স্বাস্থ্য

শরীরের ওজন কমাবে যে ৯ ফল

শরীরের ওজন কমাবে যে ৯ ফল

প্রাইম ডেস্ক : শরীরের অ্যানার্জি ঠিক রেখে ওজন কমানো মোটেও সহজ নয়। এর জন্য যথেষ্ট ধৈর্য ধরতে হয়, কঠোর পরিশ্রম করতে হয় এবং চর্বি কমানোর ব্যাপারে হতে হয় দৃঢ়সংকল্প। সঠিক ব্যায়াম ও আদর্শ খাবার তালিকার সমন্বয়ে ওজন কমাতে প্রয়োজন পরিকল্পনা। তাহলেই আপনি পেতে পারেন চমৎকার গড়নের শরীর। ওজন কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ফল। অস্বাস্থ্যকর স্নাকস এড়িয়ে ভিটামিন, ফাইবার এবং অন্যান্য পুষ্টি সমৃদ্ধ ফলকে খাবার তালিকায় গুরুত্ব দিতে হবে। যদিও সব ফলই স্বাস্থ্যের জন্য কোনো না কোনোভাবে উপকার করে। তবে ওজন হ্রাসের ক্ষেত্রে সঠিক ফল বাছাই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি সত্যিই ওজন কমাতে চান তবে নিচের ফলগুলো খেতে পারেন : ১। বাতাবি লেবুএই ফলটি ভিটামিন সি, ফোলিক অ্যাসিড এবং পটাসিয়ামে সমৃদ্ধ। একটি বাতাবি লেবুর অর্ধেকে রয়েছে মাত্র ৩৯ ক্যালোরি। প্রতিদিন খাবার গ্রহণের আগে ফলটি অর্ধেক খেলে আপনার কলেস্টের
শনিবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাবে আড়াই কোটি শিশু

শনিবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাবে আড়াই কোটি শিশু

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের আড়াই কোটি শিশু আগামীকাল শনিবার খাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত মোট ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্র থেকে এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যে ভিটামিন খাওয়ানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ নিরাপদ। কোনো প্রকার গুজবে কান না দিয়ে ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াতে অভিভাবকদের আহ্বান জানান হচ্ছে। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুরা খাবে নীল ক্যাপসুল আর ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সীরা খাবে লাল রঙের ক্যাপসুল। তিনি বলেছেন, এই দিনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী প্রায় ২৫ লাখ ২৭ হাজার শিশুকে নীল রঙের একটি করে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। আর ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ ৭ হাজার শিশুকে লাল রঙের একটি করে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, কদিন
শনিবারের জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন স্থগিত

শনিবারের জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন স্থগিত

প্রাইম ডেস্ক : অনিবার্য কারণবশত আগামী শনিবারের জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন স্থগিত করা হয়েছে। জাতীয় পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মো. ইউনুস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়ে বলা হয়, ক্যাম্পেইনের তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে। ভিটামিন ‘এ’ দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। এই কারণে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য নীতিমালা অনুযায়ী, ভিটামিন ‘এ’ এর অভাব পূরণে বছরে দুই বার সম্পূরক খাদ্য হিসেবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। আগের ঘোষণা অনুযায়ী, শনিবার সারাদেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের দ্বিতীয় রাউন্ডে ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী দুই কোটির বেশি শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা ছিল।
ইনসুলিন পাম্প কাদের প্রয়োজন

