সম্পাদকীয়

সৌদি-বাংলা সম্পর্ক

সৌদি-বাংলা সম্পর্ক

বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে। পারস্পরিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে উভয় দেশই। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থনীতি এবং সামরিক ক্ষেত্রে সহায়তার বিষয়ে উভয় দেশ অনেকটা পথই পাড়ি দিয়েছে। সংস্কারের মাধ্যমে সৌদি আরব তাদের পুরনো অনেক ধ্যান-ধারণায় পরিবর্তন এনেছে। রক্ষণশীল সমাজের খোলস থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সামাজিক সংস্কারেরও নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক অগ্রগতি মাঝপথে বাধা পড়েছে তেল রফতানিতে দাম কমে যাওয়ায়। বাংলাদেশ সৌদি আরবের সঙ্গে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে সম্পর্ককে গভীর বন্ধনের পথে এগিয়ে নিতে সবসময় সচেষ্ট। তাই সৌদি আরবের আমন্ত্রণে সে দেশের সরকারের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত সামরিক জোটে বাংলাদেশ অংশ নিয়েছে। এই জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মিলনে মাসব্যাপী এক বিশাল যৌথ সামরিক মহড়ার সমাপনী অনুষ্ঠান ‘আল জুবাইলে গলফ শিল্ড’ শীর্ষক এই কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অংশ নেন। উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরা
বিদায় ১৪২৪

বিদায় ১৪২৪

ঈশানের পুঞ্জমেঘ অন্ধবেগে ধেয়ে চলে আসে/বাধাবন্ধহারা/গ্রামান্তরে বেণুকুঞ্জে নীলাঞ্জনছায়া সঞ্চারিয়া/হানি দীর্ঘধারা।/বর্ষ হয়ে আসে শেষ, দিন হয়ে এল সমাপন,/চৈত্র অবসান/গাহিতে চাহিছে হিয়া/পুরাতন ক্লান্ত বরষের/সর্বশেষ গান।’ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের কথা এটি। সেকালের কথা এটি। আজ পুরনো-ক্লান্ত বরষের সর্বশেষ গান একালে আমাদেরও গাইতে ইচ্ছে করছে। আজ ১৪২৪ সনের শেষদিন। রাত পোহালেই বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ সন। অনেক ঘটনা, অনেক স্মৃতি, হাসি-কান্না তথা আনন্দ-বেদনার স্মৃতিবিজড়িত বছরটি আজ চলে যাবে মহাকালের গর্ভে চিরকালের মতো। আর কোনদিন একে খুঁজে পাওয়া যাবে না। দিন পেরিয়ে রাত পোহালেই আসবে আরেকটি বছর, নতুন বাংলা বছর। নতুন বছরকে সবাই স্বাগত জানাবে। আনন্দে মাতবে দেশের মানুষ। বর্ষবরণ অনুষ্ঠান হবে সব স্থানে, বিশেষভাবে হবে রাজধানীতে। আমাদের দৈনন্দিন রাষ্ট্রীয়, সামাজিক এবং ব্যক্তিগত কাজে ইংরেজী বছর ব্যবহৃত হলেও বাংলা বছর প্রাণের
ঐতিহাসিক ১০ এপ্রিল

ঐতিহাসিক ১০ এপ্রিল

আজ ঐতিহাসিক ১০ এপ্রিল। প্রবাসী মুজিবনগর সরকার গঠন দিবস। ১৯৭১ সালের এদিন বাংলাদেশের মানুষের মমতা, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রবাসী সরকার গঠন করা হয়। এটি ছিল একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। ২৫ মার্চ মধ্যরাতে বঙ্গবন্ধু দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তারই ধারাবাহিকতায় গঠিত হয় এই সরকার। ২৫ মার্চ রাতে নিরস্ত্র বাঙালীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী। সারাদেশে তা-ব সৃষ্টির মাধ্যমে নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে তারা। দলে দলে লোক পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে আশ্রয় নেয়। তৎকালীন আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সিদ্ধান্ত নেন প্রবাসী সরকার গঠনের। লক্ষ্য দেশকে হানাদারমুক্ত করা, বাঙালীর স্বাধীনতা নিষ্কণ্টক করা। সিদ্ধান্ত হয় ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (পরে মুজিবনগর) প্রবাসী এই সরকারের শপথ গ্রহণ ও আনুষ্ঠানিক যাত্রার শুরু করার। সেই সিদ্ধান্ত অনুসারে ১৭ এপ্রিলের শপথের জন্য ব্যাপক উদ্যোগ নে
খরার পূর্বাভাস

