বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২
Shadow

সম্পাদকীয়

অনলাইনে ভর্তিতে শঙ্কা

অনলাইনে ভর্তিতে শঙ্কা

সম্পাদকীয়
করোনার বহুল সংক্রমণে সবচেয়ে বিপন্ন অবস্থার শিকার জাতির মেরুদণ্ড শিক্ষা ব্যবস্থা। ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার যে দুঃসময় শুরু হয়, সেটা আজও চলমান। ফলে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে শিক্ষাকার্যক্রম। শ্রেণী পাঠ থেকে শুরু করে কোন পরীক্ষাই এ পর্যন্ত শুরু করা সম্ভব হয়নি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে। অনলাইনভিত্তিক পাঠ্যক্রম শুরু করা হলেও শেষ অবধি তা কতখানি সফল হয়েছে তা বলা যাচ্ছে না। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেয়া হয়েছে অটো প্রমোশন। সেখানে বিবেচনায় আনা হয়েছে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল। সেটাও বিভিন্ন প্রশ্নের অবতারণা করেছে। সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন ওঠে এসএসসিতে যারা মানসম্মত রেজাল্ট করেছে, এইচএসসিতেও কি তারা সবাই তেমন ফল করতে পারত? তার পরেও পরিস্থিতি বিবেচনায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও পরবর্তীতে উচ্চ শিক্ষায় ভর্তি কার্যক্রম, যা বিশ্ববিদ্যালয় অভিগমনের গুরুত্বপূর্ণ যাত্রা তা নিয়ে জটিলতা। শুধু ভর্তি পরীক্ষায়...
প্রযুক্তি পণ্য রফতানি

প্রযুক্তি পণ্য রফতানি

সম্পাদকীয়
দেশে তৈরি হার্ডওয়্যার-সফটওয়্যার ও প্রযুক্তি পণ্য বিদেশে রফতানি বাড়ার সুসংবাদটি এসেছে শনিবারের জনকণ্ঠে। দেশে গত দুই বছরে এই খাত থেকে দেড়-দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় এসেছে। নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশে মোবাইল ও ল্যাপটপ রফতানি করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। বিশ্বের ১৮০ দেশে বাংলাদেশের সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার রফতানির বাজার তৈরি হয়েছে, এটি বিস্ময়করই বটে। অন্যদিকে আউটসোর্সিংয়ে তরুণরা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছেন। এখন ভারতের কাছাকাছি টাকায় তরুণ প্রজন্ম আউটসোর্সিংয়ের কাজ পাচ্ছেন, এটিও ডিজিটাল বাংলাদেশের একটি অর্জন। আগামী বছরের মধ্যে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের টার্গেট নিয়েছে সরকার। আমরা আশাবাদী এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণের বিষয়ে। শুধু বিদেশে রফতানিই নয়, অভ্যন্তরীণ সফটওয়্যারের বাজারও বড় হচ্ছে। দেশের বাজার দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার। এর মধ্যে প্...
দক্ষ জনশক্তি

দক্ষ জনশক্তি

সম্পাদকীয়
দেশে দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনবলের যথেষ্ট অভাব রয়েছে-এ কথা সর্বজনবিদিত। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের শ্রমবাজারে এক কোটি বাংলাদেশী নিয়োজিত থাকলেও এবং তাদের কষ্টার্জিত প্রেরিত অর্থে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্ফীত হলেও অধিকাংশই দক্ষ ও প্রশিক্ষিত নয়। ফলে শ্রমবাজারে স্বভাবতই তাদের চাহিদা কম এবং তদনুযায়ী মজুরিও কম। কথা হলো, বিদেশের শ্রমবাজারে দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনশক্তির চাহিদা বাড়ছে দিন দিন। ফলে অপেক্ষাকৃত অনভিজ্ঞ ও অদক্ষ শ্রমজীবীদের চাহিদা কমছে এবং অনেকেই দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হচ্ছেন। এবার উচ্চ মাধ্যমিকে ১৩ লাখের বেশি পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করায় অনেকেই বঞ্চিত হবেন বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হতে। ভর্তি হতে না পারা সেসব শিক্ষার্থী অতঃপর কি করবেন? তাদের জন্য উন্নতমানের কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা করা গেলে তারা যেমন হাতে কলমে শিক্ষায় পারদর্শী হয়ে গড়ে উঠবেন, তেমনি দেশে...
বেড়েই চলছে ধর্ষণ

