সম্পাদকীয়

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ

বাংলাদেশে বেসরকারি খাতে শিক্ষাব্যবস্থার প্রভূত উন্নয়ন ঘটিয়াছে। ব্যক্তি ও সামষ্টিক উদ্যোগে দেশে হাজার হাজার স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে। যেসব শিক্ষানুরাগী এইসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করিয়াছেন তাহারা সমাজে চিরস্মরণীয় হইয়া আছেন। কিন্তু যে কোনো প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা যত সহজ, টিকাইয়া রাখা ততই কঠিন। এইসব প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে যাহারা থাকেন, কিছুদিন না যাইতেই তাহাদের মধ্যে দায়িত্বশীলতা ও একনিষ্ঠতার অভাব দেখা দেয়। একসময় নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগও উঠিতে থাকে যাহা প্রতিষ্ঠানের উন্নতির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক। ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সেই অভিযোগ সত্য বলিয়া প্রমাণিত হয়। দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও তাহা প্রযোজ্য। এইসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, আর্থিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা তদারকি ও লেখাপড়ার মানোন্নয়নের জন্য সৃষ্টি করা হইয়াছে পরিচালনা পর্ষদ। স্কুলে এই
নারীর উদ্যোগে সহায়তা

নারীর উদ্যোগে সহায়তা

নারী উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার যুগোপযোগী নীতি ও কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে আসছে। এর ফলে ব্যবসায়ে শিক্ষিত নারীর অংশগ্রহণও বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের ব্যবসাবান্ধব নীতির কারণে ২০০৯ সালের তুলনায় ২০১৭ সালে সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীরা শিল্পায়ন ও ব্যবসায় অধিকহারে সম্পৃক্ত হয়েছেন। একই সময়ে একজন নারীর উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার পথে সামাজিক ও পারিবারিক সমর্থনও আগের চেয়ে জোরদার হয়েছে। ব্যবসায়িক ঋণ গ্রহণে নারী উদ্যোক্তারা বিশেষ সহায়তা পাচ্ছেন এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারে তারা অনেক এগিয়ে গেছেন। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন পরিচালিত ‘এসএমই নারী উদ্যোক্তা : বাংলাদেশ পরিপ্রেক্ষিত ২০১৭’ শীর্ষক গবেষণার ফল প্রকাশ করা হয়। এ অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী সরকারের নারীবান্ধব নীতির উল্লেখ করতে গিয়ে বলেছেন, নারীদের বাদ দিয়
স্কুল থেকেই শুরু হোক

স্কুল থেকেই শুরু হোক

বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে সড়ক, রেল, নৌ এবং বিমান চলাচলকে সাধারণ মানুষের নাগালে পৌঁছে দিতে সরকার প্রতিনিয়ত তার কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। সড়ক ব্যবস্থাপনায় নতুন রাস্তা, উড়াল সেতু, কালভার্টসহ আরও আনুষঙ্গিক বিষয়ে সরকারের সমস্ত উন্নয়ন প্রকল্প দৃশ্যমান হতে খুব বেশি সময় লাগছে না। যাত্রীবাহী আধুনিক ট্রেন নিয়েও সরকারের জনবান্ধব কর্মযোগ জনগণের প্রতিদিনের জীবনের আবশ্যিক পর্যায়। তেমন কর্মোদ্যোগে নতুনভাবে সংযোজিত হলো আরও একটি ট্রেন সার্ভিস। বুধবার সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করলেন ঢাকা-কুড়িগ্রামে লেনে নতুন আন্তঃনগর ট্রেন কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস। গণভবন থেকে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাতায়াত ব্যবস্থার রেল পথের অপার সম্ভাবনাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় আনেন। শুধু তাই নয়, দেশের যোগাযাগ মাধ্যমের সব সূচকের সমন্বয় সাধন এবং উন্নয়ন তৎপরতা বাড়ানো ছাড়া পুরো কাঠ
কমিউনিটি ক্লিনিক

