শনিবার, আগস্ট ৮
Shadow

সম্পাদকীয়

ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতি

ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতি

সম্পাদকীয়
করোনা মহামারী সঙ্কট একেবারে কেটে না গেলেও আস্তে-ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে বিশ্ব অর্থনীতি। এক্ষেত্রে প্রবল আশার আলো দেখাচ্ছে করোনা ভ্যাকসিন। বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনটি তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বাজারে আসার অপেক্ষায়। পিছিয়ে নেই যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, চীন এবং রাশিয়াও। করোনা প্রতিষেধক ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পথে এগিয়ে গেছে তারাও। তদুপরি দেশে দেশে লকডাউন প্রত্যাহারের পর স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে সর্বস্তরের জনজীবন। জীবিকার অনিবার্য তাগিদে মানুষ ফিরতে শুরু করেছে কাজকর্মে। করোনা দুর্যোগের দুঃসময়ে অনেকেই কর্মচ্যুত ও কর্মহীন হয়ে পড়লেও এখন আবার নতুন উদ্যমে খুঁজে বেড়াচ্ছেন কাজকর্ম। কলকারখানাও খুলতে শুরু করেছে। পুরোদমে না হলেও আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য, আমদানি-রফতানি শুরু হয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। অতিক্রম করেছে প্রতি ব্যারেল ৩০ ডলার। দেশে দেশে আ...
কোরবানির পশু প্রস্তুত

কোরবানির পশু প্রস্তুত

সম্পাদকীয়
ঈদ-উল-আজহার আর মাত্র দু’সপ্তাহের চেয়ে কিছু বেশি সময় বাকি। কিন্তু খামারিদের লালন-পালনকৃত কোরবানির গরু-ছাগল কেনার জন্য গ্রামীণ হাটবাজারে বেপারি ও ফড়িয়াদের তেমন আনাগোনা নেই। সঙ্গত কারণেই বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের। সারাদেশে কোরবানির জন্যে প্রস্তুত রয়েছে ১ কোটি ১৯ লাখ পশু। এই সংখ্যা গত বছর কোরবানিকৃত পশুর তুলনায় বেশি। এর অর্থ হলো, এবার প্রতিবেশী বা অন্য কোন দেশ থেকে পশু আমদানির প্রয়োজন পড়বে না। অবশ্য কয়েক বছর ধরেই প্রতিবেশী দেশটি থেকে কোরবানির সময় বৈধ পথে গরু আসা কমেছে। জনকল্যাণকামী সরকারের নীতি হচ্ছে দেশের খামারিরা কোরবানির পশুর ন্যায্য দাম পাক। তারা আর্থিকভাবে লাভবান হোক। তাই আমদানিনির্ভরতা না থাকাটাই সমীচীন। তারপরও খামারিদের কপালে এখন দুশ্চিন্তার ভাঁজ। এর মূল কারণ করোনাভাইরাসজনিত সার্বিক অর্থনীতির ভঙ্গুর দশা। আশঙ্কা রয়েছে, কোরবানির পশুর বড় গ্রাহক মধ্যবিত্ত শ্রেণী এবার...
টেলি মেডিসিনে আস্থা

টেলি মেডিসিনে আস্থা

সম্পাদকীয়
বাংলাদেশ এখন করোনা সংক্রমণের চরম দুঃসময় পার করছে। বহুল সংক্রমিত এই রোগটি থেকে সুরক্ষার মূল নিয়ামকই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। দ্রুত ছড়ানো এই করোনা তার আশপাশের মানুষদের সংক্রমিত করতে খুব বেশি সময় নেয় না। যথার্থ চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা পেতে আক্রান্ত রোগীদের ছুটে বেড়াতে হয় হাসপাতালে, চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। তবে এই মুহূর্তে অপ্রয়োজনীয় ভিড় এড়াতে মানুষের মধ্যে যে সচেতনতা তৈরি হয়েছে সেখান থেকে রোগীরা নিরাপদ দূরত্বে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চিকিৎসাসেবা নিতে অধিকতর মনোযোগী হয়েছে। শুধু কোভিড-১৯-এর সেবাই নয়, যে কোন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা ফোনকলের মাধ্যমে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তাদের স্বাস্থ্যসেবাকে নিরাপদ অবস্থায় নিতে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধাকেও হাতের নাগালে পাচ্ছে। মহামারীর এই দুঃসময়ে অন্য রোগে আক্রান্তরা হাসপাতালে যেতে অনীহা প্রকাশ করছে। আর করোনা ছাড়া ...
ভুতুড়ে বিলের দায় কার!

