স্বাস্থ্য

মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হার রোধে সরকারের অভাবনীয় সাফল্য

মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হার রোধে সরকারের অভাবনীয় সাফল্য

নিজস্ব প্রতিবেদক : মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হ্রাসে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ। পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ বছরে দেশে মাতৃমৃত্যুর হার প্রায় ৬০ শতাংশ এবং শিশুমৃত্যুর হার প্রায় অর্ধেক কমেছে। আর এজন্য মাতৃমৃত্যু রোধে সরকার ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) পাশাপাশি অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারী সংস্থা নানা কর্মসূচী ও প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।বর্তমান সরকারের অনেক সাফল্যের অন্যতম দেশব্যাপী কমিউনিটি ক্লিনিক। ১৯৯৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের প্রতিটি জেলায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্পের অধীনে একটি করে কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। ২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে তা বাস্তবায়ন করেনি। পরবর্তীতে ২০১৪ সাল থেকে দেশে ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করেছে আওয়মী লীগ সরকার। সরকারী টার্গেট অনুযায়ী এ সংখ্যা ১৮ হাজারে উন্নীত করার কাজ চলমান।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সব ধরণের প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সব ধরণের প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশকে মেধাশুন্য করে নতুন প্রজন্মকে পথভ্রষ্ট করে ভবিষ্যত বাংলাদেশের মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দিতে প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল দেশ বিরোধী কিছু চক্র। শিক্ষা ব্যবস্থাকে ভেঙ্গে দিয়ে বর্তমান সরকারকে চাপে ফেলতেই এসব অপকর্ম করছিল কিছু অসাধু চক্র। বিগত কয়েক বছর ধরে পাবলিক পরীক্ষা চলাকালীন প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সরকারের এসব ইতিবাচক পদক্ষেপে উপকৃত হয়েছেন শিক্ষার্থী, বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া চাকরি প্রত্যাশী এবং অভিভাবক মহল। এর আগে সরকারকে বিব্রত করতে বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তবে প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে এবার যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। জাতির মেরুদণ্ড শিক্ষা ধ্বংসের এ মরণ খেলা বন্ধ করতে হার্ডলাইনে অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী। এ নিয়ে কাজ করছে বিভিন্ন বিভ
প্রতিটি বিভাগে সরকারি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিটি বিভাগে সরকারি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

প্রাইম ডেস্ক : আওয়ামী লীগ সরকার পুনরায় ক্ষমতায় এলে দেশের প্রতিটি বিভাগে সরকারি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় সিলেট মেডিক্যাল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করার প্রস্তাব আজ (বৃহস্পতিবার) সংসদে উঠবে এবং পাস করা হবে বলেও জানান তিনি। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অধীনে প্রতিষ্ঠিত সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ প্রুতিশ্রুতি দেন। দেশে চিকিৎসাসেবা আন্তর্জাতিকমানের হতে হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চিকিৎসকদের জন্য আরও গবেষণা কেন্দ্র খুলবো যাতে তারা গবেষণার প্রতি আরও জোর দিতে পারেন।’ চিকিৎসকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের চিকিৎসাসেবায় চিকিৎসকদের নিজের জীবন উৎসর্গ করতে হবে। মানুষ সুষ্ঠু চিকিৎসাসেবা পাবে
রক্ত পরীক্ষায় শনাক্ত করা যাবে ক্যান্সার

রক্ত পরীক্ষায় শনাক্ত করা যাবে ক্যান্সার

প্রাইম ডেস্ক : কম খরচে ক্যান্সার শনাক্তকরণ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ। যে প্রযুক্তির মাধ্যমে একজন রোগীর দেহে কোন ধরনের যন্ত্রপাতির প্রবেশ ছাড়াই ক্যান্সার আছে কি-না সেটি শনাক্ত করা সম্ভব হবে। অল্প সময়ের মধ্যেই এই প্রযুক্তি বলে দেবে কোন ব্যক্তির শরীরে ক্যান্সার আছে কি নেই। এতে খরচ পড়বে ৫০০ টাকারও কম। এর ফলে প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে গিয়ে এখন থেকে রক্ত পরীক্ষা করেই সম্ভাব্য ক্যান্সার শনাক্ত করা যাবে। বুধবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) যৌথভাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। হায়ার এডুকেশন কোয়ালিটি এনহান্সমেন্ট প্রজেক্টের (হেকেপ) আওতায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সিলেটের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন
লিভার সিরোসিসের লক্ষণ ও চিকিৎসা

