বুধবার, এপ্রিল ১৪
Shadow

সম্পাদকীয়

বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলুন

বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলুন

সম্পাদকীয়
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর দেশের গুরুদায়িত্ব অর্পিত রয়েছে। নাগরিকের প্রাণের নিরাপত্তা এবং সম্পদ ও সম্পত্তির সুরক্ষায় তারা নিয়োজিত। সুতরাং এই বাহিনীর ওপর যারা জেনেবুঝে হামলা করে প্রকারান্তরে তারা দেশের মানুষের সামাজিক নিরাপত্তার জায়গাটিকেই বিপন্ন করতে চায়। একটি নির্দিষ্ট থানায় আক্রমণ সংঘটিত হলে ওই থানার শান্তি ও শৃঙ্খলা বিনষ্ট হওয়ার প্রবল ঝুঁকি তৈরি হয়। সম্প্রতি হেফাজতে ইসলাম এই কাজেই লিপ্ত হয়েছে। হেফাজতের বিক্ষোভকে ঘিরে তিন দিনের সহিংসতায় প্রায় ১০০ কোটি টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়েছে। সেই সঙ্গে এটিও যোগ করা জরুরী যে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরেও তারা আঘাত করেছে। ইউএনও-এসিল্যান্ড বা মাঠপর্যায়ের সব কর্মকর্তা সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন। সরকার যত আইন-বিধিনিষেধ আরোপ করে, তা তাদের মাধ্যমেই প্রয়োগ হয়। সামান্য লকডাউন করতে গেলেই দেখা যায় ইউএনওর গাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয় বা যে কোন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে গেলে...
বেকারদের খাদ্য সহায়তা

বেকারদের খাদ্য সহায়তা

সম্পাদকীয়
করোনা দুর্যোগে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্ব বিপন্ন দিশেহারা। গত বছরের জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই মহামারীর দাপটে দেশীয় অর্থনীতি থেকে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে মন্দার আভাস দৃশ্যমান হয়েছে তাতে বাংলাদেশও আক্রান্ত হয়েছে। বিশেষ করে ২৬ মার্চ থেকে পরবর্তী এপ্রিল-মে (২০২০) পর্যন্ত অবরুদ্ধতার যে কঠিন জাল বিস্তার করা হয় তাতে অনেকের চাকরি হারানো থেকে শুরু করে দৈনন্দিন রুজি-রোজগারেও এক অনাকাক্সিক্ষত দুর্যোগ তৈরি হয়। গত বছরের শেষের দিকে করোনার আকাল কিছুটা স্বস্তিদায়ক হলেও চলতি বছরের মার্চ থেকে তা নতুন বৈশিষ্ট্যে আবারও পূর্ণমাত্রায় ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার দৃশ্য সবাইকে আতঙ্কিতও করে দিচ্ছে। ফলে গতিশীল অর্থনীতির চাকা পুনরায় থমকে যাওয়ার আশঙ্কা মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে। করোনাকালের বেকার হয়ে যাওয়া অনেকেই এখন অবধি ঘরে বসে অলস ও অবসর সময় কাটাচ্ছেন। সরকার করোনার বিপন্নতায় হরেক রকম প্রণোদনা ছাড়াও খাদ্যপণ্য বিতরণ করাসহ ন্যায্যমূল্যে সাধারণ...
হেফাজতী তাণ্ডবের বিচার

হেফাজতী তাণ্ডবের বিচার

সম্পাদকীয়
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, দেশবিরোধী ধর্মাশ্রয়ী অপরাজনীতির চূড়ামনি হেফাজতের দুই ঘনিষ্ঠ দোসর হলো বিএনপি ও জামায়াত। এদের সম্মিলিত যোগসাজশে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর আয়োজনকালে ধারাবাহিকভাবে সন্ত্রাস-সহিংসতা সংঘটিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা হেফাজতের তা-বের চিত্র জাতীয় সংসদে তুলে ধরে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। এসব অপরাধ-অপকর্মের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ধর্মের নামে এই সমস্ত অধর্মের কাজ জনগণ কখনই মেনে নেবে না, সহ্য করবে না। কিছু লোকের জন্য ইসলাম ধর্মের বদনাম হবে সেটা কখনই মেনে নেয়া যায় না। জনগণ তা মেনে নেবে না। হেফাজতের সদস্যদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংসদে প্রধানমন্ত্রী যথার্থই হেফাজতের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আগুন লাগিয়ে জ্বালাও-পোড়াও করে তাদের নেতা বিনোদনের নামে অনৈতিক কর্মকা- করতে গে...
ছুটেছে মানুষ বেড়েছে দাম