ভুতুড়ে বিলের দায় কার!

সম্পাদকীয়
সারাদেশ করোনা সংক্রমণে বিপর্যস্ত, দিশেহারা। অবরুদ্ধতার কঠিন আবর্তে দেশের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় নেমে আসে স্থবিরতা। করোনা দুর্যোগে বাড়তি বিপত্তি ছিল পানি, গ্যাস এবং বিদ্যুত বিল প্রদানের ক্ষেত্রে। যথাসময়ে বিল দিতে না পারা গ্রাহকদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাও দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুত কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। দেরিতে বিল পরিশোধে বাড়তি কোন টাকাও দিতে হয়নি সাধারণ গ্রাহকদের। বিদ্যুতের ব্যাপারে এমনও বলা হয়েছিল ন্যূনতম টাকা না থাকলেও বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে না। করোনা সঙ্কটকালে মানুষের ভোগান্তিকে আমলে নিয়েই সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হলেও বাস্তবে অগ্রহণযোগ্য চিত্রও উঠে এসেছে। ইতোমধ্যে সংবাদমাধ্যমে খবর হয়েছে গ্রাহকদের হয়রানির নানা ঘটনার। মার্চ থেকে মে পর্যন্ত গ্রাহকদের অতিরিক্ত বিদ্যুত বিলের চাপে হয়রানির দুঃসহ চিত্রও উঠে এসেছে। গ্রাহকরাই এই বাড়তি বিলের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে অভিযোগ করলে কর্তৃ...
ফেসবুকে অপচিকিৎসা

ফেসবুকে অপচিকিৎসা

সম্পাদকীয়
ভয়াবহ ও হন্তারক সংক্রামক ব্যাধি করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর আদৌ কোন নিদান নেই। অদ্যাবধি আবিষ্কৃত হয়নি কোন ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক, যা কার্যকর করোনা প্রতিরোধে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন করোনা আক্রান্ত রোগীকে নিরাময় করে তুলতে। কিছু ক্ষেত্রে প্রচলিত ওষুধ কিছু কাজ করলেও ব্যর্থ হচ্ছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে। তবে দুঃখজনক হলো, এমনিতে প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতিতে করোনার নিরাময় প্রায় অসম্ভব হলেও জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে করোনা নিরাময়ের আশ্চর্য সব নিদান এমনকি প্রেসক্রিপশন। কিছু মানুষ তা বিশ্বাসও করছে। হুমড়ি খেয়ে পড়ছে সে সব নিদান বা উপাদান সংগ্রহে। এমনকি এর জন্য অনেক টাকাপয়সা খরচ করতেও দ্বিধাবোধ করছে না। প্রচলিত এলোপ্যাথিক ওষুধের পাশাপাশি হোমিওপ্যাথি-আয়ুর্বেদ, ভেষজ এমনকি টোটকা চিকিৎসাও আছে। কেউ এমনও বলছেন, প্রতিদিন রৌদ্রে দাঁড়িয়ে থাকলে করোনা হবে না। কেউ বলছেন থানকুনিপাতা ...
গ্রামে প্রত্যাবর্তন