কমিউনিটি ক্লিনিক

বর্তমানে প্রায় ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক সারাদেশে মা ও শিশুদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে। এসব কেন্দ্র থেকে ৩০টি মারাত্মক রোগের ওষুধও দেয়া হচ্ছে বিনামূল্যে। সরকারের এই জনস্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম জাতিসংঘ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বিশ্বব্যাংকসহ বহির্বিশ্বে বিপুল প্রশংসা কুড়িয়েছে। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী সবিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন দেশে আবহমানকাল ধরে প্রচলিত ও অনুসৃত চিকিৎসা এবং ওষুধপত্রের ওপর, যার মধ্যে রয়েছে ভেষজ, আয়ুর্বেদিক, ইউনানী ও হোমিওপ্যাথি। তবে এসব চিকিৎসা পদ্ধতি অবশ্যই আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত হতে হবে। সেই সঙ্গে ওষুধ ও পথ্য হতে হবে মানসম্মত। একই সঙ্গে দেশে রোগ নির্ণয়সহ আনুষঙ্গিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সর্বাধুনিক প্যাথল্যাব প্রতিষ্ঠাসহ দক্ষ জনবল গড়ে তোলার ওপর যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বিশ্বের স্বাস্থ্যকর দেশের তালিকায় ইতোমধ্যে উঠেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান
শতাধিক অর্থনৈতিক অঞ্চল

শতাধিক অর্থনৈতিক অঞ্চল

উন্নয়নের অব্যাহত অগ্রযাত্রায় সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ বিশ্বে আজ দৃশ্যমান, নজরকাড়া। কিছু কিছু ক্ষেত্রে একেবারে রোল মডেল। অর্থনীতির প্রধান সূচক কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং অবকাঠামো উন্নয়নে দেশের মানসম্মত এগিয়ে যাওয়া এক বিরাট বিস্ময়। মেগা প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ গতিপ্রবাহ নতুন বাংলাদেশ গড়ার এক যুগোপযোগী কর্মদ্যোতনা। কৃষিনির্ভর বাংলাদেশ উন্নত চাষাবাদ প্রক্রিয়ায় ধান, মাছ, সবজি ও ফলফলাদি উৎপাদনে মাত্রা বিশ্বে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় নিজের অবস্থান জোরালো করেছে। কৃষির আধুনিকায়ন, চাষাবাদে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার, তার চেয়েও বেশি উৎপাদনকারী শ্রেণীর প্রতি বিশেষ দায়বদ্ধতায় অর্থনীতির এই খাতকে সমৃদ্ধ করতে সময়ও লাগছে না। আধুনিক রাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নয়নের অন্যতম সূচক শিল্পায়নের মাধ্যমে নতুন নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। নতুন শিল্পাঞ্চল তৈরি ও বিনিয়োগের সমূহ সম্ভাবনা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। এভাবে অবারিত উন
ঢাকার ট্রাফিক সিগন্যাল

ঢাকার ট্রাফিক সিগন্যাল

রীতিমতো লজ্জাবনত হতে হয় এই ভেবে যে, রাজধানী ঢাকার ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা আজ পর্যন্ত অটো তথা আধুনিক তথা ডিজিটাল হলো না! অথচ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নিয়মিত প্রদক্ষিণ করছে পৃথিবীর কক্ষপথ। বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য ও ধ্যান-জ্ঞান যথার্থ অর্থে একটি আধুনিক এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং তার রাজধানী ঢাকাকে যথোপযুক্ত করে গড়ে তোলা। বাস্তবে রাজধানীর কোথাও কোন ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা আদৌ যে কাজ করছে না তা না বললেও চলে। প্রায় সর্বত্রই যানবাহনের চলাচল ও গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা হয় এ্যানালগ পদ্ধতিতে, হাতের সাহায্যে, যার মালিক অগণিত ট্রাফিক পুলিশ। জানি না এর মাধ্যমে এত বিপুলসংখ্যক ট্রাফিক পুলিশের চাকরির সুরক্ষা অপরিহার্য ও সুনিশ্চিত হয় কিনা। অন্যদিকে অসহায়ভাবে দাঁড়িয়ে থেকে ট্রাফিক সিগন্যালগুলোর লাল-সবুজ-হলুদ বাতি অযথা ও অহেতুক জ্বলে-নিভে বিদ্যুত অপচয়ের ভ্রুকুটিসহ। মূলত এবং প্রধানত এ কারণেই বুঝি রাজধানীর যানজ
হাসিনা-মোদি বৈঠক