ইনসুলিন পাম্প কাদের প্রয়োজন

প্রাইম ডেস্ক : আমার ১২ বছরের ডাক্তারি অভিজ্ঞতায় দেখেছি, ডায়াবেটিস রোগীরা যারা আমার চেম্বারে আসে, তারা মোটামুটিভাবে আমার কথা মেনে চলে বা চলার চেষ্টা করে। নিয়ম-শৃঙ্খলা, খাদ্যাভ্যাস মেনে চলে, নিয়মিত ওষুধ খায়। আমি চেষ্টা করি তাদের এ বিষয়ের ওপর বোঝানোর জন্য। যেহেতু তারা মোটামুটিভাবে মানে, তাই আমার বিশ্বাস আমার বোঝানোই যথেষ্ট। কিন্তু তাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক খারাপ হয় তখনই, যখন কোনো রোগীকে বলি, আপনার মুখে খাবার ওষুধে আর কাজ করবে না বা কিছু দিনের জন্য ইনসুলিন নিতে হবে, সঙ্গে সঙ্গে তাদের চেহারা বদলে যায় এবং দেখা যায় অনেক রোগীই বেশ কিছু দিনের জন্য অনুপস্থিত আমার চেম্বারে। আমি যা বোঝার বুঝে নিই। আমার ওপর তারা আস্থা হারিয়েছে, অন্যকোনো ডাক্তারের কাছে গেছে। যদিও বেশিরভাগই আবার ফিরে আসে, তবে খুব কষ্ট নিয়ে থাকে, ইনসুলিন নেয়ার ব্যাপারটাই কেউ স্বাভাবিকভাবে নিতে পারে না। আজকের লেখাটা তাদের জন্য, যা
হেলথ রেভ্যুলেশন ইন বাংলাদেশ

হেলথ রেভ্যুলেশন ইন বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিগত দশ বছরে স্বাস্থ্যখাতের সাফল্যের যে গ্রাফ সারা বিশ্বকে চমকে দিয়েছে, এই সাফল্যের গ্রাফের পথপ্রদর্শক হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বর্তমান সরকারের দশ বছরে স্বাস্থ্য-বিষয়ক বেশকিছু সূচকে অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ অনেকের কাছেই অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত।বিগত বিএনপি জোট সরকার এর আমলে যেখানে শিশু মৃত্যুহার ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলছিলো, সেখানে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরে লাগাম টেনে ধরেছেন শিশু মৃত্যুহার। পাঁচ বছরের কম বয়সের শিশু মৃত্যুহার রোধে বাংলাদেশ এখন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। পুষ্টি ও স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়ে এখন ৭২ বছর যা বিএনপি জোট সরকার এর আমলে ছিল ৫৮ বছর। বিগত বিএনপি জোট সরকারের আমলে যেখানে টাইফয়েড, ডায়রিয়া এর মতো সামান্য পানিবাহিত রোগের কারণে মানুষ মারা যেত সেখানে বর
লিভার সিরোসিস থেকে বাঁচতে চাইলে মেনে চলুন ৭টি নিয়ম

লিভার সিরোসিস থেকে বাঁচতে চাইলে মেনে চলুন ৭টি নিয়ম

প্রাইম ডেস্ক : যকৃত বা লিভারের নানা সমস্যা শরীরকে দুর্বল যেমন করে তোলে, তেমনই লিভারের সমস্যার জেরে মৃত্যু পর্যন্ত হানা দিতে পারে। লিভারের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত থেকে এই অসুখ জন্ম নেয়। লিভারের কার্যক্ষমতা পুরোপুরি নষ্ট হয় এই অসুখের প্রভাবে। অনেকেরই ধারণা, কেবল অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে এই অসুখ হানা দেয়। কিন্তু গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্টদের মতে, মদ্যপান ছাড়াও প্রতি দিনের বেশ কিছু ভুল অভ্যাসের জেরেও এই অসুখ আক্রমণ করতে পারে। কিন্তু খুব সহজেই আমরা এর থেকে নিজেদের দূরে রাখতে পারি। চিকিৎসকদের মতে, লিভার এমনই এক অঙ্গ, যার অনেকটা নষ্ট হলেও একটু নিয়ম মানলেই আবার লিভারের স্বাস্থ্য ফেরে । সামান্য সতর্কতায় লিভার সিরোসিসের ঝুঁকিও এড়ানো সম্ভব। ১. মদ্যপান লিভার সিরোসিসের অন্যতম কারণ অতিরিক্ত পরিমাণে মদ্যপান। তাই লিভারকে সুস্থ রাখতে অনিয়ন্ত্রিত মদ্যপানে রাশ টানুন আজই। ২. সহজপাচ্য খাবার হজমশক্তিকে
মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হার রোধে সরকারের অভাবনীয় সাফল্য

মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হার রোধে সরকারের অভাবনীয় সাফল্য