গ্রামে প্রত্যাবর্তন

সম্পাদকীয়
রাজধানী শহর ঢাকা গোটা দেশের মানুষের কাছেই বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। বহুজনের কাছেই স্বপ্নের শহর। ঢাকা নানা কারণেই দেশের মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান জুড়ে আছে। আধুনিকতার সর্বশেষ সংযুক্তিগুলো রাজধানীতেই ঘটে থাকে। অন্য শহরের তুলনায় রাজধানীতে নাগরিক সুবিধা থাকে তুলনামূলকভাবে বেশি। উন্নত শিক্ষা, উন্নত চিকিৎসা, উন্নত আবাসনসহ সার্বিকভাবে জীবনমানের উন্নয়নের জন্য দেশের বিরাট একটি অংশ বেছে নেয় রাজধানী শহরকেই। মফস্বলে পড়ুয়া তরুণের স্বপ্ন থাকে উচ্চ শিক্ষার জন্য রাজধানীতেই আসার। তবে সব শিক্ষার্থীর পক্ষেই ঢাকার শিক্ষালয়ে আসন পাওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। যারা ঢাকায় পড়তে আসে তাদের বড় অংশ এই শহরেই খুঁজে নেয় কর্মসংস্থান। তবে প্রাতিষ্ঠানিক শ্রমবাজারের বাইরেও থাকে বিশাল কর্মক্ষেত্র, যা অপ্রাতিষ্ঠানিক। এর বাইরে রয়েছে স্বকর্মসংস্থান। সব মিলিয়ে অর্থনৈতিক কারণে ঢাকা এক পর্যায়ে হয়ে উঠেছে স্বপ্ন পূরণের শহর। নদীভাঙ্গা মা...
প্রতি ৫ জনে ১ জন ঝুঁকিতে

প্রতি ৫ জনে ১ জন ঝুঁকিতে

সম্পাদকীয়
করোনা সংক্রমণের পর্যায় ক্রমিক উর্ধগতিতে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্ব রয়েছে মারাত্মক ঝুঁকিতে। করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যেমন বাড়ার দিকে, সুস্থ হওয়ার মানুষও কম নয়। সুতরাং অনেকে আক্রান্ত হলেও শারীরিক সক্ষমতায় রোগ প্রতিরোধ শক্তিতে অনেকেই করোনাকে জয়ও করছে। তবু কিছু বয়স্ক এবং অন্য রোগ-ব্যাধি দ্বারা আক্রান্ত মানুষ প্রচন্ড ঝুঁকির মধ্যে আছেন বলে বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা অভিমত ব্যক্ত করেছেন। মূলত আক্রান্ত ব্যক্তিদের মৃত্যু সংখ্যা থেকেই এমন পরিসংখ্যান বিবেচনায় আনা হয়। ধারণা করা হচ্ছে বিশ্বের ১০০ শত ৭০ কোটি মানুষ হরেকরকম জটিল রোগে ভুগছেন। তারা যদি কোভিড-১৯ দ্বারা আক্রান্ত হন তাহলে তাদের মৃত্যুর আশঙ্কা বেড়ে যায় অনেক বেশি। দেহের অভ্যন্তরে অন্য রোগের জটিলতায় প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি শারীরিক দৌর্বল্য ও বিপন্নতা তৈরি করে করোনা সংক্রমণের মোকাবেলায়। ‘দ্যালেনসেট গ্লোবাল হেলস’ জার্নালের এক গবেষণা নিবন্ধে এমন গুরুত্...
করোনাজয়ীদের নিয়ে পরিকল্পনা

