সম্পাদকীয়

কৃষিতে ন্যানো প্রযুক্তি

কৃষিতে ন্যানো প্রযুক্তি

মাছে ভাতে বাঙালী এই প্রবাদটি হাজার বছরের। প্রবাদের এই উৎসের জোগান আসে আমাদের কৃষি থেকেই। বাড়ছে দেশের জনসংখ্যা, বাড়ছে খাদ্য চাহিদা। সেই সঙ্গে দিন দিন কমছে আবাদি জমি। তবুও আমাদের এই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্যের চাহিদা মেটাচ্ছে কৃষক। সেই চাহিদার পথ ধরে কৃষিতে নানা সময়ে এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। সেকেলে কাঠের লাঙ্গলের বদলে এখন ব্যবহার হচ্ছে ‘কলের লাঙ্গল’ ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার প্রভৃতি। অর্থাৎ কৃষি এখন প্রযুক্তিনির্ভর। ফলে ফলন বেড়েছে কয়েকগুণ। এ কারণে চাষাবাদে খরচ, শ্রম, সময় সবই কমেছে। আর বাড়ছে ফসল উৎপাদন, বদলাচ্ছে মানুষের ভাগ্যের চাকা, দেখা দিচ্ছে সৌভাগ্যের আলো। সেই কৃষি এবং কৃষকের জন্য আরও একটা সুখবরের কথা জানা গেল সোমবার। দেশের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য কৃষিকে নিরাপদ ও লাভজনক করে তুলতে ন্যানো প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পদার্থকে আণবিক ও পারমাণবিক পর্যায়ে পরিবর্তন ও নিয়ন্
গাজীপুর সিটি নির্বাচন

গাজীপুর সিটি নির্বাচন

বিস্তর জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। বিপুল ভোটে সেখানে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, দুই লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারও যথেষ্ট ভোট পেয়েছেন, এক লাখ ৯৭ হাজার ৮৯১ ভোট। প্রায় ৫৮ শতাংশ ভোট প্রদানের সংবাদটিও ইতিবাচক নিঃসন্দেহে। সাতজন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে এই দুজনের মধ্যেই। অন্য ৫ প্রার্থীর ভোটের হিসাবে আদৌ কোন খবর নেই। এ থেকে দেশে সরকারী দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বাইরে অন্য রাজনৈতিক দল বা শক্তির অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। এ প্রসঙ্গে কেউ কেউ জামায়াতে ইসলামীর কথা বললেও মূলত দলটি সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে ইতোমধ্যে স্বাধীনতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধী দল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং দলটিকে নিষিদ্ধ করারও দাবি উঠেছে জন
দেশ রক্ষার নির্বাচন

দেশ রক্ষার নির্বাচন

সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দলীয় প্রতীক নৌকাতে ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য নেতা-কর্মীদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। আর ছয় মাস পর ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন হতে যাচ্ছে। নির্বাচনে অংশ নিতে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ পুরোপুরি প্রস্তুত- এমনটাই দাবি করা হচ্ছে দলের পক্ষ থেকে। টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের লক্ষ্যে পরিকল্পনা মাফিক এগিয়ে যাচ্ছে দলটি। ডিসেম্বরে নির্বাচন হওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক’মাস আগে বলেছেন। তিনি নিজেও দলীয় প্রতীক নৌকার প্রচারে মাঠে নেমেছেন। প্রচারের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির জন্য কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের কৌশলগত দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। দলটির নির্বাচনী ইশতেহার প্রস্তুতির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়েছে। সংসদীয় তিন শ’ আসনেই ব্যাপক জরিপের মাধ্যমে সম্ভাব্য দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের কাজ এগিয়ে রেখেছে দলটি। দুই-তৃতীয়াংশ আসনে দলীয় প্রার্থ
নারী-টাইগারদের এশিয়া জয়

নারী-টাইগারদের এশিয়া জয়

আফগানিস্তানের মতো দলের সঙ্গে টি-২০ ক্রিকেটে আমাদের টাইগাররা যখন হোয়াইট ওয়াশ হয়ে দেশবাসীকে হতাশায় ডুবিয়ে দিয়েছিল, ঠিক সে সময়ে নারী ক্রিকেটাররা প্রথমবারের মতো কোন আন্তর্জাতিক ট্রফি দেশবাসীকে উপহার দিয়ে ঈদের আনন্দই যেন বাড়িয়ে দিল। ফাইনালে তারা ভারতের মতো শক্তিশালী টিমকে হারিয়েছে। এতে মানুষের খুশি যেন আরও বেড়ে গেল। কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং- তিন বিভাগেই নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়ে শিরোপা ঘরে তুলেছে সালমারা। নারীদের টি-২০ এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে ঐতিহাসিক শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ প্রমীলা ক্রিকেট দল। প্রথমে ফিল্ডিং করে ভারতকে ১১২ রানের মধ্যে বেঁধে ফেলতে সমর্থ হওয়ায় ঐতিহাসিক জয়ের হাতছানি শুরু থেকেই দেখা যাচ্ছিল। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের অগ্রযাত্রা খুব বেশি দিনের নয়। ২০১১ সালে তারা ওয়ান ডে স্ট্যাটাস লাভ করে। সেখানে ত
ভেজালকারীর কঠিন শাস্তি