হাসিনা-মোদি বৈঠক

দিল্লীতে শনিবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আনুষ্ঠানিক বৈঠকটি ছিল রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচারের বাইরেও আন্তরিক ও হৃদ্যতাপূর্ণ। স্বীকার করতে হবে যে, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক, পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসে পরিপূর্ণ, বন্ধুত্বপূর্ণ সর্বোপরি সুনিবিড় বন্ধনে আবদ্ধ। নিছক দেয়া-নেয়ার কেতাবি হিসাব-নিকাশ এবং কূটনৈতিক নিয়মে এর মূল্যায়ন করা ঠিক হবে না। বরং দু’দেশের পারস্পরিক ‘উইন উইন’ অবস্থানই এই সম্পর্কের মূলমন্ত্র। দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে দুই দেশ মোট ৫৩ অনুচ্ছেদের যে দীর্ঘ বিবৃতি প্রকাশ করেছে তাতে তিনটি প্রকল্প ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধনের পাশাপাশি সাতটি অনুচুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের উল্লেখ রয়েছে। এবারের তিনটিসহ গত এক বছরে ভিডিও লিঙ্ক মারফত মোট ১২টি প্রকল্প উদ্বোধন করা হলো যৌথভাবে। এসব প্রকল্প যথাসম্ভব দ্রুত বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে দেয়া আর্থিক ঋণের
প্রবাসীদের ভোট

প্রবাসীদের ভোট

সিঙ্গাপুরে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভোটার করার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উদ্যোগ প্রশংসাযোগ্য। তবে ইসির জনবল যে সিঙ্গাপুরে গিয়ে কাজ করবে সে বিষয়ে দেশটির কাছ থেকে এখনও কোন সবুজ সঙ্কেত পাওয়া যায়নি। সে কারণেই বিষয়টির সুরাহা হয়নি। অর্থাৎ সেখানকার বাংলাদেশী নাগরিকদের ভোটার হওয়ার আশা পূরণ হয়নি। শুধু সিঙ্গাপুর নয়, বিশ্বের বহু দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশীদের এখন পর্যন্ত ভোটার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি। এটি প্রবাসীদের জন্য মনোপীড়ার কারণ। প্রাথমিকভাবে ইসি দশটি দেশের প্রবাসীদের ভোটার করার কাজ শুরু করেছে। চলতি বছরের শুরুতে দিল্লীতে ‘নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহজগম্যকরণ’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অবশ্য আশার বাণী শুনিয়েছিলেন। প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরুর জন্য সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কুয়েত, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, অস্ট্রেলিয়
প্রবাসী আয়ে প্রণোদনা

প্রবাসী আয়ে প্রণোদনা

অর্থমন্ত্রী তার কথা রেখেছেন। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশীরা দেশে তাদের প্রেরিত কষ্টার্জিত অর্থ প্রেরণ সাপেক্ষে নগদ সহায়তা তথা প্রণোদনা পেতে শুরু করেছেন। এই প্রণোদনা হবে ২ শতাংশ হারে। তদুপরি ১ হাজার ৫০০ ডলার পর্যন্ত পাঠানোর ক্ষেত্রে কোন প্রশ্ন করা হবে না। এর বেশি হলে পাসপোর্টের কপি, বিদেশী কোম্পানির নিয়োগপত্র, ব্যবসা করলে নথিপত্র ইত্যাদি লাগবে। তবে প্রতিদিন প্রতিবারে দেড় হাজার ডলার করে যত ইচ্ছা টাকা পাঠানো যাবে। আর প্রতিবারই মিলবে নগদ সহায়তা। উল্লেখ্য, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে তিন হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয় প্রণোদনার জন্য। সে থেকে ইতোমধ্যে ছাড় করা হয়েছে ১ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা। অতঃপর গত ১ জুলাই থেকে বিশ্বের যে কোন দেশ থেকে যে বা যারাই রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন, তারা সবাই পাবেন প্রণোদনা। এর ফলে চলতি অর্থবছরে প্রবাসী আয় বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১ হাজার ৮০০ কোটি থেকে ২ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। যা এখন
দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই

দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই

বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার অবস্থান গ্রহণের বিষয়টি বার বার সুস্পষ্ট করেছে দেশবাসীর সামনে। সর্বস্তরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রকাশ্য ও পরোক্ষ কার্যক্রম পরিচালনার নীতিটিও যে সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে নিয়েছে সেটিও দেশবাসীর কাছে পরিষ্কার। তবে সম্প্রতি দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে জোরালো অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, তা যেন নজিরবিহীন। কেননা এটির যাত্রা শুরু শাসক দলেরই নিজ ঘরের মাধ্যমে। প্রথমে সরকারী দলের সমর্থনপুষ্ট ছাত্র সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এরপরই নিজ দলের যুব সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের দুর্নীতি হাতেনাতে ধরে তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। এই অভিযান তথা সরকারের এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটা অত্যন্ত স্পষ্ট যে, সরকারের উচ্চপর্যায়ের, আরও স্পষ্ট করে বললে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক সদিচ্ছা ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা থেকেই এই ইতিবাচক উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নিজের দলের দুর্নীতিগ্রস্ত চক্রর বিরুদ্ধে যথ