বৃহস্পতিবার, মে ২৮
Shadow

সম্পাদকীয়

ভ্রাতৃত্ববোধ সার্থক হউক এই ঈদে

ভ্রাতৃত্ববোধ সার্থক হউক এই ঈদে

সম্পাদকীয়
ঈদ মানে আনন্দ। তবে এইবার দেশে ঈদ আসিয়াছে ভিন্ন এক আবহে। ঈদের ছুটিতে ঢাকা ফাঁকা করিয়া গ্রামের বাড়ি বেড়াইতে যাইবার ব্যাপার নাই। দূরপাল্লার পরিবহন সেই ২৬ মার্চ হইতে বন্ধ। অনেকে ছোটো ছোটো যানবাহনে করিয়া পথ ভাঙিয়া ভাঙিয়া গ্রামের বাড়িতে যাইতে চাহিয়াছিলেন। করোনার কারণে যেইখানে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা আবশ্যিক শর্ত, সেইখানে কিছু কিছু ফেরিতে উপচাইয়া পড়া মানুষের ঢল নামিয়াছিল। এই কারণে সরকার সমস্ত ধরনের নৌযান বন্ধ করিয়া দিয়াছে। এমন অবরুদ্ধ ঈদ মানুষ কোনো দিনও দেখে নাই। কেবল বাংলাদেশ নহে, বিশ্বের সকল স্থানের মুসলমানদের জন্যই এইবারের ঈদ ভিন্ন মাত্রা আনিয়াছে। সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতিপূর্বে করোনা ভাইরাসের জন্য ঈদের ছুটিতে পাঁচ দিন দেশব্যাপী পুরোটা সময় কারফিউ জারি করিয়াছে। বাংলাদেশে ঈদের ছুটির সময়ও কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য দেশের সকল পিসিআর ল্যাবরেটরিতে কাজ অব্যাহত থাকিবে। হাসপাতালগুলিতেও কোনো ঈদে...
শতবর্ষে বঙ্গবন্ধু: জুলিও কুরি শান্তি পদকের প্রাসঙ্গিকতা

শতবর্ষে বঙ্গবন্ধু: জুলিও কুরি শান্তি পদকের প্রাসঙ্গিকতা

উপসম্পাদকীয়, সম্পাদকীয়
মোনায়েম সরকার : বঙ্গবন্ধুকে বিশ্ব শান্তি পরিষদের সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদক প্রদান এক বিরল ঘটনা। বঙ্গবন্ধু আজ উপস্থিত না থাকলেও তার মহান আদর্শ, উদ্দেশ্য এবং তার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ আছে। আজকের পৃথিবী অশান্তির আগুনে দাউ দাউ করে জ্বলছে। চারদিকেই আজ মারণাস্ত্রের মহড়া চলছে মানুষ হত্যা করার জন্য। এই মুহূর্তে শান্তির বাণী আরো বেশি করে উচ্চারণ করা দরকার। একবিংশ শতকের এই চরম উৎকর্ষের কালেও জুলিও কুরি শান্তি পদকের প্রয়োজনীয়তা বিশ্বব্যাপী অনুভূত হচ্ছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক, বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালে ফ্যাসিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করেন। ফ্যাসিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদ নীতি পরিহার করে সবার সঙ্গে বন্ধুত্বের ভিত্তিতে তার বৈদেশিক নীতি ঘোষণা বিশ্ব মানবতার ইতিহাসে চির অম্লান করে রাখার লক্...
দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিন

দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিন

সম্পাদকীয়
দেশে করোনা পরীক্ষায় দীর্ঘসূত্রতার পাশাপাশি ভুল ফলের ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে। এ ছাড়া করোনা প্রাদুর্ভাবের পর অন্য রোগীদের ভোগান্তি বেড়েছে, বেড়েছে চিকিৎসাহীনতায় মৃত্যু। ভুক্তভোগীরা বলছেন, করোনা উপসর্গবাহীদের চাইলেই পরীক্ষা করানো যাচ্ছে না। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে যাদের পরীক্ষা হচ্ছে, তাদেরও দুই থেকে তিন দিন ঘুরতে হচ্ছে। এতে সময়মতো সঠিক চিকিৎসা না পাওয়ার ঘটনা বাড়ছে। অথচ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রথম থেকেই সতর্ক করে আসছিল যে, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় হচ্ছে পরীক্ষা। তাই যত বেশি পরীক্ষা হবে, শনাক্ত হবে এবং অন্যরা তখন সংক্রমণ থেকে বেঁচে থাকতে পারবে। অভিযোগ উঠেছে, সঠিক পরিকল্পনা না থাকায় করোনার পরীক্ষা নিয়ে এমন পরিস্থিতি হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সমস্যার বিশালতা অনুধাবন করতে পারেনি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কিছুটা দেরিতে পরীক্ষা সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা নমুনা সংগ্...
লকডাউনে জীবন-জীবিকা