ভেজালকারীর কঠিন শাস্তি

পবিত্র রমজান মাসে খাদ্যে ভেজালবিরোধী যেটুকু অভিযান চলছে, তাতেই বেরিয়ে আসছে ভয়াবহ সব চিত্র। নামী-দামী চেইনশপ ও হোটেল থেকে শুরু করে প্রসিদ্ধ বাজারÑ সর্বত্র ভেজালের ছড়াছড়ি। এমনকি বিক্রি হচ্ছে বাসি, পচা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাবারও। সর্বোপরি কীটনাশক ও রাসায়নিকের ঝুঁকি তো আছেই। এই অবস্থা কি চলতে দেয়া যায়? মানুষের আস্থার জায়গা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ব্রান্ড নেম বলে একটা টার্ম আছে। কোন কোম্পানির সুনাম একদিনে হয় না। কিন্তু দুঃখের বিষয় একবার সুনাম অর্জন হয়ে গেলে অধিক মুনাফার আশায় নামী-দামী প্রতিষ্ঠানগুলোই খাদ্যে ভেজাল মেশায় কিংবা খাদ্যের গুণগত মান রক্ষায় আর সচেষ্ট থাকে না। উদাহরণস্বরূপ ফখরুদ্দিনের বিরিয়ানির ওপর মানুষের অনেক আস্থা। তাই দাম বেশি হলেও এই প্রতিষ্ঠানের বিরিয়ানি মানুষ কিনে থাকে। অথচ পচা ও ছত্রাকপড়া খাবার মেশানোর অপরাধে এই প্রতিষ্ঠানকেই সেদিন ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হলো। অপরদিকে নান্দোসের মতো অভিজা
শেখ হাসিনার ভারত সফর ও কিছু মিডিয়া সৃষ্ট বিভ্রান্তি

শেখ হাসিনার ভারত সফর ও কিছু মিডিয়া সৃষ্ট বিভ্রান্তি

২৫ মে শান্তিনিকেতনে নব-উদ্যাপিত বাংলাদেশ ভবনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যকার শীর্ষ বৈঠক এবং পরদিন বিকেলে তাজ বেঙ্গল হোটেলে মমতা ব্যানার্জি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যকার একান্ত বৈঠক হয়েছে। সেখানে সাংবাদিক বা বাইরের কেউ ছিল না। সেখানকার কোন তথ্য বা সংলাপ বাইরে আসা সম্ভব না। তাই আনন্দবাজারসহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় একান্ত বৈঠক নিয়ে যেসব মনগড়া সংবাদ প্রচার করা হয়েছে তা নিতান্তই ভিত্তিহীন। ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথা শেখ হাসিনার সরকার না থাকলে ভারতের পশ্চিমে পাকিস্তান আছে পূর্বেও আর একটি পাকিস্তান নিয়ে ভারতকে থাকতে হবে’ বলে শেখ হাসিনার বক্তব্য হিসেবে যা এসেছে তা একান্তই মিডিয়া সৃষ্ট উদ্দেশ্য প্রণোদিত বিভ্রান্তিকর তথ্য। এ দুটি শীর্ষ বৈঠক ছাড়া বাকি অনুষ্ঠানগুলোতে আমি উপস্থিত ছিলাম। বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধনের সময়ে মমতা ব্যানার্জি যখন বক্তব্য রাখলেন সেখানে তিনি
শুভেচ্ছা দূতের আহ্বান

শুভেচ্ছা দূতের আহ্বান

ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করতে এসেছিলেন বলিউড তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৫টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী। তার এই আগমনে কিছুটা সময়ের জন্য হলেও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিশুদের মধ্যে আনন্দের তরঙ্গ উঠেছিল। এই সফরের অপর তাৎপর্যপূর্ণ দিক হচ্ছে বাংলাদেশের মানবকিতাকে তিনি বিশ্বের দরবারে প্রশংসাপূর্ণভাবে তুলে ধরেছেন। এর পাশাপাশি বিশ্ববাসীর কাছে আন্তরিক আহ্বানও রেখেছেন। বলেছেন, কিভাবে দুস্থ মানবতার পাশে দাঁড়াতে হয় সে ব্যাপারে বাংলাদেশের কাছ থেকে বিশ্বের শিক্ষা নেয়া উচিত। প্রায় ১১ লাখ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় প্রদানে বাংলাদেশের বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসাকালে তিনি এমন বলিষ্ঠ উচ্চারণ করেন। এ বলিউড তারকা রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনকালে সেখানে শিশুদের যে ভোগান্তি দেখেছেন সে সম্পর্কে তার অভিজ্ঞতা প্রধা
মধ্যপ্রাচ্যে নারী নিগ্রহ