বেড়েই চলছে ধর্ষণ

সম্পাদকীয়
কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যেও নারী নির্যাতন তথা ধর্ষণের প্রাবল্য ও আধিক্য বেড়েই চলেছে। প্রায় প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও ঘটছে ধর্ষণ-খুন-নারী নিপীড়ন-নির্যাতনের ঘটনা। বাদ যাচ্ছে না পারিবারিক সহিংসতাও, যার প্রধান শিকার হচ্ছে নারী ও শিশু। ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে এক নববধূকে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগ নামধারী কতিপয় দুর্বৃত্ত। এর রেশ শেষ না হতেই নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ঘটে এক নারীকে বিবস্ত্র ও নির্যাতন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এর ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ন্যক্কারজনক ঘটনা। এই ঘটনাটি ছাড়িয়ে যায় মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও। একই সঙ্গে রয়েছে রাজশাহীতে গির্জায় যাজক কর্তৃক কিশোরীকে, কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসার সুপার কর্র্তৃক শিক্ষার্থীকে এবং লালমনিরহাটে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের খবর। হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়া নারী নির্যাতন ও ধর্ষকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে দেশ। প্রতিবাদ-বিক্ষোভ-মানববন্ধনে রাজধানীসহ অন্তত ৩৫টি জেলা...
পেঁয়াজ চাষে ঋণ

পেঁয়াজ চাষে ঋণ

সম্পাদকীয়
শুল্ক কমিয়ে ১১টি দেশ থেকে আমদানির উদ্যোগ নেয়া হলেও পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না কিছুতেই। সরকার টু সরকার পদ্ধতিতে মিয়ানমার থেকে জরুরী ভিত্তিতে টেকনাফ হয়ে পেঁয়াজ আসতে শুরু করলেও পেঁয়াজের দাম শত টাকা কেজির নিচে নামছে না। ভারতীয় পেঁয়াজের দাম কিছু কম হলেও মান ভাল নয়। ভারত বাংলাদেশকে না জানিয়ে আকস্মিক রফতানি বন্ধ করে দেয়ায় দেশে রাতারাতি বেড়ে যায় পেঁয়াজের দাম। তুরস্ক থেকে চলতি মাসে এক লাখ টন পেঁয়াজ এসে পৌঁছলে দাম কি দাঁড়ায় সেটা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তবে ইতোমধ্যে আমদানিনির্ভর না থেকে দেশেই পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়াতে চায় সরকার। এর জন্য দেশের অভ্যন্তরে পেঁয়াজের চাষসহ উৎপাদন বাড়াতে প্রয়োজনীয় ঋণ দেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ নিয়ে বাণিজ্য, কৃষি ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় একটি বৈঠকও হয়েছে। তৈরি হয়েছে প্রস্তাবনা ও গাইডলাইন কৃষককে ঋণ দেয়ার। বলতেই হবে, এটি একটি সময়োচিত ও সঠিক সিদ্ধান্ত...
নারী নিপীড়ন

নারী নিপীড়ন

সম্পাদকীয়
নারী নিপীড়ন ও নির্যাতন সামাজিক অভিশাপের এক ভয়ঙ্কর চিত্র। সমাজের অর্ধাংশ এই গোষ্ঠী অত্যাচার আর নিপীড়নের শিকার হওয়ার ঘটনা সংবাদ মাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ খবর। প্রতিদিনই বলতে গেলে এমন দুঃসহ ঘটনা সবাইকে হতবাক ও বিষণœ করে তোলে। ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে সারাদেশে বিক্ষোভ আর প্রতিবাদের ঝড় উঠলেও যথার্থ বিচারিক কার্যক্রম দীর্ঘসূত্রতার আড়ালে পড়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অপরাধীরা ধরা পড়লেও পরবর্তীতে তারা জামিনে মুক্তি পেয়ে সদম্ভে বিচরণ করতে থাকে। বিচারহীনতার এই অপসংস্কৃতি সমাজে অপরাধের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। যেখানে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্তদের শাস্তির আওতায় আনা অপরিহার্য, সেখানে সংশ্লিষ্টরা ছাড়া পেয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াতে দ্বিধা করে না। সঙ্গত কারণে নীতি-নৈতিকতা আর মানবিকবোধের স্খলন প্রতিনিয়তই সমাজকে তাড়া করে বেড়ায়। নির্যাতনের শিকার নারীদেরও সমাজ শান্তি আর স্বস্তিতে থাকতে দেয় না। ক...
মানবতার জননী

মানবতার জননী

সম্পাদকীয়
বিশ্বে অধিকারবঞ্চিত, শোষিত, নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত মানুষের ত্রাণকর্তা হিসেবে যুগে যুগে আবির্ভূত হয়েছেন বহু মহামানব। শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে, জেল-নির্যাতন মোকাবেলা করে অভীষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হয়েছে তাদের অনেককে। ২৩ বছর পাকিস্তানের জেল-জুলুম-নির্যাতন সহ্য করে, বারবার মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে ১৯৭১ সালে অধিকারবঞ্চিত বাঙালীর স্বাধীনতা এনেছিলেন বাঙালীর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি ছিলেন মানবদরদী নেতা। সারাবিশ্বে তাঁর পরিচিতি ছিল শোষিত মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে। তাঁর কন্যা এখন বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায়। চার চারবারের প্রধানমন্ত্রী। মানবিক মনোভাবের কারণে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা এখন বিশ্বে একটি বহুল আলোচিত নাম। তার নামের আগে পরে কোন বিশেষণ যোগ করার দরকার হয় না। এক কঠিন সংগ্রামের পথ বেয়ে তিনি আজ স্বপ্রতিভায় স্বমহিমায় বিকশিত। পিতার সুযোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করেছ...
এনআইডি জালিয়াতি

