বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২
Shadow

Day: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০

ইলিশ উন্নয়নে একনেকে আজ ওঠছে আড়াইশো কোটি টাকার প্রকল্প

ইলিশ উন্নয়নে একনেকে আজ ওঠছে আড়াইশো কোটি টাকার প্রকল্প

অর্থনীতি, জাতীয়
প্রাইম ডেস্ক : সাত কোটি টাকা ভ্রমণ ব্যয় ! তাও আবার ইলিশসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের নামে। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে নিজেদের মধ্যেও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানান, ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। আর বিশ্বের মধ্যে ইলিশ উৎপাদনে শীর্ষে বাংলাদেশ। মোট উৎপাদনের ৬৬ শতাংশ দেশেই হয়। বাংলাদেশের কর্মকর্তারা কোথায়, কেনো, ইলিশসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের নামে ভ্রমণে যাবেন তাও উল্লেখ করা হয়নি প্রস্তাবনা পত্রে। সংশ্লিষ্টদের অনেকেই জানান, ইলিশসম্পদ উন্নয়ন নামে ২৪৬ কোটি ২৮ লাখ টাকার প্রস্তাবিত প্রকল্পে কর্মকর্তাদের ভ্রমণ ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই ভ্রমণ দেশে না বিদেশে সেটি স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি প্রস্তাবনা পত্রে। প্রস্তাবিত প্রকল্পটিতে ১৭৪ জন কর্মকর্তার ভ্রমণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ কোটি ৯৯ লাখ ৭২ হাজার টাকা। যা প্রকল্পের মোট ব্যয়ের ২ দশমিক ৮৪ শতাংশ। তবে এ ব্যয়কে অতিরিক্ত বলেছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, দেশীয় জাতীয় মাছ ইলিশ উন্ন...
টেকসই উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা

টেকসই উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা

উপসম্পাদকীয়, জাতীয়
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ : কভিড-১৯ বাংলাদেশসহ পৃথিবীর সব দেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। মহামারির প্রকোপ না কমলেও নানা বিধিনিষেধ তুলে দেওয়ায় অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। এ নিয়ে আমাদের মধ্যে আশাবাদের সঙ্গে অতি আশাবাদও লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা বিপদের কারণ হতে পারে। তাই আমাদের ঘুরে দাঁড়ানো যেন স্থায়ী হয়, কাক্সিক্ষত উন্নয়ন যেন টেকসই হয়, সে জন্য কিছু বিষয়ে আমাদের বিশেষ মনোযোগ দেওয়া দরকার। মহামারি আমাদের স্বাস্থ্য খাতকে মূল চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়েছে। তাই টেকসই উন্নয়নের পথে এখন নতুন বাস্তবতায় প্রথমেই করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কমাতে হবে। একইসঙ্গে বিদ্যমান অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক সমস্যাগুলো দূর করার প্রচেষ্টা জোরদার করতে হবে। আমাদের আগে থেকেই স্বাস্থ্য খাত, শিক্ষা খাত, পরিবহন খাত, সামাজিক সুরক্ষা খাত এবং অর্থনীতিতে অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে করোনা মোকাবেলা। ফলে উদ্ভূত পরিস্থ...
দেশে অ্যান্টিজেনভিত্তিক টেস্ট চালুর অনুমতি মিলেছে

দেশে অ্যান্টিজেনভিত্তিক টেস্ট চালুর অনুমতি মিলেছে

জাতীয়
নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের সব সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেলা হাসপাতাল, সরকারি আরটিপিসিআর ল্যাবরেটরি এবং সব স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটে অ্যান্টিজেনভিত্তিক টেস্ট চালুর অনুমতি মিলেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইড লাইন অনুসরণ করে অ্যান্টিজেন পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। গত ১৭ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ অধিশাখার উপসচিব ড. বিলকিস বেগম স্বাক্ষরিত চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সেখানে বলা হয়েছে- স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের প্রস্তাবনার পরিপ্রেক্ষিতে এক চিঠিতে বলা হয়, সারা দেশে অ্যান্টিজেন টেস্টের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে অতি অল্পসময়ে করোনা শনাক্ত করতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রস্তাবনা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অন্তর্বর্তীকালীন গাইডেন্স অনুসরণ করে দেশের সব সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেলা হাসপাত...
কূটনৈতিক পরিধি বাড়াচ্ছে দেশ

কূটনৈতিক পরিধি বাড়াচ্ছে দেশ

জাতীয়
প্রাইম ডেস্ক : অর্থনৈতিক কূটনীতি পরিণত হয়েছে নতুন বিশ্ব ব্যবস্থার মূল চাবিকাঠিতে। আঞ্চলিক স্বার্থ আদায়, প্রভাব বিস্তার ও নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্যের বাইরে অর্থনৈতিক সম্পর্কটা যেন একটি দেশের বিশেষ হাতিয়ার। বাংলাদেশও হাঁটতে চায় সেই পথেই। বিভিন্ন দেশে দূতাবাস বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যমান দূতাবাসগুলোকেও ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বিদেশি বিনিয়োগ, রপ্তানি বৃদ্ধি ও বহুমুখীকরণ এবং দেশীয় জনবলের জন্য বিদেশে কর্মসংস্থানে পাবলিক ডিপ্লোমেসির পাশাপাশি অর্থনৈতিক কূটনীতিতেও জোর দেওয়া হচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত দেশ মিয়ানমার ও আঞ্চলিক যোগাযোগের সার্ক দেশগুলো ঘিরেই প্রাধান্য পেয়েছে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক। তবে বর্তমানে জাতিসংঘভুক্ত ১৯৩ দেশের মধ্যে ৫৮টিতে বাংলাদেশের মোট ৭৭টি মিশন রয়েছে। আরও ২১টি দেশে ২২টি মিশন খোলারও উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অর্থনীতির বিষয়টি মাথায় রেখে প্রায় প্রতিটি...
শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে আসছে নানা কর্মসূচি

শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে আসছে নানা কর্মসূচি

শিক্ষাঙ্গন, সম্পাদকীয়
॥ করোনাপরবর্তী স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে প্রতিটি জেলায় নিয়োগ হচ্ছে মনোবিজ্ঞানী ॥ দরিদ্রদের শিক্ষাঋণ প্রদানের পরিকল্পনা ॥ দূরশিক্ষণ বছরজুড়ে চালু রাখার উদ্যোগ ॥ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্য-সরঞ্জাম সরবরাহ হবে করোনা সংক্রমণের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ প্রায় সাত মাস। এ মহামারীর কারণে বাড়ছে দারিদ্র্য। দারিদ্র্য বৃদ্ধি পেলে সঙ্গত কারণেই বাড়বে সব স্তরে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার। উপার্জনের জন্য শিক্ষা ছেড়ে শ্রমে যুক্ত হতে বাধ্য হবে দরিদ্র পরিবারের শিশুরা। বেড়ে যাবে বাল্যবিয়ে, বিশেষ করে মেয়েদের। বর্তমানে মাধ্যমিক স্তরে স্কুল ছাড়ার হার ৩৭ শতাংশ এবং প্রাথমিক স্তরে ১৮ শতাংশ। দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদরা মনে করেন, করোনার কারণে ঝরে পড়ার এ হার প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাবে। তাই করোনাপরবর্তী স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু এবং শিক্ষার্থীদের ব্যাপক হারে ঝরে পড়া রোধ করতে বেশকিছু...