খরার পূর্বাভাস

বাংলা বছরের শেষার্ধে চৈত্রের দাবদাহের প্রকোপ দেখা না গেলেও আগামীতে তাপমাত্রা বৃদ্ধিসহ তীব্র খরার পূর্বাভাস দিয়েছেন আবহাওয়া ও জলবায়ু বিজ্ঞানীরা। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল এয়ারোনটিকস এ্যান্ড স্পেস এ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নাসা) ও ন্যাশনাল ওসেনিক এ্যান্ড এ্যাটমসফেরিক এ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নোয়া) ক্লাইমেট ডাটা সেন্টার চলতি বছর সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পূর্বাভাস দিয়েছে। সংস্থা দুটির মতে, উষ্ণম-লীয় সমুদ্র রাত এল নিনোর প্রভাবে এবার দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর তাপমাত্রা বাড়বে, যা ৪৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস অতিক্রম করতে পারে। এর ফলে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা হবে খরাকবলিত। ফলে পানির অভাবে কৃষি জমি ও জীববৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হতে পারে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাবে। ফলে ধান উৎপাদন হবে ব্যাহত। দেখা দেবে সুপেয় পানির অভাব। বাংলাদেশ অবশ্য এ বিষয়ে সজাগ ও সচেতন। প্রধানমন্ত্রী গত বছর ওয়ান প্ল্যানেট সামিটে যোগ দিতে গিয়ে
প্রবৃদ্ধি ৭.৬৫

প্রবৃদ্ধি ৭.৬৫

বাংলাদেশ সম্প্রতি স্বল্পোন্নত দেশ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার সামর্থ্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশের এই উত্তরণ স্বীকৃতি পেয়েছে বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘ কর্তৃক। বিশ্বব্যাংক এই স্বীকৃতি দিয়েছে আয়ের ভিত্তিতে। অন্যটি আয়ের পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে, যেটি হিসাব করেছে জাতিসংঘ। গত কয়েক বছরে মাথাপিছু জাতীয় আয়, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা তিনটি সূচকেই লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার মর্যাদা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৪ সাল নাগাদ আমরা এ থেকে বের হয়ে ঠাঁই পাব মধ্যম আয় তথা উন্নত দেশের তালিকায়। এই প্রেক্ষাপটে চলতি অর্থবছরের প্রাথমিক হিসাবে ৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন নিঃসন্দেহে সুখবর ও স্বস্তিদায়ক। প্রথমবারের মতো জাতীয় প্রবৃদ্ধি প্রায় আটের কাছাকাছি। অবশ্য এর কারণও আছে।
প্রশ্নফাঁস রোধে সবাইকে আন্তরিক হইতে হইবে

প্রশ্নফাঁস রোধে সবাইকে আন্তরিক হইতে হইবে

আজ সোমবার শুরু হইতেছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। বিগত কয়েক বত্সর ধরিয়া পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস যেন মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিকট আতঙ্কে পরিণত হইয়াছে। প্রশ্নফাঁস রোধে সরকার নিঃসন্দেহে আন্তরিক। কিন্তু সর্বশেষ গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষাতেও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠিয়াছে। প্রশ্নফাঁসকে শিক্ষাবিদরা তুলনা করিতেছেন ভয়ানক ব্যাধির সহিত। এইবার এসএসসি পরীক্ষা শুরুর ২৪ ঘণ্টা পূর্বে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ম্যাসেঞ্জারসহ নানান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁস হইয়া যায় প্রশ্ন। অনেকে রাতেই ফেসবুকে পোস্ট করিয়াছেন প্রশ্নপত্রের মূল কপি। সেই কারণে আজ হইতে শুরু হওয়া এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা যাহাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় তাহার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করিয়াছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরীক্ষা শুরুর মাত্র ২৫ মিনিট পূর্বে প্রশ্নের সেটকোড জানানো হইবে। পরীক্ষার দিন সকালে কলেজগুলিকে ট্রেজারি হইতে সংগ্রহ করিতে
মহান স্বাধীনতা দিবস

মহান স্বাধীনতা দিবস

আজ ২৬ মার্চ, আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস। এ দিন একটি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতার জন্য এ দেশের মানুষকে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করতে হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে হানাদার পাকিস্তানী বাহিনী এ দেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র নিয়ে পিলখানা, ইপিআর, রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ছাত্রাবাস ও শিক্ষকদের বাসস্থানে হামলা চালায় এবং বিভিন্ন স্থানে আগুন জ্বালিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। বস্তি, টার্মিনালসহ জনবহুল এলাকায় ঝঁাঁপিয়ে পড়ে ঘুমন্ত মানুষের ওপর। তাদের এই ভয়াবহ তান্ডব চলে সারারাত। এই রাতেই বঙ্গবন্ধুকে তাঁর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। এর পূর্বক্ষণে, ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। মূলত ২৬ মার্চ প্রত্যুষেই শুরু হয় বাংলার গণমানুষের সশস
আজ গণহত্যা দিবস