এনআইডি জালিয়াতি

সম্পাদকীয়
জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুতের কার্যক্রম শুরু হলে দেশবাসী আশাবাদী হয়ে উঠেছিলেন। পরবর্তীকালে এই পরিচয়পত্রের নম্বর নাগরিকদের নানা কাজে সংযুক্ত করার বিধান গড়ে ওঠে। মানুষও এতে অভ্যস্ত হয়ে যাান। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজে জালিয়াতি বা দুর্নীতি হবে না এমনটাই ছিল প্রত্যাশিত। কেননা ভুয়া পরিচয় দিয়ে পরিচয়পত্র তৈরি হলে ওই পরিচয়পত্রধারী নানা অপরাধমূলক কর্মকা-ে জড়িত হলে তাকে দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হয় না। দেশের নাগরিক না হয়েও কোন ব্যক্তি, সে রোহিঙ্গা হোক বা ভিন্ন কোন দেশের নাগরিক হোক, বাংলাদেশী হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবে। এখন পাসপোর্টেও এই পরিচয়পত্র নম্বর যুক্ত করার বিধান রয়েছে। ফলে ভুয়া এনআইডি কাজে লাগিয়ে পাসপোর্ট গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে ভিনজাতি ও ভিনদেশীদের অন্য দেশে ভ্রমণ ও অবস্থানের আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না। এতে দেশের ভাবমূর্তিই বিপন্ন হবে। এনআইডি জালিয়াতি আগেও হয়েছে, তবে এর পেছনে...
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ

সম্পাদকীয়
করোনার দাপটে সারা বিশ্ব সন্ত্রস্ত, দিশেহারা। শনাক্ত ও মৃত্যুর হার প্রতিদিনই আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। প্রথম সংক্রমণের দেশ চীনও সম্পূর্ণ করোনামুক্ত হতে পারেনি। ইউরোপ-আমেরিকার বিভিন্ন দেশে করোনার মহাদুর্ভোগ এখনও তার সংক্রমণের বৃত্ত থেকে বের হয়ে আসতে পারেনি। আর দক্ষিণ এশিয়ার ভারত, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান এখনও এই সংক্রমণের বিপক্ষে ক্রমাগত লড়াই করে যাচ্ছে। প্রথম থেকেই আশঙ্কা করা হচ্ছিল শীতপ্রধান দেশেই সংক্রমণের হার বেশি। সঙ্গত কারণেই মৃত্যুর সংখ্যাও কমানো সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশে এখন শরৎকাল। পরবর্তীতে হেমন্ত ও শীতের আগমনী বার্তায় প্রকৃতিকে অন্য আঙ্গিকে নিয়ে যাবে। ঋতু বৈচিত্র্যের এই দেশে ক্রমান্বয়ে শীতও জাঁকিয়ে বসবে। আর এই শীতের মধ্যেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। শনাক্তের হার যে কোন সময় বাড়ার অশনিসঙ্কেতও আসছে। ঋতু পরিবর্তন এবং শীতের শুরুতে সর্দি, কাশি, জ্বরের প্রকোপ লেগেই থা...
শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে আসছে নানা কর্মসূচি

শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে আসছে নানা কর্মসূচি

শিক্ষাঙ্গন, সম্পাদকীয়
॥ করোনাপরবর্তী স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে প্রতিটি জেলায় নিয়োগ হচ্ছে মনোবিজ্ঞানী ॥ দরিদ্রদের শিক্ষাঋণ প্রদানের পরিকল্পনা ॥ দূরশিক্ষণ বছরজুড়ে চালু রাখার উদ্যোগ ॥ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্য-সরঞ্জাম সরবরাহ হবে করোনা সংক্রমণের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ প্রায় সাত মাস। এ মহামারীর কারণে বাড়ছে দারিদ্র্য। দারিদ্র্য বৃদ্ধি পেলে সঙ্গত কারণেই বাড়বে সব স্তরে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার। উপার্জনের জন্য শিক্ষা ছেড়ে শ্রমে যুক্ত হতে বাধ্য হবে দরিদ্র পরিবারের শিশুরা। বেড়ে যাবে বাল্যবিয়ে, বিশেষ করে মেয়েদের। বর্তমানে মাধ্যমিক স্তরে স্কুল ছাড়ার হার ৩৭ শতাংশ এবং প্রাথমিক স্তরে ১৮ শতাংশ। দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদরা মনে করেন, করোনার কারণে ঝরে পড়ার এ হার প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাবে। তাই করোনাপরবর্তী স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু এবং শিক্ষার্থীদের ব্যাপক হারে ঝরে পড়া রোধ করতে বেশকিছু...