করোনাজয়ীদের নিয়ে পরিকল্পনা

সম্পাদকীয়
বাংলাদেশে বহুল সংক্রমণ করোনাভাইরাস তার ব্যাপ্তি ছড়িয়ে যাচ্ছে। সেটাকে আমলে নিয়েও বলা যায় সুস্থতার সংখ্যাও সম্ভাবনার দিকনির্দেশনা করছে। এ দেশের সিংহভাগ খেটেখাওয়া মানুষ প্রতিনিয়ত লড়াই করে বেঁচে থাকে। করোনাভাইরাস নতুনভাবে তাড়িয়ে বেড়ালেও সাধারণ রোগ-ব্যাধিকে প্রতিরোধের পর্যাপ্ত শারীরিক সক্ষমতা অনেকের মাঝেই বিদ্যমান। আক্রান্তের সংখ্যা উর্ধগতি নিঃসন্দেহে, সুস্থতার হারও কম নয়। বরং মৃত্যুর সংখ্যাই পরিমিত। এখন অবধি ১.৩৫% বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায়। সুস্থতার হার প্রায় ৩৭.৫৫%। আক্রান্তের সংখ্যা ৯০ হাজার ছাড়িয়ে গেলেও সুস্থ হয়েছেন প্রায় ৩৪ হাজার। সংখ্যাটি অবশ্যই স্বস্তিদায়ক। সুস্থ হওয়া মানেই বহুল সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে জয়মাল্য পরা। করোনাজয়ীদের সম্ভাবনাময় অন্য পর্যায়টি হলো এ্যান্টিবডি তৈরি হওয়ার পর রক্তের প্লাজমা অন্যদের জীবন বাঁচাতে নিয়ামকের ভূমিকা পালন করে। আইসিই...
ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও করণীয়

ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও করণীয়

সম্পাদকীয়
করোনাভাইরাসের মহাসমরে জনজীবন এক ভয়াবহ বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে সঙ্কটকাল অতিক্রম করছে। সারাদেশে ছড়িয়ে পড়া এই সংক্রমণটি তার বহুল বিস্তারে প্রতিনিয়তই আক্রান্ত আর মৃত্যুর সংখ্যা বাড়িয়ে দিচ্ছে। আবার এমন শোচনীয় দুর্যোগকালে ডেঙ্গুর মতো আরও এক মরণব্যাধিকে যাতে শুরু থেকেই প্রতিরোধের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় নিয়ন্ত্রণ করা যায় সে ব্যাপারেও তীক্ষ নজর রাখা একান্ত আবশ্যক। ডেঙ্গুর ভয়াবহতায় গত বছর এমন সময়ে মহাদুর্ভোগ মোকাবেলা করতে হয়েছে দেশকে। মশাবাহিত এই রোগটি এডিস থেকে ছড়িয়ে থাকে। করোনার ওপর যদি এই ভয়াবহ ডেঙ্গু নতুন করে চেপে বসে তাহলে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে যাওয়াটা বিচিত্র কিছু নয়। বর্ষা ঋতু তার আগমনী বার্তায় ঝড়-বৃষ্টির উপস্থিতিও জানান দিতে দেরি করছে না। বৃষ্টি স্নাত মৌসুমেই এডিস মশা উৎপত্তির সময়। কারণ বৃষ্টির পানি ঘরের আশপাশে কিংবা বাগানে, ছাদে যদি কোন কারণে জমতে থাকে, সেখানেই এডিস মশা তার বংশবিস্তারই শুধু নয়,...
চীনা বিশেষজ্ঞ দলের বাংলাদেশ আগমন

চীনা বিশেষজ্ঞ দলের বাংলাদেশ আগমন

সম্পাদকীয়
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলা ও চিকিত্সায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা করিবার জন্য চীনের ১০ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল গত সোমবার ঢাকায় আসিয়াছে। এই দিন তাহারা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাইলে তাহাদের স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তাহারা বর্তমানে তাহাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শুরু করিয়াছেন। এই দেশে আসিয়া আমাদের চিকিত্সকদের সহিত বৈঠক করিতেছেন। পরিদর্শন করিতেছেন বিভিন্ন হাসপাতাল, কোয়ারেন্টাইন সেন্টার ও ল্যাব এবং প্রয়োজনে করোনা চিকিত্সার বিষয়ে সুপারিশ করিতেছেন। দিতেছেন দিকনির্দেশনা। তাহারা আগামী ২২ জুন পর্যন্ত এই দেশে অবস্থান করিবেন। করোনা মহামারির এই দুর্যোগকালে চীনের এই সহযোগিতায় বাংলাদেশের মানুষ আশান্বিত ও আনন্দে আপ্লুত। বাংলাদেশে কোভিড-১৯ শনাক্ত হইবার তিন মাস পর চীনের অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক দলের এই আগমন ঘটিল। এই ঘটনা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অত্...