লকডাউনে জীবন-জীবিকা

সম্পাদকীয়
সরকার করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবেলায় সরকারী-বেসরকারী অফিসে সাধারণ ছুটির মেয়াদ ষষ্ঠবারের মতো বাড়িয়েছে। এই ছুটির মেয়াদ চলবে ১৬ মে পর্যন্ত। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি অথবা অবনতি সাপেক্ষে এই ছুটির মেয়াদ বাড়ানো-কমানোর বিষয়টি নির্ভরশীল। ২৬ মার্চ থেকে প্রায় একটানা কার্যকর এই ছুটির কবলে পড়ে ৫২ দিন ধরে দেশ থাকছে কার্যত অবরুদ্ধপ্রায় তথা লকডাউনে। এই প্রেক্ষাপটে যে প্রশ্নটি অনিবার্য সামনে চলে এসেছে তা হলো, মানুষের জীবন না জীবিকা কোন্টি আগে! বর্তমান বিশ্বায়িত বিশ্বে এটি এক অদৃষ্টপূর্ব প্রশ্ন ও পরিস্থিতি। চীনের উহানে উদ্ভূত এই ভয়ঙ্কর হন্তারক মহামারীসদৃশ ভাইরাসটি আক্রান্ত করেছে প্রায় সমগ্র বিশ্বকে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন ও জার্মানিসহ উন্নত দেশগুলো পর্যন্ত এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে রীতিমতো নাজেহাল ও পর্যুদস্ত হয়ে পড়েছে। বিশ্বায়নের অর্থনীতি তো দূরের কথা, প্রায় সব দেশেরই দৈনন্দিন অর্থনীতির চাকা...
নিরলস কর্তব্য পালন

নিরলস কর্তব্য পালন

সম্পাদকীয়
প্রাইম ডেস্ক : দুর্যোগে কর্তব্য পালনে একনিষ্ঠ অবিচল ও অঙ্গীকারাবদ্ধ থাকাটাই মনুষ্যত্ব। কিছু পেশা বরাবরই ঝুঁকিপূর্ণ। সেসব পেশায় বিপদ কখনই বলে-কয়ে আসে না। আবার কোন পেশার ধর্মই হচ্ছে বিপদের সঙ্গে বসবাস। বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্রতই হচ্ছে রোগীকে সেবাদান, সেই রোগী যতই সংক্রমণ ব্যাধির কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হোক না কেন। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নিজেকে সুরক্ষার ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কৌশলের কথাও বলা হয়েছে। পিপিই বা পার্সোনাল প্রোটেকশন ইকুইপমেন্টে নিজেকে পূর্ণ সুরক্ষাদানের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু পুলিশের বেলায় সেটি দেখা যাচ্ছে না। সেটি শতভাগ অনুসরণও হযত অসম্ভব। কারণ তারা তো কেবল হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করেন না। সমাজের সর্বত্র সব পরিবেশে তাদের চলাচল করতে হয়। ফলে নিজেকে শতভাগ সুরক্ষিত...
মহান মে দিবস

মহান মে দিবস

সম্পাদকীয়
আজ মহান মে দিবস। বিশ্বের কোটি কোটি শ্রমজীবী মানুষের সংহতির দিন। ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৮৮৬ সালের এই দিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোসহ বড় বড় শহরে শ্রমিকরা দৈনিক আট ঘণ্টা কাজ ও শ্রমের ন্যায্য মজুরির দাবিতে সর্বাত্মক ধর্মঘট শুরু করে। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা মালিকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে মিছিল-সমাবেশ করে। এর আগে শ্রমিকরা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করত। দৈনিক ১৪-১৮ ঘণ্টা অমানুষিক পরিশ্রম করার পরও তারা ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত হতো। তারা শোষণেরও শিকার হতো। শ্রমিকের শ্রমের ওপর ভিত্তি করে সভ্যতা গড়ে উঠলেও তারা বরাবরই ছিল উপেক্ষিত। এমনকি তাদের নির্দিষ্ট কোন ছুটির দিনও ছিল না। এ শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে শ্রমিকরা সংঘবদ্ধ হতে থাকে। শোষণ-বঞ্চনার প্রতিবাদে সংঘবদ্ধ শ্রমিকরা ১৮৮৬ সালের ১ মে থেকে যে আন্দোলনের সূচনা করে তা চূড়ান্ত পরিণতির দিকে এগিয়ে যায় ৩ ও ৪ মে। শাসকগোষ্ঠী আতঙ্কিত ও দিশে...
শিশুদের উপর করোনার প্রভাব