লিভার সিরোসিসের লক্ষণ ও চিকিৎসা

ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল : লিভার সিরোসিস-আৎকে ওঠার মতো একটি রোগের নাম । সিরোসিস শুনলেই যেন মনে আসে আরেকটি আরো ভয়াবহ রোগের নাম, ‘লিভার ক্যান্সার’। সিরোসিস আর ক্যান্সার সাধারণ মানুষের কাছে একে অপরের সমার্থক। অথচ ব্যাপারটি কিন্তু ঠিক তা নয় ।  সিরোসিস কি? সিরোসিস লিভারের একটি  ক্রনিক রোগ যাতে লিভারের সাধারণ আর্কিটেকচার নষ্ট হয়ে যায় । ফলে লিভার হারায় তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা। অনেক ক্ষেত্রেই লিভার সিরোসিস থেকে লিভারে ক্যান্সারও দেখা দিতে পারে। তবে এসব কোন কিছুই হার্ট অ্যাটাক বা ব্রেন স্ট্রোকের মতো সহসা ঘটে না। সিরোসিস আক্রান্ত রোগী বহু বছর পর্যন্ত কোনো রকম রোগের লক্ষণ ছাড়াই স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন । ব্যাপারটা অনেকটা এরকম- ধরা যাক আমাদের লিভারটা একটা আধুনিক এপার্টমেন্ট যাতে সব আধুনিক সুযোগ সুবিধাই বিদ্যমান। এই এপার্টমেন্টের একটি কল নষ্ট থাকতে পারে কিংবা নষ্ট থাক
হাড়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায়

হাড়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায়

ডা. তানজিয়া নাহার তিনা : মানবদেহের অন্যতম প্রয়োজনীয় অঙ্গ হাড়। সুস্থ হাড় মানে শক্ত পরিকাঠামো, সচলতা এবং আঘাত থেকে সুরক্ষা। শরীরের সুস্থতার জন্য হাড়কে সুস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি। কারণ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সহায়তাকারী পদার্থ ক্যালসিয়ামের সঞ্চয়স্থান হলো হাড়। তাই হাড়ের সুস্থতা রক্ষা করা খুবই প্রয়োজনীয়। এজন্য প্রয়োজন নিয়মিত পুষ্টিকর খাদ্যগ্রহণ এবং সঠিক শরীরচর্চার। একজন পূর্ণবয়স্ক মানবদেহে হাড়ের সংখ্যা ২০৬টি এবং একজন শিশুর তা ৩০০টি। শরীরকে সচল রাখতে এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গকে রক্ষা করতে সাহায্য করে হাড়। হাড় মূলত প্রোটিন এবং খনিজ পদার্থ, ক্যালসিয়াম, ফসফেট এবং ম্যাগনেসিয়াম দিয়ে তৈরি। শরীরের ৯৯ শতাংশ ক্যালসিয়াম হাড়ে জমা থাকে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ হাড়কে সুস্থ রাখে। এছাড়া ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন- ডি ও ভিটামিন- কে ইত্যাদি হাড় সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। হাড়ের
স্বাস্থ্যসেবায় আমরা ভারত থেকে এগিয়ে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যসেবায় আমরা ভারত থেকে এগিয়ে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে প্রথমবারের মতো জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের জাতীয় কর্মসূচির উদ্বোধন হয়েছে পাবনায়। শনিবার (১৪ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট পাবনা জেনারেল হাসাপাতালে কয়েকটি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার কারণে দেশে স্বাস্থ্য বিভাগে অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ স্বাস্থ্যসবার ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। স্বাস্থ্যসবায় বাংলাদেশ ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপের চেয়ে এগিয়ে আছে। তিনি বলেন, মিয়ানমারের নির্মমতার কারণে বাংলাদেশে ১০ লাখ রোহিঙ্গা প্রবেশ করে। অনেক দেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে রাজি হয়নি। কিন্তু
সরকারের স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কমিউনিটি ক্লিনিক

সরকারের স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কমিউনিটি ক্লিনিক

নিজস্ব প্রতিবেদক  : বর্তমান সরকারের অনেক উন্নয়নমূলক কাজ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো কমিউনিটি ক্লিনিক। কমিউনিটি ক্লিনিকের ধারণাটি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার চিন্তা থেকে এসেছে। দেশে কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্যসেবা গ্রাম পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। স্বাস্থ্য সহকারীরা তাদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার আলোকে কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা প্রদান করছেন। তারা দেশের তৃণমূল পর্যায়ে দরিদ্র মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন। স্থানীয় জনগণের প্রতিনিধিরা এই স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র পরিচালনায় অংশ নিচ্ছেন। বর্তমানে দেশে ১৩ হাজারের বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। এসব ক্লিনিকের মাধ্যমে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, প্রজননস্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনাসেবা, টিকাদান কর্মসূচি, পুষ্টি, স্বাস্থ্যশিক্ষা, পরামর্শসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হয়। স্থানীয় পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে শিশুস্বাস্থ্য উন্নয়নে  ক
সমাজ কি তাহলে চূড়ান্ত ধ্বংসের পথে?

সমাজ কি তাহলে চূড়ান্ত ধ্বংসের পথে?

 ডা. তারাকী হাসান মেহেদী  : বাচ্চা পেটে আসার ২৮ সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চা নষ্ট করলে সেটাকে এবরশন বা গর্ভপাত বলে। আমাদের দেশে আইন অনুযায়ী, এবরশন বা গর্ভপাত নিষিদ্ধ হলেও এর সংখ্যা দিনে দিনে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। শুধুমাত্র ২০১৪ সালেই দেশে প্রায় ১২ লাখ এবরশন করানো হয়। (সূত্র: গুটম্যাকার, ২০১৭)। সবচেয়ে চিন্তার দিক হল, এবরশন পরবর্তী জটিলতায় মাতৃমৃত্যুর হারও বাড়ছে। ২০১০ সালে যেখানে এবরশনের কারণে ১ ভাগ মাতৃমৃত্যু হত, সেখানে ২০১৬ সালে বৃদ্ধি পেয়ে সেটা হয়েছে ৭ ভাগ। (BMMS ২০১৬)। এর কারণ হল, একদিকে যেমন এবরশন বাড়ছে, অপরদিকে এটা গোপন করার হারও বাড়ছে। বিশেষ করে অবিবাহিত মেয়েরা বয়ফ্রেন্ডের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে গর্ভবতী হয়ে গোপনে এবরশন করাচ্ছে। একটা তথ্যে পাওয়া যায়, আমাদের দেশে বিবাহিতদের চেয়ে অবিবাহিত কিশোরীদের এবরশন করানোর হার পঁয়ত্রিশ ভাগ বেশি। (আহমেদ, ২০০৫)। কিন
প্রতিদিন কাঁচা রসুন খেলে কী হয়?

প্রতিদিন কাঁচা রসুন খেলে কী হয়?

প্রাইম ডেস্ক : শুধু খাবার হিসেবে নয়, প্রাচীনকাল আগে থেকেই রসুন ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশ্বের প্রায় সবখানেই রসুনকে বিভিন্ন অসুখ থেকে নিরাময়ের জন্য ব্যবহার করা হয়। তবে সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে প্রতিদিন এক কোয়া রসুন খাওয়ার রয়েছে নানা গুণ। তবে খালি পেটে রসুন খেতে হবে এমন নয়। যেকোনো সময় খেতে পারনে। তবে খেতে হবে কাঁচা। অনেকে মুখের গন্ধের কারণে কাঁচা রসুন খেতে চান না। তবে প্রতিদিন কাঁচা রসুন খাওয়ার উপকারিতাগুলো জানলে এই সংকোচ কেটে যেতে পারে। ভারতীয় গণমাধ্যম এনিডিটিভি জানিয়েছে কাঁচা রসুন খাওয়ার সুফলগুলো। • প্রতিদিন কাঁচা রসুন খেলে রক্তচাপ কমায়। চার কোয়া করে খেলে অনেক ক্ষেত্রে তা রক্তচাপ কমানোর ওষুধের মতো কাজ করে। • টোটাল এবং এলডিএল কোলেস্টেরল প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কমে যায়। তবে উপকারি কোলেস্টেরল বা এইচডিএল বাড়াতে ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে এর কোনো ভূমিকা নেই। • বিপাকীয়