নিজস্ব প্রতিবেদক : মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হ্রাসে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ। পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ বছরে দেশে মাতৃমৃত্যুর হার প্রায় ৬০ শতাংশ এবং শিশুমৃত্যুর হার প্রায় অর্ধেক কমেছে। আর এজন্য মাতৃমৃত্যু রোধে সরকার ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) পাশাপাশি অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারী সংস্থা নানা কর্মসূচী ও প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।বর্তমান সরকারের অনেক সাফল্যের অন্যতম দেশব্যাপী কমিউনিটি ক্লিনিক। ১৯৯৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের প্রতিটি জেলায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্পের অধীনে একটি করে কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। ২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে তা বাস্তবায়ন করেনি। পরবর্তীতে ২০১৪ সাল থেকে দেশে ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করেছে আওয়মী লীগ সরকার। সরকারী টার্গেট অনুযায়ী এ সংখ্যা ১৮ হাজারে উন্নীত করার কাজ চলমান।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সব ধরণের প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সব ধরণের প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশকে মেধাশুন্য করে নতুন প্রজন্মকে পথভ্রষ্ট করে ভবিষ্যত বাংলাদেশের মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দিতে প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল দেশ বিরোধী কিছু চক্র। শিক্ষা ব্যবস্থাকে ভেঙ্গে দিয়ে বর্তমান সরকারকে চাপে ফেলতেই এসব অপকর্ম করছিল কিছু অসাধু চক্র। বিগত কয়েক বছর ধরে পাবলিক পরীক্ষা চলাকালীন প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সরকারের এসব ইতিবাচক পদক্ষেপে উপকৃত হয়েছেন শিক্ষার্থী, বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া চাকরি প্রত্যাশী এবং অভিভাবক মহল। এর আগে সরকারকে বিব্রত করতে বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তবে প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে এবার যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। জাতির মেরুদণ্ড শিক্ষা ধ্বংসের এ মরণ খেলা বন্ধ করতে হার্ডলাইনে অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী। এ নিয়ে কাজ করছে বিভিন্ন বিভ
প্রতিটি বিভাগে সরকারি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিটি বিভাগে সরকারি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

প্রাইম ডেস্ক : আওয়ামী লীগ সরকার পুনরায় ক্ষমতায় এলে দেশের প্রতিটি বিভাগে সরকারি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় সিলেট মেডিক্যাল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করার প্রস্তাব আজ (বৃহস্পতিবার) সংসদে উঠবে এবং পাস করা হবে বলেও জানান তিনি। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অধীনে প্রতিষ্ঠিত সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ প্রুতিশ্রুতি দেন। দেশে চিকিৎসাসেবা আন্তর্জাতিকমানের হতে হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চিকিৎসকদের জন্য আরও গবেষণা কেন্দ্র খুলবো যাতে তারা গবেষণার প্রতি আরও জোর দিতে পারেন।’ চিকিৎসকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের চিকিৎসাসেবায় চিকিৎসকদের নিজের জীবন উৎসর্গ করতে হবে। মানুষ সুষ্ঠু চিকিৎসাসেবা পাবে
রক্ত পরীক্ষায় শনাক্ত করা যাবে ক্যান্সার

রক্ত পরীক্ষায় শনাক্ত করা যাবে ক্যান্সার

প্রাইম ডেস্ক : কম খরচে ক্যান্সার শনাক্তকরণ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ। যে প্রযুক্তির মাধ্যমে একজন রোগীর দেহে কোন ধরনের যন্ত্রপাতির প্রবেশ ছাড়াই ক্যান্সার আছে কি-না সেটি শনাক্ত করা সম্ভব হবে। অল্প সময়ের মধ্যেই এই প্রযুক্তি বলে দেবে কোন ব্যক্তির শরীরে ক্যান্সার আছে কি নেই। এতে খরচ পড়বে ৫০০ টাকারও কম। এর ফলে প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে গিয়ে এখন থেকে রক্ত পরীক্ষা করেই সম্ভাব্য ক্যান্সার শনাক্ত করা যাবে। বুধবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) যৌথভাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। হায়ার এডুকেশন কোয়ালিটি এনহান্সমেন্ট প্রজেক্টের (হেকেপ) আওতায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সিলেটের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন