে স্বাধীনতার স্তম্ভ নির্মাণ, যা রয়েছে তৃতীয় পর্যায়ে প্রস্তুতিকরণের অবস্থানে। অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ কর্মসূচী। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকারের ভূমিকাকে স্মরণ করে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কেন্দ্র স্থাপন এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্যানোরমা নির্মাণ প্রকল্প। ২০১৮ সালে শুরু হওয়া স্
শিক্ষার সঙ্গে প্রযুক্তি

শিক্ষার সঙ্গে প্রযুক্তি

শিক্ষার গ্রহণযোগ্যতায় বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার দৃশ্য সুস্পষ্ট ও দৃশ্যমান। প্রাইমারী শিক্ষা থেকে আরম্ভ করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার হার বেড়ে যাওয়ার সুফল বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তে উঠে এসেছে। সমতাভিত্তিক প্রবৃদ্ধিতে ছাত্রছাত্রীর অবস্থান নজরকাড়া। উচ্চশিক্ষা এবং উচ্চতর গবেষণায় শিক্ষার্থীদের এগিয়ে যাওয়া বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাপনার এক ইতিবাচক দিক। শিক্ষানগরী রাজশাহীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রতি আয়োজন করা হয় পঞ্চম সমাবর্তনের। রুয়েটের এই অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। সমাবর্তন ভাষণে তিনি শিক্ষার পাঠক্রমের সঙ্গে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়কে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে বলেন, পুঁথিগত বিদ্যার সহযোগী শক্তি হিসেবে গবেষণা এবং আধুনিক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারকে মেলাতে না পারলে যথার্থ জ্ঞানার্জনের ঘাটতি থেকে যাবে। যুগ আর সময়ের চাহিদায় শিক্ষা কার্যক্রমকে প্রযুক্
শিশুশ্রম নিরসনে ‘অধিকার’

শিশুশ্রম নিরসনে ‘অধিকার’

সরকারের নানামুখী উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা সত্ত্বেও দেশে শিশুশ্রমের পরিসর ও বিস্তৃতি বাড়ছে বই কমছে না। এর পাশাপাশি কারণে-অকারণে কাজকর্মে যৎসামান্য অবহেলা এমনকি ‘পান থেকে চুন খসলেই’ শিশু নির্যাতন-নিপীড়ন এমনকি হত্যার ঘটনাও ঘটছে অহরহ। দেশে শিশুশ্রম নিষিদ্ধ এবং আইনত দন্ডনীয়। আঠারো বছরের নিচে সব শিশু এই অধিকারের আওতায় রয়েছে। দুঃখজনক হলো, বাস্তবে এর প্রয়োগ নেই বললেই চলে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বন্ধসহ দেশে শিশুশ্রম চিরতরে বন্ধে সরকার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় যে আন্তরিক এবং উদ্যোগী, সে বিষয়ে দ্বিমতের অবকাশ নেই। এই প্রেক্ষাপটে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নকে সামনে রেখে সরকার ২০২০ সালের মধ্যে শিশুশ্রম নিরসনে ‘অধিকার’ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এর আওতায় প্রাথমিকভাবে দেশের এক লাখ শিশুকে পুনর্বাসন করা হবে। পর্যায়ক্রমে সব শিশুকর্মীকে নিয়ে আসা হবে পুনর্বাসনের আওতায়। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য
হলি আর্টিজান রায়ঃ আইনের সুশাসনে অনন্য বাংলাদেশ

হলি আর্টিজান রায়ঃ আইনের সুশাসনে অনন্য বাংলাদেশ

২০১৬ সালের জুলায়ের ১ তারিখ। অন্যান্য দিনগুলোর মত একটি সাধারণ দিন ছিল। পাখি ডাকা ভোরে ঘুম থেকে উঠে অফিসের জন্য যাত্রা শুরু করে ঢাকার মানুষ। সারাদিন কর্মব্যস্ততা নিয়ে বাসায় ফেরার সময় মোবাইল স্ক্রিনে আর টিভির ফ্রেমে চোখ আটকে যায় সবার। গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা। হামলার খবরে স্তম্ভিত করে গোটা জাতীকে। সরকারের দ্রুত প্রচেষ্টায় ২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। গত এক বছরে রাষ্ট্রপক্ষ এই মামলায় ১১৩ জন সাক্ষী হাজির করে। যা ছিলো অনেক জটিল একটি প্রক্রিয়া। এর আগে হামলার ব্যাপারে জড়িতদের গ্রেফতারী কার্যক্রম ও জিজ্ঞাসাবাদ চলছিলো। এ হামলা নিয়ে অভিযোগপত্রে সে রাতের অতিথি ও রেস্তোরাঁর আবহের একটা বিবরণ আছে। তাতে বলা হয়, প্রতিদিনের মতোই ব্যস্ত ছিল সেদিনের সন্ধ্যা। আর সব দিনের মতোই সবকিছু স্বাভাবিক চলছিল। হাসি-আনন্দে মুখর ছিলো হলি আর্টিজান বেকারির স
অরক্ষিত রেলপথ