শিশুদের উপর করোনার প্রভাব

সম্পাদকীয়
দেশে দেশে করোনা আক্রান্ত রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং লকডাউনের কারণে নানা নেতিবাচক প্রভাব পড়িতেছে সমাজে। ইহাতে ক্ষতিগ্রস্ত হইতেছে শিশু ও তরুণরাও। তাহারা বয়সের কারণে এমনিতেই সংবেদনশীল। এই সময় ঘরে এক প্রকার বন্দিজীবন কাটাইবার কারণে তাহারা রহিয়াছে অত্যধিক মানসিক চাপে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক শিশুকেন্দ্রিক উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন ১৩টি উন্নয়নশীল দেশে ‘চিলড্রেন ভয়েসেস ইন দ্য টাইম অব কোভিড-১৯’ শীর্ষক এক জরিপ পরিচালনা করিয়াছে। এই জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, করোনা দুর্যোগকালে শতকরা ৯১ ভাগ শিশু ও তরুণ মানসিক চাপ ও যন্ত্রণার মধ্যে রহিয়াছে। ইহার মধ্যে শতকরা ৭৫ ভাগ শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব আরোপের কারণে মানসিকভাবে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। মহামারির সময়ে তাহাদের জীবনে ছন্দপতনের জন্য এই জরিপে মোটা দাগে তিনটি কারণকে চিহ্নিত করা হইয়াছে। কারণগুলি হইল—শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকা, সামাজিক দূরত্বের কারণে মানসিক বেদ...
চাকরির বয়স শিথিলের বিষয় ভাবছে সরকার

চাকরির বয়স শিথিলের বিষয় ভাবছে সরকার

সম্পাদকীয়
করোনা ভাইরাস সঙ্কটের মধ্যে সারাদেশ লকডাউনে সব বন্ধ থাকায় যাদের চাকরিতে প্রবেশের বয়স চলে যাচ্ছে, মহামারী শেষে সরকারি চাকরির নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সময় তাদের বয়স শিথিলের বিষয়টি ভাবছে সরকার। গতকাল সোমবার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন ফোনে ইনকিলাবকে এ তথ্য জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে কারও নির্ধারিত বয়স পেরিয়ে গেলে ক্ষতিগ্রস্তদের বয়স শিথিলের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। সত্যিই যাদের ক্ষতি হবে তাদের জন্য বিকল্প অনেক কিছুই করা সম্ভব। বিশেষ পরিস্থিতিতে সকলের জন্য প্রণোদনার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর চিন্তাভাবনার মধ্যে রয়েছে। সাধারণ প্রার্থীরা ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা ৩২ বছর বয়স পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে নিয়োগের আবেদন করতে পারেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রার্থীদের জন্য বয়স শিথিল কর...
করোনা-ডেঙ্গু-ফ্লু!

করোনা-ডেঙ্গু-ফ্লু!

সম্পাদকীয়
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ ও দুঃসময় শেষ হতে না হতেই প্রায় সবার ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলতে শুরু করেছে ডেঙ্গু-ফ্লু-হাঁচি-কাশি-ইনফ্লুয়েঞ্জা ইত্যাদি। বলা বাহুল্য, ঋতু পরিবর্তনের এই ক্রান্তিকালে বিশেষ করে ইনফ্লুয়েঞ্জা, ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া বাংলাদেশের বিশেষ করে নগরবাসীর জন্য এক নিয়মিত রোগ-ব্যাধির মতো। ইতোমধ্যে রাজধানীসহ প্রায় সারাদেশে শুরু হয়েছে ঝড়-ঝঞ্ঝা-বজ্র ও বৃষ্টিপাতের মৌসুম। আবহাওয়াবিদরা আগাম বর্ষা ও বন্যার পূর্বাভাসও দিয়েছেন। এ সময় কমবেশি বৃষ্টিতে ভিজলে অনেকেরই সর্দি-কাশি-ইনফ্লুয়েঞ্জা হওয়া স্বাভাবিক। হচ্ছেও প্রায় নিয়মিত বিরতিতে। সমস্যা হলো এসব রোগের উপসর্গ প্রায় মিলে যায় করোনা আক্রান্তের সঙ্গে। ফলে কোন রোগী এসব উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসকদের চেম্বারে কিংবা হাসপাতালে পরামর্শের জন্য গেলে প্রায়ই প্রত্যাখ্যাত হন। করোনা রোগী সন্দেহে তাকে কোন পরামর্শ বা ব্যবস্থাপত্র দেয়া হয় না। বরং বলা হয় আগে করোনা পরীক্ষা কর...
বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা

বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা

সম্পাদকীয়
করোনাভাইরাসজনিত মহামারীর কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দায় বিশ্ব ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচীর (ডব্লিউএফপি) বলছে, অন্তত ৩৬টি দেশ, যেগুলোর মধ্যে রয়েছে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ল্যাটিন আমেরিকা, দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি হওয়ারসমূহ সম্ভাবনা, যদি না সময়োচিত যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তীব্র খাদ্য সঙ্কটে থাকা মানুষের সংখ্যা বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণ হতে পারে। উল্লেখ্য, বর্তমানে বিশ্বে সাড়ে ১৩ কোটি মানুষ তীব্র খাদ্য সঙ্কটে রয়েছে। করোনার কারণে তা বেড়ে দাঁড়াতে পারে সাড়ে ২৬ কোটিতে। হুমকির মুখে পড়বে অন্তত ৬ কোটি শিশু। খাদ্য সঙ্কটের পেছনে করোনার বাইরেও রয়েছে সিরিয়া-ইয়েমেনের মতো যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো। তদুপরি মহামারীতে পর্যটন খাত থেকে আয় বন্ধ হয়ে যাওয়া, রেমিটেন্সে ধস, আন্তর্জাতিক ব্যবসাবাণিজ্য...