ছুটেছে মানুষ বেড়েছে দাম

সম্পাদকীয়
হুজুগে বাঙালী বলে বহুল প্রচলিত একটা কথা আছে। আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন আকারে সরকারী ঘোষণা আসতে না আসতেই রাজধানীসহ প্রায় সারাদেশে পড়ে গেছে শোরগোল। বিশেষ করে ঢাকা ও চট্টগ্রামের কর্মজীবী ও শ্রমজীবী মানুষ নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে ছুটে যাওয়ার জন্য প্রায় মরিয়া হয়ে উঠেছে। যে যেভাবে পেরেছে হাতের কাছে যাই সহজলভ্য তাই বগলদাবা করে পড়িমরি করে ছুটে গেছে গণপরিবহন-স্বল্প ও দূরপাল্লার বাস স্টেশন, রেল স্টেশন, লঞ্চ ও স্টিমার ঘাটের উদ্দেশে। সর্বত্রই টিকেটের জন্য হাহাকার ও আহাজারি। অনেকটা ঠাঁই নেই ঠাঁই নেই ছোট এ তরীর অবস্থা আর কি। তদুপরি স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই ছিল না কোথাও। এত প্রচন্ড ভিড় ও জনসমাগমের মধ্যে তা মানা সম্ভবও নয়। অন্যদিকে সমস্তরকম গণপরিবহনে ৫০ শতাংশ অর্থাৎ অর্ধেক যাত্রী নেয়ার কথা থাকলেও কোথাও তা মানার বালাই ছিল না। ষাট শতাংশের বেশি ভাড়া নেয়ার কথা না থাকলেও নেয়া হচ্ছে কয়েকগুণ বেশি। যাত্রীদেরও তা নিয়ে ম...
লকডাউনে হোন দায়িত্বশীল

লকডাউনে হোন দায়িত্বশীল

সম্পাদকীয়
গত বছরের দিকে ফিরে তাকানো যাক। ২৫ মার্চ প্রথম ঘোষিত হয়েছিল করোনাজনিত ছুটি। প্রথম দফা ছুটি শেষ হওয়ার আগে ছুটি বাড়ানো হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে ছুটি বাড়িয়ে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছিল। এরই মধ্যে এসেছিল পবিত্র শব-ই-বরাত। করোনাভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধে মসজিদে না গিয়ে ঘরে বসে নামাজ পড়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। এবারে ফেরা যাক বর্তমানে। আজ সোমবার থেকে সরকার আপাতত এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছে। ছুটিও ছিল এক ধরনের লকডাউন। এবার করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে আগের চাইতে সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি। এবার ছুটি না বলে সরাসরি লকডাউনের ঘোষণা এসেছে। এ থেকেই পরিস্থিতির গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তবে শুক্রবার মেডিক্যাল ভর্তিচ্ছুদের পরীক্ষাস্থল এবং রাজধানীর প্রধান মসজিদে বিপুল সংখ্যক মানুষের জমায়েতে করোনাজনিত বিধিবদ্ধ স্বাস্থ্য সতর্কতা লক্ষ্য করা যায়নি। এটি উদ্বেগজনক। যা ক্ষতি হওয়ার হয়েছে,...
হেফাজতের তাণ্ডব

হেফাজতের তাণ্ডব

সম্পাদকীয়
আবার মাঠে নেমেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। আর এর পেছনে রয়েছে স্বাধীনতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধী দল জামায়াতে ইসলামী। মূলত হাটহাজারী মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মরহুম মৌলনা আলাম্মা শফীর মৃত্যুর পরই আলাদা হয়ে যায় হেফাজতে ইসলাম। জামায়াতে ইসলামের দখলে চলে যায় দলটি। এখন দলের নেতৃত্বে যারা আছে তারা মূলত বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী। এবার তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতার জন্মশতবর্ষের নানা উৎসব-অনুষ্ঠান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আসার বিরোধিতা ইত্যাদিকে ইস্যু করেছে। এসবের প্রতিবাদে তারা সংঘবদ্ধ ও সশস্ত্র হয়ে হাটহাজারী থানা আক্রমণ করেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেল স্টেশনে হামলা ও আগুন জ¦ালিয়েছে; ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ দখল করে পুলিশ-জনতা ও সাংবাদিকদের প্রতি ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছে, সর্বোপরি যাত্রাবাড়ী ও মালিবাগে সড়ক অবরোধ করে আগুন দিয়েছে বাসে। এর আগে সুনামগঞ্জে...
পবিত্র শব-ই-বরাত

পবিত্র শব-ই-বরাত

সম্পাদকীয়
আজ পবিত্র শব-ই-বরাত। শব-ই-বরাত কথার অর্থ সৌভাগ্য রজনী। পবিত্র কোরান শরীফে এই রাতকে বলা হয়েছে ‘লায়লাতুল মুবারাকাতুন’ অর্থাৎ, শুভ রজনী বা মঙ্গলময় রাত। প্রতিবছর শাবান মাসের ১৪ তারিখ রাতই হচ্ছে এই সৌভাগ্য রজনী। রাসূলে করিম (সা) বলেন, এই পবিত্র রাতে সমগ্র দুনিয়াবাসীর জন্য আল্লাহ্ পাকের করুণা বর্ষিত হয়। শব-ই-বরাতের পবিত্র রাতেই মানব জাতির জন্য লেখা হয় আমলনামা। যারা পরবর্তী বছর জন্মগ্রহণ ও মৃত্যুবরণ করবেন তাঁদের তালিকাভুক্ত করা হয় এ রাতে। আর এ কারণেই এ রাতকে বলা হয় ভাগ্য নির্ধারণের রজনী। পবিত্র এ রাতে কৃত অপরাধের জন্য অনুতপ্ত হয়ে অনুশোচনার সঙ্গে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলে তিনি ক্ষমা করে থাকেন। যারা এই পবিত্র রাতে বিনিদ্র থেকে একাগ্রচিত্তে পরম করুণাময় আল্লাহ তায়ালার এবাদত বন্দেগি করবেন, তাঁদের সকল গুনাহর খাতা আল্লাহ মাফ করবেন। কবুল করবেন তাঁদের আন্তরিক প্রার্থনা এবং আশা...
খুলছে না শিক্ষাঙ্গন

খুলছে না শিক্ষাঙ্গন

সম্পাদকীয়
করোনার বহুল সংক্রমণে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বছরব্যাপী ক্রান্তিকাল অতিক্রম করেছে। ছোঁয়াচে এই মহামারীর কারণে স্বাস্থ্যবিধি মানা ছাড়াও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এক অপরিহার্য শর্ত। সঙ্গত কারণেই অবরুদ্ধতার কঠিন জাল সবার আগে ফেলা হয় জাতির মেরুদণ্ড শিক্ষাকার্যক্রমে। এক বছরের বেশি ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া ছাড়াও পুরো পাঠ্যক্রমের শৃঙ্খলিত বলয়কে কিভাবে তার প্রাসঙ্গিক কর্মযোগে ফিরিয়ে নেয়া যেতে পারে সেটাই এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ভাবিয়ে তুলেছে। ইতোমধ্যে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক অক্সফোর্ড এ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ভারত থেকে আমদানি করে প্রয়োগ শুরু হয়েছে। সরকার অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে প্রতিষেধক টিকাটি সারাদেশে সফলভাবে সম্প্রসারিত করতে সচেতন দায়বদ্ধতার পরিচয়ও দিয়েছে। অন্যদিকে করোনা সংক্রমণও তার গতিকে নিম্নগামী করলে সবার আগে নজর গিয়ে পড়ে জ্ঞানচর্চার এই মুক্ত আলয়টিতে। করোনার দুঃসহ সঙ্কটকাল কিছুটা কাটত...
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী

সম্পাদকীয়
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০তম বছরটি এসেছে ব্যতিক্রমী বার্তা নিয়ে। একই সঙ্গে পালিত হচ্ছে মুজিবশতবর্ষ। এটি এমন একটি ক্রান্তিকাল কিংবা বলা যায় দুঃসময়, যখন বাংলাদেশসহ প্রায় সমগ্র বিশ্ব মোকাবেলা করছে ভয়াবহ প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯-এর। এ এক কঠিন প্রতিপক্ষ, অদৃশ্য প্রাণঘাতী ভাইরাসের বিরুদ্ধে মানুষের মরণপণ লড়াই। যে কোন মূল্যে যে কোন ত্যাগের বিনিময়ে এই লড়াইয়ে জিততে হবে মানুষকে। আশার কথা এই যে, বাংলাদেশও যথাযথ প্রস্তুতি ও সতর্কতা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে করোনা মোকাবেলায়। করোনা প্রতিরোধে সারাদেশে শুরু হয়েছে ভ্যাকসিন দান কর্মসূচী। সাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে মুজিববর্ষ- জাতির পিতা বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। তদুপরি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। সুতরাং স্বাধীনতার সূর্য উঠবেই, উঠেছেও। বিজয় নিশানও উড়ছে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে, ঘরে ঘরে, আকাশে-বাতাসে সর্বত্র। কেননা স্বাধীনতা অমলিন, চি...
কঠোর হচ্ছে সরকার

কঠোর হচ্ছে সরকার

সম্পাদকীয়
অপ্রিয় হলেও সত্য যে, বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যুহার বাড়ছে প্রতিদিন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকরা একে দ্বিতীয় নাকি তৃতীয় ঢেউ বলে আখ্যায়িত করবেন তা তারাই ভাল বলতে পারবেন। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তথা সরকার দেশের বর্তমান করোনা পরিস্থিতি দেখে রীতিমতো উদ্বিগ্ন। ইতোমধ্যে সরকারী-বেসরকারী হাসপাতালগুলোতে করোনায় আক্রান্ত রোগীর ভিড় বেড়েছে। দেখা দিয়েছে শয্যা সঙ্কট। আইসিইউ বেড পাওয়াও দুষ্কর হয়ে উঠেছে মুমূর্ষু রোগীদের জন্য। তদুপরি ঢামেকে আবশ্যিক অগ্নিকা-ে কয়েকটি আইসিইউ বেড পুড়ে গেছে। মৃত্যু ঘটেছে কয়েক রোগীর। দেশে করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার প্রস্তুতি চললেও বিশেষ করে ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে বাড়ছে সংক্রমণ। যে কারণে শিক্ষাঙ্গনসমূহ খুলে দেয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হলেও এই মুহূর্তে তা বাস্তবায়িত হচ্ছে না। রোজা ও ঈদের আগে তা হবে না বলেই প্রতীয়মান হয়। করোনায় বহির্বিশ্বের পরিস্থিতি আরও সঙ্গ...