অরক্ষিত রেলপথ

বাংলাদেশে রেলওয়ের যাত্রা শুরু হইয়াছিল ঊনবিংশ শতাব্দীতে, ঔপনিবেশিক শাসনামলে। ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে কলকাতা হইতে রানাঘাট পর্যন্ত রেলযাত্রা শুরুর দুই মাস পরই রানাঘাট হইতে কুষ্টিয়া পর্যন্ত রেলপথের শুরু। ইহার পর আসাম-বেঙ্গল রেলওয়ে বিস্তৃত হইয়াছে। অতঃপর মানচিত্র বদলাইয়াছে তিনবার। এই সময়ের মধ্যে রেলওয়ে কিছু না কিছু প্রসারিত হইয়াছে। তবে পূর্বের রেলওয়ের সঙ্গে আজকের রেলওয়ের কিছু হতাশাজনক পার্থক্য তৈরি হইয়াছে যেই কারণে, তাহা ক্ষোভের সঙ্গে স্মরণ করাইয়া দিতে হয়। পূর্বে এই বাংলাদেশে অথবা পূর্ব পাকিস্তানে অথবা পূর্ববঙ্গে মানুষ ছিল কম, রাস্তার সংখ্যা ছিল কম, সেই সঙ্গে রেলপথও ছিল কম। কিন্তু বর্তমান চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। স্বাধীন বাংলাদেশে এখন মোট রেলপথ রহিয়াছে কমবেশি ২ হাজার ৯০০ কিলোমিটার। লেভেল ক্রসিং রহিয়াছে ২ হাজার ৫৩১টি। যাহার মধ্যে ১ হাজার ৪১২ লেভেল ক্রসিং রহিয়াছে অবৈধ, অনুমোদনহীন। মজার ব্যাপার হইল, এই
গুজবে আক্রান্ত দেশ

গুজবে আক্রান্ত দেশ

বাজার ব্যবস্থাপনায় প্রায়ই অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের এক লাগামহীন প্রক্রিয়া। সম্প্রতি পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিতে সারাদেশ যখন অস্থির, তেমন দুঃসময়ে হঠাৎ করে লবণের ওপর ষড়যন্ত্রকারীদের অপছায়া সারাদেশে শঙ্কার সঙ্গে তৈরি করেছে চমকও। গুজব রটিয়ে বাজার অর্থনীতিকে বেসামাল করা দুষ্ট চক্রের এক অপকৌশল। এতে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ ভোক্তা শ্রেণীই শুধু নয়, খুচরো বিক্রেতারাও। গত দুই মাস ধরে চলতে থাকা পেঁয়াজের ব্যবসায় ফুলে ফেঁপে উঠেছে শক্তিশালী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। পরিণামে সিংহভাগ জনগোষ্ঠী ও ছোট ব্যবসায়ীরা পড়েছে সব থেকে বেশি বিপাকে। যাই হোক, শেষ অবধি পেঁয়াজ আগের অবস্থায় ফিরে না এলেও কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে ভোক্তা শ্রেণীকে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে দিয়েছে। সাধারণ ক্রেতা গোষ্ঠী যখন পেঁয়াজকে তাদের হাতের লাগালে পেতে শুরু করেছে, তেমন মুহূর্তে রব ওঠে হঠাৎ করেই লবণ ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যা
গ্যাস বিস্ফোরণ

গ্যাস বিস্ফোরণ

চট্টগ্রাম মহানগরীর পাথরঘাটা এলাকায় এক ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে সাতজন নিহত এবং কয়েকজন আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন। সকালের দিকে ঘনবসতিপূর্ণ ওই এলাকায় বিস্ফোরণে ভবনসহ আশপাশের বাড়িঘরও কেঁপে ওঠে। পাঁচ তলার এই ভবনের নিচতলায় ঘটে এই বিস্ফোরণ। নিচ তলায় সন্ধ্যা রানী দেবনাথ সকাল বেলায় পূজার জন্য প্রদীপ জ্বালাতে গিয়ে এমন মারাত্মক দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে এমন ভয়াবহ বিস্ফোরণ হতে পারে। একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে গ্যাস লিকেজের কোন আলামত খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকেও গ্যাসজনিত কারণে বিস্ফোরণ হতে পাারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন, সিটি কর্পোরেশনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দুর্ঘটনার শিকার ভবনটি পরিদর্শন করেন। অনাকাক্সিক্ষত এই দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিক যে ক্ষয়ক্ষতি, তা শুধু প্রাণ সংহারই নয় ভবনসহ চারপাশের প্রাচীর বিধ্বস্ত হওয়ায় সম