আজ গণহত্যা দিবস

আজ ২৫ মার্চ। ’৭১-এর এই দিনের ভয়াল রাতে প্রাণ উৎসর্গ করেছিলেন যাঁরা তাঁদের সবার প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা। এবারের ২৫ মার্চ এসেছে নতুন বার্তা নিয়ে। এতদিন ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের দাবি ছিল সর্বস্তরের মানুষের। অবশেষে গত বছর জাতীয় সংসদে প্রস্তাব পাসের মাধ্যমে দাবি পূরণ করেছে সরকার। এবার দিবসটিকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সম্মান জানাতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে এ বছর সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ২৫ মার্চ গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবিতে রাত ৯টা ১ মিনিটে নিষ্প্রদীপ ও নীরবতা পালন করা হবে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর বর্বরোচিত ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের এবং আন্তর্জাতিকভাবে এ দিবসের স্বীকৃতি আদায়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। শুধু তাই নয়, মার্চকে আন্তর্জাতিকভাবে গণহত্যা দিবস পালনে জাতিসংঘকে প্রস্তা
শূন্যপদে নিয়োগ

শূন্যপদে নিয়োগ

চাকরি সোনার হরিণ বলা যায় এদেশে। আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়ার মতোই যেন চাকরি প্রাপ্তি। মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা, কর্মকুশলতা থাকার পরও যোগ্য ব্যক্তি পায় না চাকরি। এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে কর্মোপযোগী বেকারের সংখ্যা কমবেশি সাড়ে চার কোটি। অপর এক হিসাবে চাকরি প্রত্যাশী যোগ্য বেকারের সংখ্যা ৫৬ লাখের মতো। অবশ্য অক্ষরজ্ঞানসম্পন্নদের সংযুক্ত করেও সাড়ে চার কোটির হিসাব ধরা হচ্ছে। দেশে বিভিন্ন শ্রেণীর শূন্য থাকা সরকারী পদ রয়েছে আড়াই লাখের মতো। এসব শূন্য পদে নিয়োগ ঝুলতে ঝুলতে এই সংখ্যায় দাঁড়িয়েছে। যথা সময়ে যথা পদে নিয়োগদান করা না হলে প্রশাসনিক কাজে বিঘ ঘটতে পারে। এমনিতেই দেশের প্রশাসন ব্যবস্থা খুব ঢিলেঢালা। যেন খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি। এর মধ্যে অনেক পদ রয়েছে, যাদের কোন কাজকর্ম নেই। কর্তাদের নিজস্ব স্বার্থে বা অন্য কোন কারণে এসব পদসৃষ্টি করা হয়েছিল। আবার সরকারের এমন অনেক দফতর রয়েছে, যেগুলো নেই কাজ তো খৈভাজ জ
যেই ভাষণ আজ বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল

যেই ভাষণ আজ বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল

আজ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ। এই দিনে শুধু আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি তাত্পর্যপূর্ণ মাইলফলকই রচিত হয় নাই, সেই সাথে বাঙালির ইতিহাসেও যোগ হইয়াছিল অসামান্য এক সম্পদ। সেইটি হইল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রদত্ত ভাষণ। জাতির জীবনের এক মহাক্রান্তিলগ্নে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানের বিশাল জনসমুদ্রে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা হিসাবে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ ভাষণটি দিয়াছিলেন। ইউনেস্কো যাহা সম্প্রতি অনুধাবন করিয়াছে, বাংলার মুক্তিকামী মানুষ বলিতে গেলে তাত্ক্ষণিকভাবেই এই ভাষণের গুরুত্ব উপলব্ধি করিতে সক্ষম হইয়াছিল। সকলেই জানেন, বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে পাকিস্তানি হানাদারকবলিত চরম অন্ধকারাচ্ছন্ন দিনগুলিতে এই ভাষণই তাহাদের সাহস জোগাইয়াছে, দেখাইয়াছে স্বাধীনতার পথ। এই ভাষণের মন্ত্রে উজ্জীবিত হইয়াই বাংলার দামাল ছেলেরা দলে দলে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করিয়াছিল। যত্সামান্য প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জাম লইয়া মরণপণ যুদ্ধে ঝাঁপাইয়া