স্বাস্থ্য

রাত জাগলে শরীরের যেসব ক্ষতি হয়

রাত জাগলে শরীরের যেসব ক্ষতি হয়

প্রাইম ডেস্ক : ইদানিং যুব সমাজে একটি কালচার গড়ে উঠেছে, সেটি হলো রাত জাগা। রাত যত গভীর হয় তাদের মধ্যে স্মার্ট ফোনে আদান-প্রদান ততো বেড়ে যায়। ফোন বা ল্যাপটপে ফেসবুক চ্যাটিংয়ে রাত শেষ করে। এর জন্য মোবাইল ফোনের কোম্পানিগুলো বিশেষ অফার দিয়ে থাকে। নিশ্চিত জেনে রাখুন, প্রতিরাতে আপনি নীরবে ক্রমশ বাড়িয়ে চলেছেন স্বাস্থ্য দুর্ভোগের ঝুঁকি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, হঠাৎ দু-একদিন জরুরি প্রয়োজনে রাত জাগতে হতেই পারে। কিন্তু ক্রমাগত রাত জাগার ফলে একজন মানুষের দেহে দেখা দিতে পারে মারাত্মক রোগব্যাধি। এর পরিণতিতে রাত জাগা ব্যক্তি আক্রান্ত হন স্লিপ ডিজঅর্ডার, অপরিণত বয়সে হৃদরোগ, বিষন্নতা এমনকি পারিবারিক অশান্তিতে। গবেষণায় দেখা গেছে, স্মৃতিশক্তি, সৃজনশীলতা, প্রাণবন্ততা, কর্মতৎপরতা কমে যায় এবং বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ডকে শ্লথ করে টানা রাত জাগরণ। অন্যদিকে স্বাভাবিকভাবে প্রতিদিন পরিমিত ঘুম ও বিশ্রাম হলে স্মৃতিশক্
দেশে সিজারিয়ানের হার বেড়েছে ৫১ শতাংশ

দেশে সিজারিয়ানের হার বেড়েছে ৫১ শতাংশ

প্রাইম ডেস্ক : বাংলাদেশে গত দুই বছরে শিশু জন্মের ক্ষেত্রে সিজারিয়ানের হার বেড়েছে ৫১ শতাংশ। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’ সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করে বিষয়টিকে অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার উল্লেখ করেছে। সিজারিয়ানে সন্তান জন্মদানে নানা ঝুঁকি রয়েছে উল্লেখ করে সেভ দ্য চিলড্রেন এর পক্ষ থেকে বলা হয়, ২০১৮ সালে যত সিজারিয়ান হয়েছে তার ৭৭ শতাংশই চিকিৎসাগতভাবে অপ্রয়োজনীয় ছিল। তাছাড়া, এতে মা ও শিশু উভয়কেই অস্ত্রোপচার ঝুঁকিতে পড়তে হয়। শিশু জন্মের অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের ফলে ইনফেকশন ও মাত্রাতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, অঙ্গহানি, জমাট রক্ত ইত্যাদির কারণে মায়েদের সুস্থতা ফিরে পেতে প্রাকৃতিক প্রসবের তুলনায় অনেক দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে বাংলাদেশি বাবা-মায়েরা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান জন্মদানে খরচ করেছেন প্রায় চার কোটি টাকার বেশি। জনপ্রতি গড়ে যা
যে কারণে লিচু খেলে শিশুদের মৃত্যু হয়

যে কারণে লিচু খেলে শিশুদের মৃত্যু হয়

প্রাইম ডেস্ক : লিচু সুস্বাদু ফল সন্দেহ নেই। কিন্তু যখন শিশুরা লিচু খেয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে তখনই হিসেবটা অন্যরকম হয়ে যায়। গত কয়েক বছর ধরেই লিচু খাওয়ার ফলে শিশু মৃত্যুর ঘটনা প্রকাশিত হচ্ছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। বাংলাদেশে এই মৃত্যুর হার খুব বেশি না হলেও ভারতে এই ফল খাওয়ার ফলে শিশু মৃত্যুর হার ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। জানা গেছে, গত ১০ দিনে ভারতের উত্তরাঞ্চলে লিচু খেয়ে অন্তত ১০৩ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দেশটির বিহার প্রদেশের মুজাফফরপুর জেলায় মৃত্যু হওয়া এসব শিশুর অধিকাংশের বয়স ১০ বছরের নিচে। ১৯৯৪ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে এ ফল খেয়ে রহস্যজনকভাবে অসুস্থ হয়ে মারা গেছে কমপক্ষে ১০০০ জন শিশু৷ শুধু ভারতেই নয়, লিচু খেয়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশেও। ২০১২ সালে দিনাজপুরে ১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছিল লিচু খাওয়ার ফলে। ২০১৫ সালে একই কারণে একই জেলাতেই ১১ শিশুর মৃত্যু ঘটে। এসব মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসার পর থেক
কচু শাক শুধু দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় না, কমায় হৃদরোগ-ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও

কচু শাক শুধু দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় না, কমায় হৃদরোগ-ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও

প্রাইম ডেস্ক : কচু দক্ষিন এশিয়া ও দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ার সুপরিচিত একটি সবজি। এর কাণ্ড সবজি এবং পাতা শাক হিসেবে খাওয়া হয়। কচুর কাণ্ড ও পাতা-সবকিছুতেই প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি রয়েছে। কচু শাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিণ, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, ডিটারেরী ফাইবার, শর্করা, বিভিন্ন খনিজ ও ভিটামিন রয়েছে। নিয়মিত কচু শাক খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যাবে- ১. কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে । এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কচু শাক খেলে কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায়। আরেক গবেষণা বলছে, কচু শাক স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে দারুন কার্যকরী। ২. কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। এ কারণে এটি দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া চোখ সম্পর্কিত জটিলতা কমায়। ৩. কচু শাকে থাকা স্যাপোনিনস,টেনিনস, কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্লাভোনয়েড উচ্চ রক্তচাপ কমায়।ন
৪৭৯২ চিকিৎসক নিয়োগ দেবে সরকার

৪৭৯২ চিকিৎসক নিয়োগ দেবে সরকার

প্রাইম ডেস্ক : দেশের হাসপাতালগুলোতে চার হাজার ৭৯২ জন চিকিৎসক নিয়োগের জন্য সুপারিশের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। চলতি বছরের মধ্যে এসব চিকিৎসক নিয়োগ শেষে আগামী বছর আরো প্রায় পাঁচ হাজার নিয়োগ দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত ১০০ দিনের কর্মসূচির অগ্রগতি জানাতে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। মন্ত্রী বলেন, চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। শিগগিরই নিয়োগ দেওয়া হবে। বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে থাকে। সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে সফল : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে সফল : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রাইম ডেস্ক : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বাংলাদেশ অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে। এদেশের টিকাদান কর্মসূচি, ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কর্মসূচি সারা বিশ্বে প্রশংসিত। দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে অধিকতর আধুনিক ও সুলভ করার লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। বুধবার (০৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিল্লার সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি একথা বলেন। যেকোনো দুর্যোগ পরবর্তী স্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবেলায়ও দেশের স্বাস্থ্যখাত সম্পূর্ণ প্রস্তুত উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আজ পোলিও ও ধনুষ্টংকার মুক্ত, যক্ষ্মা, কলেরা, ডায়রিয়াও নিয়ন্ত্রণে রেখেছে সরকার। কিন্তু অসংক্রামক রোগের বিস্তার বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের সার্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকেও চ্যালেঞ্জের মুখে
কিডনি সংযোজনে সফলতা ও প্রতিবন্ধকতা

কিডনি সংযোজনে সফলতা ও প্রতিবন্ধকতা

প্রাইম ডেস্ক : ১৯৮২ সালে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে ৩২ বছরের এক যুবক ভর্তি হয় তৎকালীন পিজি হাসপাতাল, বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে। কয়েকদিনের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ধরা পড়ে তার কিডনি রোগ এবং দুটো কিডনিই সম্পূর্ণ নষ্ট। তখনও দেশে হেমোডায়ালাইসিস চিকিৎসা শুরু হয়নি। সুতরাং পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে তাকে বাঁচিয়ে রাখা হয়। পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস করে তখন বেশিদিন রোগীকে বাঁচানো যেত না, তাই রোগীর নিকটাত্মীয়কে কিডনি দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। রোগীর বোন কিডনি দিতে এগিয়ে আসে এবং তার রক্তের গ্রুপ ও টিস্যু টাইপ করে ৫০ ভাগ মিল পাওয়া যায়। তখনকার বিখ্যাত ইউরোলজিস্টদের সহায়তায় কিডনি স্পেশালিস্টদের সঙ্গে নিয়ে সেই প্রথম এ দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের দুর্লভ চিকিৎসার সূচনা করা হয়। টানটান উত্তেজনার ভেতরে সারাটি রাত জেগে অপেক্ষা করা হয়- নতুন প্রতিস্থাপিত কিডনি কখন কাজ শুর
হৃদরোগ প্রতিরোধে করণীয়