মধ্যপ্রাচ্যে নারী নিগ্রহ

সৌদি আরবে গৃহকর্মে নিযুক্ত নারীরা প্রায় প্রতিদিনই ফিরে আসছে দেশে। গত কয়েক সপ্তাহে কয়েক শত নারী ফিরে এসেছে শাহজালাল বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনের মাধ্যমে। তাদের অধিকাংশই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে না চাইলেও গণমাধ্যমকর্মী, মানবাধিকারকর্মী ও থানা-পুলিশের কাছে যেসব রোমর্ষক নির্যাতনের বিবরণ দিয়েছে তা যেমন অমানবিক, তেমনি হৃদয়স্পর্শী। দুঃখজনক হলো এসব নারীর অধিকাংশই সে দেশে কায়িক শ্রম দেয়ার পাশাপাশি ভয়াবহ যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। সেখানে এ নিয়ে ন্যায়বিচার চাওয়ারও কোন রাস্তা নেই। সরকারী-বেসরকারী উভয় শ্রেণীর গৃহকর্মীর ক্ষেত্রেই একথা প্রযোজ্য। এর ফলে প্রায় কপর্দকহীন হয়ে তারা না ফিরতে পারছেন নিজের পরিবারে, না করতে পারছেন স্বামী-সন্তানের সংসার। মোটকথা এসব নারীর জীবনে নেমে এসেছে অমানিশার অন্ধকার। প্রশ্ন হলো, ভাগ্যবিড়ম্বিত অসুখবিসুখে জর্জরিত বিদেশ প্রত্যাগত এসব নারীর দায় নেবে কে? যেসব বাংলাদেশী অসহায় নারী গৃহকর্মী হ
পরিত্রাণ সুদূরপরাহত

পরিত্রাণ সুদূরপরাহত

কয়েকদিনের টানা বর্ষণে পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও চট্টগ্রামে পাহাড় ধসিয়া শতাধিক মানুষ প্রাণ হারাইয়াছিল মর্মান্তিকভাবে। তন্মধ্যে শুধু রাঙ্গামাটিতেই সেনা কর্মকর্তাসহ ৯৮ জন, বান্দরবানে ৭ জন এবং চট্টগ্রামে ২৫ জন মারা গিয়াছিল। জীবন্ত সমাধি হইয়াছিল অনেকের। নিশ্চিহ্ন হইয়া গিয়াছিল বহু পরিবার। দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টিকারী এই ঘটনা সংঘটিত হইয়াছিল মাত্র এক বছর আগে। আশা করা গিয়াছিল যে, সংশ্লিষ্ট সকলেই ইহা হইতে যথোচিত শিক্ষা গ্রহণ করিবেন। কিন্তু বাস্তবতা হইল, তাহার ন্যূনতম কোনো প্রভাবও পরিলক্ষিত হইতেছে না দুর্ঘটনাকবলিত জেলাগুলিতে। বিশেষ করিয়া চট্টগ্রাম মহানগরীর অর্ধশতাধিক পাহাড়ের পাদদেশে এখনো ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করিতেছে লক্ষাধিক মানুষ। পাহাড় ধসিয়া মৃত্যু সেখানে নৈমিত্তিক ঘটনা হইলেও সব চাইতে ভয়াবহ ধসের ঘটনাটি ঘটিয়াছিল ২০০৭ সালে। হূদয়বিদারক সেই ঘটনায় শুধু চট্টগ্রামেই মারা গিয়াছিল ১২৭ জন। সঙ
মাহে রমজান

মাহে রমজান

মানবজাতির জন্য রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের বার্তা নিয়ে আবারও ফিরে এলো মাহে রমজান। ইসলামের পাঁচটি রোকন বা স্তম্ভের মধ্যে রোজা অন্যতম। মহান আল্লাহতায়ালা প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ-সবল সকল মুসলমান নর-নারীর জন্য রোজা রাখা ফরজ বা বাধ্যতামূলক করেছেন। পবিত্র কোরানের সূরা বাকারার ১৮৩ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে : ‘হে মু’মিনগণ! তোমাদের জন্য সিয়ামের বিধান দেয়া হলো, যেমন বিধান তোমাদের পূর্ববর্তীদের দেয়া হয়েছিল; যাতে তোমরা সাবধান হয়ে চলতে পার।’ পরিশুদ্ধতা, খোদাভীতি অর্জন, ত্যাগ ও কৃচ্ছ্র সাধনের মাস এই মাহে রমজান। মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল কোরান নাজিল হয়েছে এ মাসেই। তাই সবদিক থেকে মুসলমানদের কাছে মাসটি অত্যন্ত গুরুত্ববহ ও তাৎপর্যপূর্ণ। রোজা মানুষকে আত্মশুদ্ধি, পবিত্রতা, ধৈর্য, সহনশীলতা ও ত্যাগের শিক্ষা দেয়। সৎ, সুন্দর ও ন্যায়নিষ্ঠভাবে জীবনযাপনের জন্য রোজার মাস হচ্ছে অনুশীলনের। এ মাসে মুসলমানগণ তাদের দেহ ও আত্মা পর