হৃদরোগ প্রতিরোধে করণীয়

নিজস্ব প্রতিবেদক : যেকোনো রোগ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম। বর্তমান সময়ে অনেকেই হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। দিন দিন হৃদরোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে দৈনন্দিন জীবনে কিছু অনিয়ম করা। নিজের খাদ্যাভ্যাস এবং জীবন ধারণ পদ্ধতিতে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলেই খুব সহজেই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি এড়ানো যায়। হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে যেসব বিষয়ে সচেতন থাকা দরকার তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ১) জীবনযাপনে অলসতা পরিহার করে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম বা শারীরিক কসরত করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। ২) লিফটে না চড়ে সিঁড়ি ব্যবহার করার পাশাপাশি অল্প দূরত্বে গাড়ি বা রিকশা ব্যবহার না করে হেঁটে যাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। ৩) নিয়মিত খাদ্যাভ্যাসে অতিরিক্ত লবণ পরিহার করতে হবে। উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। ৪) মানসিক ও শারীরিক চা
শরীরের ওজন কমাবে যে ৯ ফল

শরীরের ওজন কমাবে যে ৯ ফল

প্রাইম ডেস্ক : শরীরের অ্যানার্জি ঠিক রেখে ওজন কমানো মোটেও সহজ নয়। এর জন্য যথেষ্ট ধৈর্য ধরতে হয়, কঠোর পরিশ্রম করতে হয় এবং চর্বি কমানোর ব্যাপারে হতে হয় দৃঢ়সংকল্প। সঠিক ব্যায়াম ও আদর্শ খাবার তালিকার সমন্বয়ে ওজন কমাতে প্রয়োজন পরিকল্পনা। তাহলেই আপনি পেতে পারেন চমৎকার গড়নের শরীর। ওজন কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ফল। অস্বাস্থ্যকর স্নাকস এড়িয়ে ভিটামিন, ফাইবার এবং অন্যান্য পুষ্টি সমৃদ্ধ ফলকে খাবার তালিকায় গুরুত্ব দিতে হবে। যদিও সব ফলই স্বাস্থ্যের জন্য কোনো না কোনোভাবে উপকার করে। তবে ওজন হ্রাসের ক্ষেত্রে সঠিক ফল বাছাই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি সত্যিই ওজন কমাতে চান তবে নিচের ফলগুলো খেতে পারেন : ১। বাতাবি লেবুএই ফলটি ভিটামিন সি, ফোলিক অ্যাসিড এবং পটাসিয়ামে সমৃদ্ধ। একটি বাতাবি লেবুর অর্ধেকে রয়েছে মাত্র ৩৯ ক্যালোরি। প্রতিদিন খাবার গ্রহণের আগে ফলটি অর্ধেক খেলে আপনার কলেস্টের
শনিবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাবে আড়াই কোটি শিশু

শনিবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাবে আড়াই কোটি শিশু

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের আড়াই কোটি শিশু আগামীকাল শনিবার খাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত মোট ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্র থেকে এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যে ভিটামিন খাওয়ানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ নিরাপদ। কোনো প্রকার গুজবে কান না দিয়ে ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াতে অভিভাবকদের আহ্বান জানান হচ্ছে। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুরা খাবে নীল ক্যাপসুল আর ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সীরা খাবে লাল রঙের ক্যাপসুল। তিনি বলেছেন, এই দিনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী প্রায় ২৫ লাখ ২৭ হাজার শিশুকে নীল রঙের একটি করে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। আর ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ ৭ হাজার শিশুকে লাল রঙের একটি করে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, কদিন